• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:২১ অপরাহ্ন

চিকুনগুনিয়া ঠেকাতে মাঠে নামছে মেডিকেল শিক্ষার্থীরা


প্রকাশের সময় : জুন ১৫, ২০১৭, ৪:০৭ PM / ১৭৮
চিকুনগুনিয়া ঠেকাতে মাঠে নামছে মেডিকেল শিক্ষার্থীরা

 

ঢাকারনিউজ২৪.কম, ডেস্ক : আগামী ১৭ জুন রাজধানীতে এডিস মশার প্রজননক্ষেত্র ধ্বংসে নামবেন মেডিকেল শিক্ষার্থীরা। ঢাকা মহানগরকে ৯২টি এলাকায় বিভক্ত করে ওইদিন সকাল নয়টায় থেকে দুপুর দু্ইটা পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা ছোট ছোট দলে বিভক্ত হয়ে নির্ধারিত এলাকায় ছড়িয়ে পড়বেন। চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধ এবং চিকনগুনিয়া হলে কী করণীয় সে বিষয়ে সচেতনতামূলক কার্যক্রম শুরু করবে বলে জানা গেছে।

১৪ জুন বুধবার সচিবালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ এ তথ্য জানান। এ সময় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম, স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব মো. সিরাজুল ইসলাম, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব মো. সিরাজুল হক খান উপস্থিত ছিলেন।

ডা. আবুল কালাম আজাদ বলেন, চিকুনগুনিয়ার প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। বৃষ্টি ও আবহাওয়ার উষ্ণতা বেশি হওয়ার কারণে চিকুনগুনিয়ার বাহক এডিস মশার বংশ বৃদ্ধি হচ্ছে।

তিনি বলেন, সম্প্রতি ঢাকা শহরে একটি জরিপ চালানো হয়েছে। ৪৭টি ওয়ার্ডে এডিস মশার প্রজননক্ষেত্র দেখেছি। স্বাভাবিক মাত্রার ইনডেক্স ২০। কিন্তু ঢাকা শহরের ৪৭ ওয়ার্ডের গড় ইনডেক্স ৫২। যা দ্বিগুণের বেশি। অর্থাৎ ঢাকা শহরের এডিস মশার প্রকোপ অনেক বেশি এবং এই কারণে চিকুনগুনিয়ায় আক্রান্ত বেশি।

তিনি আরও বলেন, ঢাকার বাইরে অন্যান্য নগরীতে দু’একটা কেস পাওয়া গেছে। ঢাকার বাইরে গিয়ে জ্বর হয়েছে। কিন্তু কামড় খেয়েছে ঢাকায়। এই মুহূর্তে ঢাকা নগরী আতঙ্কের কারণ।

ডা. আবুল কালাম আজাদ বলেন, চিকুনগুনিয়া রোগীর বড় ধরনের লক্ষণ হলো তাদের অনেক জ্বর হয় এবং বিভিন্ন জয়েন্টে ব্যথা হয়। কেউ কেউ ৪-৫ দিনের মধ্যে সেরে গেলেও কিছু ক্ষেত্রে ৪-৬ মাসও হতে পারে। অনেকে চলাফেরাও করতে পারে না। এজন্য এটাকে অবজ্ঞা করতে পারি না। এজন্য আমরা কর্মসূচি নিয়েছি। আগামী ১৭ জুন সকাল নয়টা থেকে দুপুর দু্ইটা পর্যন্ত ঢাকা শহরের যতো সরকারি-বেসরকারি মেডিকেল কলেজ, ডেন্টাল কলেজ, নার্সিং ইনস্টিটিউট, ইনস্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজি, মেডিকেল অ্যাসিসট্যান্ট ট্রেনিং স্কুল, নিপসনের যতো মেডিকেল চিকিৎসা শিক্ষার্থী আছে তারা নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের সামনে জড়ো হবে। শিক্ষক ও অতিথিরা তাদের নির্দেশনা দিবেন। তারা ছোট ছোট দলে বিভক্ত হয়ে ঢাকা শহরের নির্ধারিত এলাকায় ছড়িয়ে পড়বেন।

তিনির বলেন, ঢাকা মহানগরকে আমরা ৯২টি এলাকায় বিভক্ত করেছি। এই সমস্ত জায়গায় নির্মাণাধীন ভবনে এডিস মশার প্রজননস্থল ধংস করবে। পুরনো টায়ার, ডাবের খোসায় জমে থাকা পানি ও আবর্জনায় এডিস মশার প্রজনন ক্ষেত্রে ধংস করবে। এসএমএসের মাধ্যমে জানিয়ে দেব যে, তরুণী শিক্ষার্থীরা বাড়ির ভিতরে প্রবেশ করে প্রজননক্ষেত্র ধ্বংস করবে। তারা মানুষকে সচেতন করবে।

(ঢাকারনিউজ২৪.কম/এসডিপি/৪:০৫পিএম/১৫/৬/২০১৭ইং)