

মোখলেসুর রহমান তোতা : পলাশ একটি ফুল, যে ফুল সুবাস ছড়ায়। যে ফুলের সুবাসে মানুষ বিমোহিত হয়। যার আভায় আলোকিত হয়ে ওঠে মানুষের মন। নিরন্ন, অসহায় অধিকার বঞ্চিত শ্রমজীবি মানুষেরা পলাশ নামটির মধ্যে খুঁজে পায় নিরাপদ আশ্রয়। আলীগঞ্জ ছোট্ট একটি গ্রাম। আর এ গ্রামেই জন্ম নেন বাবা ইদ্রিস আলী মেম্বারের ঘরে জীবন্ত কিংবদন্তী আলহাজ্ব কাউছার আহমাদ পলাশ। বাবা যেমন জীবদ্দশায় মানুষের সুখে দুংখে পাশে থেকে কাজ করা, শিক্ষার আলোক বর্তিকা জ্বেলে দেওয়ার মন মানুষিকতা, সমাজের উন্নয়নে কাজ করা সব কিছুই পলাশ দেখেছেন বাবার পাশে থেকে। বাবার পদাঙ্ক অনুসরণ করে পলাশও এগিয়ে এসেছেন মানুষের কল্যানে নিজেকে সঁপে দিতে। পলাশ, আজ শুধু তার নিজ গ্রামের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেননি। গ্রাম থেকে শহর, শহর থেকে জেলা, জেলা থেকে সমগ্র দেশের মানুষের কাছে নিজেকে তুলে ধরতে সক্ষম হয়েছেন। টেকনাফ থেকে তেুঁতুলিয়া রূপসা থেকে পাথুরিয়া সমগ্র দেশের, অসহায় মানুষ যখন জীবন জীবিকার তাগিদে শহরে ছুটে আসে দু’বেলা দু’মুঠো অন্ন জোগার করতে গিয়ে মাথার ঘাম পায়ে ফেলে ন্যায্য অধিকার থেকে হয় বঞ্চিত, তখন সে সকল অধিকার বঞ্চিত নিরন্ন অসহায় মানুষগুলোর কাছে পলাশ হয়ে ওঠেন নির্ভরতার প্রতীক। নিরাপদ ঠিকানা। যার ছায়ায় এবং মায়ায় নিরন্ন অসহায় মানুষগুলোর চোখেমুখে ফুটে ওঠে স্নিগ্ধ হাসি। পায় দু’বেলা দু’মুঠো অন্ন আর বাসস্থানের নিশ্চয়তা।
খেটে খাওয়া শ্রমজীবী মানুষের প্রাণের স্পন্দন, নন্দিত শ্রমিক নেতা শান্তির দূত, জাতীয় শ্রমিকলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক আলহাজ্ব কাউছার আহমাদ পলাশ। আজ একুশে এপ্রিল তার ৫২ তম জন্মদিন। আজ তার জন্মদিনে আমার এ লেখাটি তাকে নিবেদন করলাম। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন ১৯৭১ সালের ২১ এপ্রিল ফতুল্লার কুতুবপুর ইউনিয়নের আলীগঞ্জে ইদ্রিস আলী মেম্বার ও মা হাজেরা খাতুন দম্পতির ঘরে জন্ম গ্রহণ করেন এই জীবন্ত কিংবদন্তি। ৩ ভাই ও ৫ বোনের মধ্যে তিনি ২য় এবং ভাইদের মধ্যে তিনি বড়।
পলাশ, যে ফুলের সুবাস এখন সর্বত্র ছড়িয়ে পড়েছে। কোথায় নেই পলাশ? মায়ানমার থেকে বিতাড়িত, নির্যাতিত মুসলিম রোহিঙ্গা, স্কুল, কলেজ, মাদরাসা, ক্রীড়াঙ্গন সর্বক্ষেত্রেই রয়েছে সেবা ও তার ছান্দসিক পদচারণা। পলাশ ছুটে চলেছেন, সুকান্তের রানারের মত দূর্বারগতিতে। তার এ পথ চলা মানবতার কল্যানের জন্য। পলাশ তার সহযোদ্ধাদের সব সময়ই বলেন, তোমরা মনে রেখো ‘যে জীবন মানুষের কল্যাণে আসে না সে জীবনের কোনো মূল্য নেই’। এ বানীকে বুকে ধারণ করে মানবতার কল্যাণে শান্তির দূত হয়ে আলহাজ্ব কাউসার আহমেদ পলাশ এগিয়ে যাচ্ছেন, তিনি তার সততা, আদর্শ থেকে কখনও সরে দাঁড়াননি। করেননি মিথ্যের সঙ্গে আপোষ। সত্যকে প্রতিষ্ঠিত করতে গিয়ে অনেক লড়াই সংগ্রামে অবর্তীন হয়েছেন তিনি। আল্লাহর উপর পূর্ণ আস্থা ও ঈমানী শক্তিতে বলিয়ান হয়ে অন্ধকারে আলোক রশ্মি জ্বালিয়েছেন। বলিষ্ঠ নেতৃত্বের মাধ্যমে অন্যায়কে পদদলিত করেছেন । সন্ত্রাস নয় সাহস থাকলে আদর্শ দিয়ে মোকাবেলা কর। এই নীতিতে আজো তিনি অটল রয়েছেন। তাইতো তিনি প্রতিটি মানুষের নিকট নিজেকে শান্তির দূত হিসেবে তুলে ধরতে সক্ষম হয়েছেন।
জয়তু পলাশ, জয়তু। জন্মদিনে তোমার প্রতি রইলো আমাদের শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা এগিয়ে যাও দৃঢ় প্রত্যয়ে। তোমার বজ্রকন্ঠে আবারও প্রকম্পিত হবে রাজপথ, দুনিয়ার মজদুর এক হও বলে ।মহান রাব্বুল আলামিন তোমার সকল ভালো কাজ কবুল ও মঞ্জুর করে তোমাকে পুরোপুরি সুস্থতা ও নেক হায়াত দান করুক শুভ জন্মদিনে সেটাই আমাদের প্রত্যাশা।শুভ জন্মদিন।
আপনার মতামত লিখুন :