• ঢাকা
  • মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:০৫ অপরাহ্ন

সিদ্ধিরগঞ্জে আ.লীগের পলাতক সন্ত্রাসীদের পুর্নবাসনে বিএনপি নেতা ডিএইচ বাবুল


প্রকাশের সময় : নভেম্বর ২৪, ২০২৪, ১১:০৬ PM / ৪৭১
সিদ্ধিরগঞ্জে আ.লীগের পলাতক সন্ত্রাসীদের পুর্নবাসনে বিএনপি নেতা ডিএইচ বাবুল

নিজস্ব প্রতিবেদক : ফ্যাসিবাদী স্বৈরাচারের দোসরদের পূর্ণবাসন করছে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার গোদনাইল ৮নং ওয়ার্ডের বিএনপি নেতা ডিএইচ বাবুল। গণহত্যাকারী আওয়ামী সরকারের পতনের পর চিহ্নিত ভূমিদস্যু ও মাদক কারবারী অস্ত্রবাজ সন্ত্রাসী শাহজাহান পলাতক থাকলেও তার কিশোর গ্যাং ও ছিচকে সন্ত্রাসী বাহিনীদের আশ্রয় প্রশ্রয় দিয়ে স্থানীয় বিএনপি নেতা বাবুল পূর্ণবাসন করছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

এলাকাবাসী জানায়, একাধিক মামলার পলাতক আসামী মঞ্চাভিনেতা শাহজাহান পাঠানটুলী পুরাতন আইলপাড়া এলাকার এক মূর্তিমান আতংক ছিল। গড়ে তুলেছিল মাদক সিন্ডিকেট ও ভূমি দস্যুতার বিশাল সন্ত্রাসী বাহিনী। সাবেক পলাতক এমপি শামীম ওসমানের নাম ব্যবহার করে এলাকায় টর্চারসেল সহ জিম্মি করে ফেলেছিল পুরো আশপাশের এলাকা। স্বৈরাচার আওয়ামী সরকার পতনের পর পরই শাহজাহান ও তার বাহিনীকে শেল্টার দেয় ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ডিএইচ বাবুল। যদিও বাবুল একসময় শাহজাহানের পা চাটা হিসেবে এলাকায় পরিচিতি রয়েছে। যার ফলশ্রুতিতে শাহজাহান বাহিনীর নারী খেকো সোহেল রানা ও বাস্তুহারার সালাহ উদ্দিনকে ডান ও বাম পাশে নিয়ে ডিএইচ বাবুল পূর্ণবাসন করার চেষ্টায় লিপ্ত হয়। যা দেখে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরা ক্ষোভে ফুসে উঠেছে।

এছাড়াও ডিএইচ বাবুল ও তার পুঁচকে বাহিনী এলাকায় ডিজে পার্টির নামে নোংরামি করে যাচ্ছে। দিনে ও রাতে সন্ত্রাসী শাহজাহানের বাড়ি বাবুল পাহাড়া দিচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক বিএনপি নেতা এ প্রতিবেদককে বলেন, ডিএইচ বাবুলের এই ধরনের নোংরামির কারণে এবং আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও সন্ত্রাসী লীগকে আশ্রয় প্রশ্রয় দিয়ে মাথায় উঠিয়ে রাখছে। যার ফলে এসব আওয়ামী স্বৈরাচারের প্রেতাত্মারা মাথাচারা দিয়ে উঠছে এবং সমাজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছে।

শাহজাহানের খুব কাছের হওয়ায় একাধিক নারী কেলেঙ্কারির হোতা খেলোয়ার সোহেল রানাকে এবং বাস্তুহারার অরাজকতার মুলহোতা সালাহ উদ্দিনকে সম্প্রতি এলাকার একটি খেলাধূলার আয়োজনে ডিএইচ বাবুলের দুইপাশে রাখায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে স্বয়ং বাবুলের অনুসারিরা।

এদিকে সন্ত্রাসী শাহজাহান পলাতক থাকলেও এলাকায় মাঝে মধ্যে এসে ডিএইচ বাবুলের সাথে বৈঠক করে আবার চলে যায় বলেও অভিযোগ রয়েছে। তবে গোদনাইল বিএনপির আরেক নেতা বলেন, শাহজাহান আর বাবুল একপেট একচেট তাই একজন আরেকজনকে ছাড়া চলতে ফিরতে পারে না। তার মধ্যে শাহজাহান তার বাহিনীকে দেখাশোনা করার জন্য বাবুলকে দিয়েছে মোটা অংকের টাকা।

এ ব্যাপারে জেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিনের আশু হস্তক্ষেপ সহ এলাকার শীর্ষ সন্ত্রাসী ও অপরাধীদের দ্রুত গ্রেফতার করার জন্য পুলিশ প্রশাসনের প্রতি জোর দাবী জানান এলাকাবাসী।

এসব অভিযোগের বিষয়ে কথা বলতে ডিএইচ বাবুলের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেও পাওয়া যায়নি।