

ঢাকারনিউজ২৪.কম, ডেস্ক : বিশ্বকাপের পর শ্রীলঙ্কা সফরেই শেষ ওয়ানডে খেলেছে বাংলাদেশ। সময়ের হিসেবে যা প্রায় ৭ মাসের কাছাকাছি। অবসর নিয়ে এমনিতে মাশরাফি-বোর্ড দু পক্ষই দ্বিধায় রেখেছেন সংবাদ মাধ্যম থেকে শুরু করে সাধারন ভক্ত সমর্থকদের। ঘরের মাঠে মার্চের ১ তারিখ থেকে শুরু হতে যাওয়া জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজ যত সামনে আসছে মাশরাফি খেলছেন কি খেলছেন না এই প্রশ্ন ততই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।
বিশ্বকাপে যাচ্ছেতাই পারফরম্যান্সের পর মাশরাফির দলে জায়গা পাওয়াটাই কঠিন হওয়ার কথা। কিন্তু দলের অধিনায়ক বলে হুট করে তাকে ছাড়া দল ঘোষণাও বেমানান। সেক্ষেত্রে সমাধান হতে পারতো মাশরাফির নিজেই অবসরের ঘোষণা, যেহেতু ২০২৩ বিশ্বকাপ সামনে রেখে বোর্ড নতুন নেতৃত্ব ও দল গুছানোর মিশনে নামবে।
মাশরাফি রাজি হলে দেশের ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম স্মরণীয় বিদায়ী আয়োজনও করতে চেয়েছিল বোর্ড। কিন্তু মাশরাফি সাফ জানিয়েছেন ক্রিকেট থেকে এখনই অবসর নয়, জাতীয় দলে বিবেচিত না হলে খেলবেন ঘরোয়া ক্রিকেটে হলেও। তার অমন বক্তব্যের পরই জলঘোলা হচ্ছে আরও, দল নির্বাচনে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে নির্বাচক, টিম ম্যানেজমেন্টকে।
১৬ ফেব্রুয়ারি) টেস্ট স্কোয়াড ঘোষণার পর ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের প্রধান আকরাম খান জানিয়েছেন ওয়ানডে দলও ঘোষণা করা হবে ২২-২৩ তারিখের দিকে। মাশরাফি খেলা না খেলার সিদ্ধান্ত আসবে বোর্ড সভাপতির সাথে মাশরাফির বৈঠকের পরই।
রোববার (১৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে মিরপুরে আকরাম খান বলেন, ‘ওয়ানডেটাও (স্কোয়াড) আমরা ইনশাআল্লাহ ২২-২৩ তারিখের দিকে দিবো। মাশরাফি আমাদের কিংবদন্তি খেলোয়াড়, সে হল সবচেয়ে সফল অধিনায়ক। ওর ব্যাপারটা আমাদের মাননীয় বোর্ড প্রেসিডেন্ট ওর সাথে আলাপ করে সিদ্ধান্ত নিবেন। কারণ এটা আমার মনে হয় ওকে সম্মান দেখানোর জন্য সবচেয়ে সেরা পথ।’
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে মাশরাফির না খেলার সিদ্ধান্ত আসলেও বিকল্প ভেবে রেখেছে বোর্ড। সেক্ষেত্রে তামিম, মুশফিক, রিয়াদের একজনকে নিতে হবে অধিনায়কত্বের গুরুদায়িত্ব, এমনটাই আভাস আকরামের কণ্ঠে, ‘যদি মাশরাফি খেলে তাহলে ত কোনো প্রশ্নই আসে না, আর যদি না খেলে তাহলে সিনিয়র খেলোয়াড়দের মধ্যে কাউকে সেই দায়িত্ব দেওয়া হবে।’
(ঢাকারনিউজ২৪.কম/আরএম/১:১৩পিএম/১৭/২/২০২০ইং)
আপনার মতামত লিখুন :