• ঢাকা
  • বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:১৪ পূর্বাহ্ন

হাইকোর্টে রুমির আগাম জামিন আবেদন, দেশ ছাড়া নিয়ে ধোঁয়াশা!


প্রকাশের সময় : অক্টোবর ২৭, ২০২৬, ৮:০৭ PM / ২৬
হাইকোর্টে রুমির আগাম জামিন আবেদন, দেশ ছাড়া নিয়ে ধোঁয়াশা!

ঢাকারনিউজ : গাজীপুরের টঙ্গীতে এক মাদরাসা ছাত্রীকে (৭) চুমু দেওয়ার অভিযোগে শিক্ষককে থাপ্পড় এবং মাদরাসা ভাঙচুরের ঘটনায় করা মামলার আসামি শাহজালাল রুমি হাইকোর্টে আগাম জামিন আবেদন করেছেন।

মঙ্গলবার এ তথ্য জানিয়েছেন তার আইনজীবী বেল্লাল হোসেন ও রুহুল আমীন মোল্লা (হাসান)।

যদিও সোমবার রাতে সাংবাদিকদের পাঠানো এক খুদে বার্তায় শাজহালাল রুমি দেশ ছাড়ার কথা জানিয়েছেন।

আইনজীবী বেল্লাল হোসেন জানান, রোববার তিনি হাইকোর্টে এসে হলফনামা করেছেন।

এখন তার আগাম জামিন আবেদন হাইকোর্টের কার‌্যতালিকায় উঠলে শুনানি হবে। আর শুনানির সময় আসামিকে উপস্থিত থাকতে হবে।

এখন রুমি দেশে থাকুক আর বিদেশ থাকুক সেটা বিষয় নয়। আমি আশা করি তিনি শুনানির সময় উপস্থিত হবেন।
না হলে তো তার আবেদন শুনবেন না আদালত।

সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাত ৮টার দিকে পাঠানো বার্তায় রুমি বলেন, আমি আর এই দেশে নেই। এসব নিয়ে যা হয় হোক, যে যা খুশি বলুক, করুক আমার কোনো মন্তব্য নেই। আপনারা সবাই ভালো থাকেন।

বার্তায় তিনি আরও অভিযোগ করেন, অনেক সাংবাদিক তার প্রকাশ করা ভিডিও থেকে কেটে সেটে বিভিন্নভাবে প্রচার করেছেন। এর ফলে অনেকেই নানা ধরনের মন্তব্য করছেন।

তবে তিনি আইনের কাছে সঠিক বিচার চেয়েছেন বলে জানান।

রুমি বলেন, আমি এই দেশবাসীকে একটাই অনুরোধ করব, আপনাদের সঙ্গেও যদি এমন ঘটনা হয়, প্রতিবাদ অবশ্যই করবেন।

গত শুক্রবার গাজীপুরের টঙ্গীর আওচপাড়া এলাকায় অবস্থিত ক্বারিউল কোরআন ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসায় বহিরাগতদের নিয়ে প্রবেশ, শিক্ষককে মারধর, মাদরাসার অফিসকক্ষ ভাঙচুর ও ১৭ লাখ টাকা লুটের অভিযোগে মামলা হয়। মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ আলমাস হোসেন বাদী হয়ে শাহজালাল রুমির বিরুদ্ধে মামলাটি করেন।

অন্যদিকে সাত বছর বয়সী ছাত্রীকে চুমু দেওয়া ও যৌন নিপীড়নের অভিযোগে পরিবারের করা মামলায় অভিযুক্ত শিক্ষক মুসলেম উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠায় পুলিশ। এ ঘটনায় গত রোববার গাজীপুর চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তার জামিনের আবেদন করা হলে শুনানি শেষে তা নামঞ্জুর করেন বিচারক।

ঘটনাটি নিয়ে গত কয়েকদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনা চলছে।

টঙ্গী পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান বলেন, অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে এবং তাকে কারাগারেও পাঠানো হয়েছে। এ ছাড়া মাদ্রাসা ভাঙচুর, টাকা লুট ও শিক্ষককে মারধরের অভিযোগে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ ওই অভিভাবকসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে। তাদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।