• ঢাকা
  • রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৫০ অপরাহ্ন

বক্তাবলী শ্রমিকলীগের কর্মীসভায় বাধা প্রদানের অভিযোগ


প্রকাশের সময় : জুলাই ২৩, ২০২২, ৪:৩০ PM / ৩১৯
বক্তাবলী শ্রমিকলীগের কর্মীসভায় বাধা প্রদানের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক : ফতুল্লা থানার বক্তাবলী ইউনিয়ন শ্রমিক লীগের কর্মী সভায় বাঁধা প্রদানের অভিযোগ উঠেছে। বক্তাবলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম শওকত আলী ও স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতারা এ কর্মী সভা আয়োজনে বাঁধা প্রদান করেন বলে অভিযোগ তুলেছেন থানা শ্রমিক লীগের সভাপতি পিয়াস আহম্মেদ সোহেল।

শুক্রবার ২২ জুলাই বিকেলে রামনগর ঈদগাহ ময়দানে প্রস্তাবিত বক্তাবলী ইউনিয়ন শ্রমিকলীগ আয়োজিত কর্মী সভায় প্রধান বক্তার বক্তব্যে এসব অভিযোগ তোলেন তিনি।প্রস্তাবিত বক্তাবলী ইউনিয়ন শ্রমিক লীগ নেতা সোবহান ফকিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় শ্রমিক লীগ ফতুল্লা আঞ্চলিক শাখার সাধারণ সম্পাদক এস এম হুমায়ুন কবীর। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুতুবপুর ইউনিয়ন আ’লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম মেম্বার, ফতুল্লা থানা শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম, সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুস সাত্বার, সহসভাপতি মোঃ অহিদুর রহমান,যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কবির হোসেন রাজু, মোঃ জাকির হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক আজিজুল হক হাওলাদা প্রমুখ।

বক্তাবলী ইউনিয়ন শ্রমিকলীগ নেতা কাশেম মাহমুদ ইকবালের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন ফতুল্লা থানা শ্রমিকলীগের সহসাংগঠনিক মোঃ সেলিম মিয়া,অর্থ বিষয়ক সম্পাদক মোঃ জামাল হোসেন, সহ অর্থ বিষয়ক সম্পাদক মোঃ জহিরুল ইসলাম রিপন, ত্রাণ ও পুনর্বাসন সম্পাদক মিজানুর রহমান রনি,সদস্য মোঃ আব্দুল মান্নান, ফতুল্লা থানা মজদুর শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন, ট্রলার বাল্কহেড শ্রমিক ইউনিয়ন এর সাধারণ সম্পাদক আনিছুর রহমান মাষ্টার, জতীয় শ্রমিকলীগ নন্দলালপুর ইউনিট এর সাধারণ সম্পাদক মোঃ রিপন আকন, ফতুল্লা থানা হকার্স শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি নুর মোহাম্মদ, বক্তাবলী ইউনিয়ন ১৩৯শহীদ পরিবার সংগঠন এর সভাপতি মোঃ আমির হোসেন, ডাঃ শামীম,মোঃ ইদ্রিস ফকির,শাহজালাল মাইকেল শ্রমিকলীগ নেতা মোঃ জাফর দেওয়ান, মোঃ মজিবুর রহমান, ,আলীগঞ্জ পলাশ নগর যুব সংঘের সভাপতি মোঃ আব্দুর রাজ্জাক প্রমূখ।

সভায় বক্তারা বলেন, আমাদের এ অনুষ্ঠান বক্তাবলী ইউনিয়ন পরিষদের ৮ নং ওয়ার্ডস্থ প্রশন্ন নগর এলাকায় আয়োজনের কথা ছিল। কিন্তু বক্তাবলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম শওকত আলী ও স্থানীয় আ’লীগের একটি বলয় সেখানে অনুষ্ঠান করতে বাঁধা প্রদান করে। আমরা বঙ্গবন্ধুকে বুকে লালন করি,শেখ হাসিনাকে বুকে লালন করি, কেন্দ্রীয় শ্রমিকলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আলহাজ্ব কাউসার আহমাদ পলাশের নির্দেশনায় শ্রমিকলীগকে সুসংগঠিত করে সরকারের ধারাবাহিক উন্নয়নকে বাংলার প্রতিটি ঘরে ঘরে পৌছে দিতে কাজ করছি।আমরা পাকিস্তান জিন্দাবাদ বলিনা,আমরা জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু বলি।বিএনপি জামাতের অনেক অত্যাচার নির্যাতন সহ্য করেছি,একই দলের হয়ে যারা এমন আচরণ করে তা মেনে নেওয়া যায়না। আমরা শান্তি চাই। আমাদের নেতা কাউসার আহমাদ পলাশ শান্তির পক্ষে কাজ করেন। তিনি কোন ঝামেলা সৃষ্টি করতে নিষেধ করেছেন। তাই আমরা কর্মীসভার ভেন্যু পরিবর্তন করে রামনগর ঈদগাতে নিয়ে এসেছি। তবে আপনারা ভাববেন না আমরা দূর্বল। দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেলে আমরা লড়াই করবো। আমরা বিনয়ী, তবে দূর্বল ভাববেন না। আমরা আমাদের অধিকার আদায়ে রাজপথে আছি এবং থাকবো।