• ঢাকা
  • সোমবার, ০৯ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:৪৮ পূর্বাহ্ন

গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে অবৈধ ভাবে স্কুল ম্যানেজিং কমিটি গঠন


প্রকাশের সময় : জুন ২৭, ২০১৮, ৬:০৭ PM / ১২৬
গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে অবৈধ ভাবে স্কুল ম্যানেজিং কমিটি গঠন

ঢাকারনিউজ২৪.কম, গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি : গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীর রামদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি গঠনে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এ ব্যাপারে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ও বিদ্যালয় পরিদর্শক বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।

অভিযোগের ভিত্তিতে জানা গেছে, ওই বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির মেয়াদ শেষ হওয়ার সাথে সাথে পূর্বের সভাপতি সুলতান আহমেদ মোল্যা অভিভাবক ও স্থানীয়দের না জানিয়ে তার মনোনীত কিছু লোককে প্রার্থী করে বিনা প্রতিদ্বন্দিতায় ভোট গ্রহণ ছাড়া নির্বাচন সম্পন্ন করে পুনরায় সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন।
বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীর ছাত্রী স্বর্ণা খানমের পিতা শহিদুল শেখ সুলতান আহমেদের বিপক্ষের সম্ভাব্য প্রার্থী হওয়ায় তার নাম খসড়া ভোটার তালিকায় অন্তর্ভূক্ত করলেও চূড়ান্ত ভোটার তালিকা থেকে তার নাম বাদ দিয়ে শহিদুলের স্ত্রী নাছরিন বেগমকে ভোটার করা হয়। এছাড়া বর্তমান কমিটির অভিভাবক সদস্য রুহুল আমিন খাকীকে নির্বাচনে প্রার্থী করতে তার মেয়ে ও ৫৫ নং ভুলবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেণীর ছাত্রী খুকুমনি কে ওই বিদ্যালয়ে ষষ্ঠ শ্রেণীতে ভর্তি করেন। অথচ ওই প্রাথমিক বিদ্যালয়ের হাজিরা খাতায় মে ২০১৮ ইং তারিখ পর্যন্ত খুকু মনির উপস্থিতি রয়েছে। সমাপনী পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ এবং পাশ না করেই সে ষষ্ঠ শ্রেণীতে ভর্তি হওয়ার জনমনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। ফলে বিধি মোতাবেক রুহুল আমিন খাকীর ভোটার এবং প্রার্থী হওয়ার কোন বৈধতা নেই। এ ঘটনায় অভিভাবক ও এলাকাবাসীর মাঝে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় গাজী সাইদুর রহমান অভিযোগ করে বলেন, সভাপতি সুলতান আহমেদ প্রচুর অর্থের বিনিময় অযোগ্যদের যোগ্য বানিয়ে শিক্ষক-কর্মচারী হিসেবে নিয়োগ দিয়ে অর্থ হাতিয়ে নিয়ে স্কুলটি কে নিজের পকেটভারি করার উৎসে পরিণত করেছেন।
এদিকে, গত ১৬ মে দৈনিক সমকালে বিদ্যালয়ের শূন্যপদে একজন নিম্নমান সহকারী কাম-কম্পিউটার অপারেটর নিয়োগের জন্য আগ্রহী প্রার্থীদের কাছ থেকে দরখাস্ত আহবান করা হয়। এই পদে মোট ১২ জন প্রার্থী আবেদন করেছেন। কথিত সভাপতি সুলতান আহমেদ মোল্যা ১৫ লাখ টাকার বিনিময় তার মনোনীত প্রার্থীকে সাজানো পরীক্ষার মাধ্যমে নিয়োগ দেয়ার পাঁয়তারা করছেন বলেও অভিযোগে উল্লে¬খ রয়েছে। ফলে মেধা ও যোগ্যতা থাকা সত্তে¡ও নিয়োগ থেকে বঞ্চিত হওয়ার আশংকা করছেন প্রার্থীরা।

এ ব্যাপারে ওই বিদ্যালয়ের সভাপতি সুলতান আহমেদ মোল্যার সাথে তার ব্যবহৃত মোবাইল ০১৭২১-৯৩২৩১০ নম্বরে বার বার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোনটি রিসিভ করেননী। এ ব্যাপারে ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা ফিরোজা বেগমের ব্যবহৃত মোবাইল ০১৯২০-৭৩৮৭০০ নম্বরে বার বার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।

এ ব্যাপারে কাশিয়ানী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো: রফিকুল ইসলামের ব্যবহৃত মোবাইল ০১৭১২-০১০৬৮৬ নম্বরে যোগাযোগ করা হলেও তিনি বলেন, এ বিষয়ে আমার কাছে কোন লিখিত অভিযোগ আসেনী। যদি কোন লিখিত অভিযোগ আসে তবে অবশ্যই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

(ঢাকারনিউজ২৪.কম/এসডিপি/৬:০৩পিএম/২৭/৬/২০১৮ইং)