• ঢাকা
  • শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৩৪ অপরাহ্ন

মেয়র আইভীকে হত্যাচেষ্টা : আদালতে মামলা


প্রকাশের সময় : ডিসেম্বর ৫, ২০১৯, ৩:৫৪ PM / ১৭৯
মেয়র আইভীকে হত্যাচেষ্টা : আদালতে মামলা

নারায়ণগঞ্জ সংবাদদাতা : ফুটপাতে হকার বসানোকে কেন্দ্র করে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী ও তার সমর্থকদের ওপর হামলার দীর্ঘ ২২ মাস পর আদালতে মামলা করা হয়েছে।

মেয়র আইভীকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে বুধবার (৪ ডিসেম্বর) বিকেলে সিটি কর্পোরেশনের আইন কর্মকর্তা জিএমএ সাত্তার বাদী হয়ে এ মামলা করেন। মামলাটি আমলে নিয়ে সদর মডেল থানা পুলিশকে আইনগত ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ আদালতের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বেগম ফাহমিদা খাতুন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে নারায়ণগঞ্জ কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক আসাদুজ্জামান বলেন, মামলাটি আমলে নিয়ে সদর মডেল থানা পুলিশকে আইনগত ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছেন আদালতের বিচারক।

মামলার এজাহারে ঘটনার দিন অস্ত্র প্রদর্শনকারী নিয়াজুল ও নারায়ণগঞ্জ মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক শাহ নিজামসহ ৯জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। সেই সঙ্গে অজ্ঞাত ৯০০-১০০০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে।

এজাহারে উল্লেখিত বাকিরা হলেন- মহানগর যুবলীগের সভাপতি শাহাদাৎ হোসেন সাজনু, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি জুয়েল হোসেন, মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জাকিরুল আলম হেলাল, স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা জানে আলম বিপ্লব, জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সুজন, যুবলীগ কর্মী নাসির উদ্দিন ওরফে টুন্ডা নাসির ও যুবলীগ নেতা চঞ্চল মাহমুদ।

এর আগে একই ঘটনায় গত বছরের ২৩ জানুয়ারি সিটি কর্পোরেশনের আইন কর্মকর্তা জিএমএ সাত্তার বাদী হয়ে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিলেও মামলা হিসেবে রেকর্ড করেনি পুলিশ। এরই প্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার আদালতে মামলা করা হয়।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, ২০১৮ সালের ১৬ জানুয়ারি বিকেল ৪টায় মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভী সিটি কর্পোরেশনের কাউন্সিলর ও অন্যদের সঙ্গে নিয়ে পদযাত্রা শুরু করেন। বিকেল সাড়ে ৪টায় পদযাত্রাটি বঙ্গবন্ধু সড়কের চাষাঢ়া সায়েম প্লাজার সামনে পৌঁছলে বিবাদীরা পিস্তল, রিভলবার, শটগান ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে চারদিক থেকে হামলা চালায়। সেই সঙ্গে বৃষ্টির মতো ইট-পাটকেল ছুড়তে থাকে। মেয়রসহ তার সঙ্গে থাকা লোকজনকে হত্যার উদ্দেশ্যে এ হামলা চালানো হয়। হামলায় আইভী ও দায়িত্বরত সাংবাদিক সহ ৪৩ জন গুরুতর আহত হন।

পরবর্তীতে মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। ঘটনার চারদিন পর ২২ জানুয়ারি সুনির্দিষ্ট প্রমাণসহ নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানায় মামলার এজাহার দেয়া হয়। কিন্তু থানা পুলিশ মামলা না নিয়ে জিডি নেয়।

এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা না নেয়ায় ২০১৯ সালের ৭ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে অভিযোগ করা হয়। তখন পুলিশ সুপার নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসিকে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন। কিন্তু ওসিও কোনো ধরনের ব্যবস্থা নেননি। এরই প্রেক্ষিতে আদালতে মামলা করা হয়।

(ঢাকারনিউজ২৪.কম/আরএম/৩:৫৫পিএম/৫/১২/২০১৯ইং)