• ঢাকা
  • বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ১১:৩৫ অপরাহ্ন

আঞ্চলিক সহযোগিতার তাৎপর্য নিয়ে আলোচনা


প্রকাশের সময় : নভেম্বর ১৯, ২০১৯, ২:০৩ PM / ৯৩
আঞ্চলিক সহযোগিতার তাৎপর্য নিয়ে আলোচনা

উৎপাদনশীলতা বাড়াতে এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধির লক্ষ্যে বাংলাদেশ, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়ার মতো উন্নয়নশীল দেশগুলি আঞ্চলিক সহযোগিতার দিকে মনোযোগ দিয়েছে। আঞ্চলিক সহযোগিতার তাত্পর্য দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় অঞ্চলে বেশী কারন এই দেশগুলো ক্রমাগত উন্নতি করে চলেছে।

সম্প্রতি ঢাকার রেডিসন ব্লু ওয়াটার গার্ডেন হোটেলে ওয়ার্ল্ড ইসলামিক ইকোনমিক ফোরাম ফাউন্ডেশন ও সিকো আয়োজিত এক গোলটেবিল বৈঠকে অংশগ্রহনকারীরা আঞ্চলিক সহযোগিতার উপর জোর দিয়েছেন। তাদের মতে আঞ্চলিক সহযোগিতা প্রতিটি দেশের ব্যাবসা বানিজ্যকে আরও জোরদার করবে।

ওয়ার্ল্ড ইসলামিক ইকোনমিক ফোরাম ফাউন্ডেশন ও সিকো আয়োজিত অনুষ্ঠানটি উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারী শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান। তিনি এ অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ডাব্লুআইইএফ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান তুন মুসা হিতম এবং সিকো ফাউন্ডেশনের নির্বাহী চেয়ারম্যান সালাহউদ্দিন কাসেম খান।

অনুষ্ঠানের মূল প্রতিপাদ্য ছিল “আঞ্চলিক সহযোগিতা: রূপান্তরকরণ অর্থনীতি”। অংশগ্রহণকারীরা আঞ্চলিক সহযোগিতা, উৎপাদনশীলতা, কর্মসংস্থান ছাড়াও অবকাঠামোগত উন্নয়নের সুযোগ নিয়ে আলোচনা করেন।

সালমান এফ রহমান বলেন “আঞ্চলিক এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা উভয়ই সরকারের কাছে গুরুত্বপূর্ণ।” তিনি আরও বলেন, আমাদের বিশাল জনগোষ্ঠীকে বোঝা হিসাবে বিবেচনা করার পরিবর্তে দক্ষতা বিকাশের উদ্দেশ্য নিয়ে কাজ করলে বাংলাদেশ হতে পারে উন্নয়নের নতুন মডেল।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপদেষ্টা, যিনি নিজেই একজন সফল ব্যবসায়ী, যোগ করেছেন যে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের আসন্ন চ্যালেঞ্জগুলি মোকাবেলা করার জন্য গ্রামীণ স্তর থেকে শুরু করে সারা দেশে একটি শক্ত মেরুদণ্ড তৈরি করতে হবে। তিনি আরও বলেন যে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকার ইতিমধ্যে প্রতি ২৫০০ ইউনিয়নের জন্য একটি ডেটা সেন্টার স্থাপন করেছে এবং স্কুলে কম্পিউটার সংখ্যা বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে যা “ডিজিটাল বাংলাদেশ” এর স্বপ্নকে সহজ করার প্রয়াস।

সিকো ফাউন্ডেশনের এক্সিকিউটিভ চেয়ারম্যান এবং ডব্লিউআইইএফ ফাউন্ডেশনের আন্তর্জাতিক উপদেষ্টা প্যানেলের সদস্য সালাহউদ্দিন কাসেম খান বলেছেন যে “দেশের আর্থ-সামাজিক পরিস্থিতি উন্নয়নের জন্য আমাদের সামগ্রিক বাণিজ্য, বিনিয়োগ, পর্যটন এবং সহযোগিতা উন্নত করতে হবে, অন্যদিকে ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংক অব্যাহত রাখতে পারে তাদের বিশেষ উন্নয়ন কর্মসূচির (এসডিপি) আওতায় আর্থিক ভূমিকা পালন ।

অংশগ্রহণকারীরা দক্ষিণ এশিয়ার বেসরকারী খাতের মধ্যে অবকাঠামোগত অর্থায়নের উন্নয়নে একীভূত সহযোগিতার গুরুত্বের উপরেও জোর দিয়েছেন। এগুলো বাস্তবায়ন হলে এবং দক্ষিণ-দক্ষিণ পূর্ব অঞ্চলের দেশগুলো সামগ্রিক বিকাশের পরিপূরক হলে উৎপাদনশীলতা বাড়বে এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি হবে।
(ঢাকারনিউজ২৪.কম/কেএস/০২:০২পিএম/১৯/১১/২০১৯ইং)