• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ১১:০৪ পূর্বাহ্ন

বিসিসিআই’র চাকরি হারাচ্ছেন শচিন-সৌরভ-লক্ষণ


প্রকাশের সময় : অগাস্ট ১৫, ২০১৮, ১১:৩৮ AM / ১৯২
বিসিসিআই’র চাকরি হারাচ্ছেন শচিন-সৌরভ-লক্ষণ

ঢাকারনিউজ২৪.কম, ডেস্ক : ভারতীয় ক্রিকেট দলের জন্য সঠিক কোচ নির্বাচন ও পাশাপাশি টিম ম্যানেজমেন্টের আনুষঙ্গিক কাজ করার জন্যই তিন সদস্য নিয়ে গঠন করা হয়েছিল ক্রিকেট এডভাইসারি কমিটি (সিএসি)। এই কমিটির তিন সদস্য কিংবদন্তি শচিন টেন্ডুলকার, সাবেক অধিনায়ক সৌরভ গাঙ্গুলি ও সাবেক ব্যাটসম্যান ভিভিএস লক্ষণ।

তবে ভারতীয় ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বোর্ড অব কন্ট্রোল ফর ক্রিকেট ইন ইন্ডিয়ার (বিসিসিআই) এই ‘সম্মানিত’ চাকরি হয়ত আর বেশিদিন করা হচ্ছে না শচিন-সৌরভ-লক্ষণের। ‘স্বার্থের সংঘাত’ ইস্যুতেই ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ডের সম্মানিত ক্রিকেট উপদেষ্টা কমিটি থেকে সরানো হচ্ছে ভারতীয় ক্রিকেটের এই তিন নক্ষত্রকে।

এমনই সংবাদ প্রকাশ করেছে ভারতীয় কয়েকটি সংবাদমাধ্যম। সংবাদমাধ্যমগুলোর বরাতে জানা যায়,বিনা বেতনে কাজ করা শচিন-সৌরভ-লক্ষণকে সরিয়ে ক্রিকেট অ্যাডভাইসারি কমিটিকে নতুন করে ঢেলে সাজানো হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে রীতিমত বেতন দিয়েই নতুন কর্তাব্যক্তিদের হাতে দায়িত্ব অর্পণ করা হবে।

ভারতীয় ক্রিকেটের তিন নক্ষত্রকে সরানোর পেছনে মূলত স্বার্থ সংঘাতের ইস্যুকেই তুলে ধরেছে দেশটির সংবাদমাধ্যমগুলো। যেমন সাবেক অধিনায়ক সৌরভ গাঙ্গুলি ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অব বেঙ্গলের (সিএবি) সভাপতি। আবার ধারাভাষ্যকার হিসেবেও কাজ করেন সম্প্রচারকারী চ্যানেলে।

অন্যদিকে ভিভিএস লক্ষণ আবার বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় বিশেষজ্ঞের কলাম লেখেন। ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) দল সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদের মেন্টরও তিনি। শচিনের ক্ষেত্রে এমন কোনো সমস্যা না থাকলেও তার ছেলে অর্জুন অনুর্ধ্ব-১৯ দলের সদস্য।

নিয়ম অনুযায়ী, কোচ অথবা নির্বাচকের কোনো আত্মীয় জাতীয় দলে ঢোকার লড়াইয়ে থাকলে তাকে সেই দায়িত্ব ছাড়তে হয়। যেমন ২০১৫ সালে মধ্যপ্রদেশ নির্বাচক প্রধানের পদ থেকে সরে দাঁড়াতে হয় নরেন্দ্র হিরওয়ানিকে। কারণ, তার ছেলে ছিল মধ্যপ্রদেশের রাজ্য স্তরের ক্রিকেটার।

শচিনের ক্ষেত্রেও এমনটাই প্রযোজ্য হবে বলে মনে করছেন ভারতীয় ক্রিকেট মহলের একাংশ। সব মিলিয়ে ভারতীয় বোর্ডে বড়সড় রদবদল আসছে বলেই ইঙ্গিত দেশটির সংবাদমাধ্যমের। সূত্র: টাইমসনাও/ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

(ঢাকারনিউজ২৪.কম/আরএম/১১:৩৮এএম/১৫/৮/২০১৮ইং)