• ঢাকা
  • শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:২৭ পূর্বাহ্ন

ঢাকার নির্বাচনে মাঠে থাকবে আওয়ামী লীগ-বিএনপি


প্রকাশের সময় : ডিসেম্বর ২৩, ২০১৯, ১১:৩৭ AM / ১০৩
ঢাকার নির্বাচনে মাঠে থাকবে আওয়ামী লীগ-বিএনপি

ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। রোববার ঘোষিত তারিখ অনুযায়ী ভোট হবে আগামী ৩০ জানুয়ারি। মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার শেষদিন ৩১ ডিসেম্বর।

২ জানুয়ারি যাচাই-বাছাই এবং প্রত্যাহারের শেষ সময় ৯ জানুয়ারি। ১০ জানুয়ারি প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ এবং ওইদিন থেকেই শুরু হবে আনুষ্ঠানিক প্রচার। দুই সিটিতে এবার ভোট হবে ইভিএমে। প্রার্থী হতে হলে বর্তমান মেয়রদের পদত্যাগ করতে হবে।

তবে কাউন্সিলররা নিজ পদেই থেকে নির্বাচন করতে পারবেন। এদিকে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর দলীয় প্রার্থী বাছাইয়ে পুরোদমে কাজ শুরু করবে বড় রাজনৈতিক দলগুলো। যদিও আগে থেকেই তারা প্রাথমিক প্রস্তুতি সেরে রেখেছে।

এবারের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ, বিএনপিসহ প্রায় সব রাজনৈতিক দলই মাঠে থাকবে। তাই সবকিছু ঠিক থাকলে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের এক বছর পর ফের মুখোমুখি হচ্ছে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি। দুই সিটি নির্বাচনে নৌকা ও ধানের শীষের জমজমাট লড়াই হবে বলে মনে করছেন ভোটাররা।

দুই সিটির নির্বাচন চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিচ্ছে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর এ ভোটকে মর্যাদার লড়াই হিসেবে দেখছেন তারা। তাই ভোটে জয়ী হতে মেয়র পদে জনপ্রিয় ও শক্তশালী প্রার্থী দেবে উভয় দলই।

এবারের নির্বাচনেও জোটগতভাবে একক প্রার্থী দেয়ার পরিকল্পনা রয়েছে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৪ দল ও বিএনপির নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের নবনির্বাচিত প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী জাফরউল্লাহ রোববার যুগান্তরকে বলেন, আমাদের প্রার্থী পরিবর্তনের সম্ভাবনা সব সময়ই থাকে। প্রার্থিতা চেয়ে আমরা দলীয় মনোনয়ন ফরম ছাড়ব।

অনেকে মনোনয়ন পেতে ফরম কিনবেন। এদের মধ্য থেকে যাকে যোগ্য মনে হবে তাকেই মনোনয়ন দেয়া হবে। উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়রের মেয়াদ এক বছর হলেও যোগ্য প্রার্থীর সন্ধান করা হচ্ছে সেখানেও।

জানতে চাইলে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রোববার যুগান্তরকে বলেন, আমরা সিটি নির্বাচনসহ অন্যান্য নির্বাচনে অংশগ্রহণের বিষয়ে ইতিবাচক চিন্তাভাবনা করছি। তবে প্রার্থীর ব্যাপারে এখনও চূড়ান্ড কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

দলীয় ফোরামে আলোচনা করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। প্রার্থী চূড়ান্তের বিষয়ে তিনি বলেন, আমাদের পার্লামেন্টারি বোর্ড রয়েছে। সেখানেই আমরা প্রার্থী চূড়ান্ত করব। তবে নির্বাচনে জয়ী হতে পারে, জনপ্রিয়তা আছে এমন প্রার্থীকেই দলীয় মনোনয়ন দেয়া হবে।

দুই সিটির তফসিল : আগামী ৩০ জানুয়ারি ভোটগ্রহণের দিন রেখে রাজধানীর দুই সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে ইলেকশন কমিশন। রোববার নির্বাচন ভবনে সংবাদ সম্মেলনে তফসিল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নূরুল হুদা।

তিনি জানান, দুই সিটিতে ৩০ জানুয়ারি সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত ভোট হবে। সম্পূর্ণ ভোটই ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) গ্রহণ করা হবে। বিদ্যমান ভোটার তালিকায় ভোট নেয়া হবে।

প্রতিটি কেন্দ্রে ইভিএমের পাহারায় দু’জন করে সেনা কর্মকর্তা নিয়োগ দেয়া হবে। তিনি আরও বলেন, প্রার্থী হতে হলে বর্তমান মেয়রদের পদত্যাগ করতে হবে। তবে কাউন্সিলররা নিজ পদেই থেকে নির্বাচন করতে পারবেন।

ঢাকার দুই সিটির সম্প্রসারিত ওয়ার্ডের কাউন্সিলররা নির্বাচন নিয়ে মামলা করলে জটিলতার সৃষ্টি হবে কিনা- এমন প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, কোনো আইনি জটিলতা হবে না। এর আগে সিইসির সভাপতিত্বে কমিশনের ৫৭তম সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় দুই সিটির তফসিল চূড়ান্ত করা হয়। এরপর চার কমিশনারকে পাশে নিয়ে সিইসি তফসিল ঘোষণা করেন। এ সময় ইসির সিনিয়র সচিব মো. আলমগীরও সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

সিটি নির্বাচন প্রসঙ্গে সিইসি বলেন, নিরপেক্ষভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ভোটারদের নিরাপত্তার দায়িত্ব আমরা (ইসি) নেব। আমরা ভোটারদের আহ্বান করছি, তারা যেন ভোটকেন্দ্রে আসেন। প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচন হবে। এটা নিয়ে চিন্তার অবকাশ নেই।

নির্বাচনে সেনা সদস্য মোতায়েন করা হবে কিনা- এমন প্রশ্নের জবাবে কেএম নূরুল হুদা বলেন, নির্বাচনে সেনা থাকবে না। পুলিশ, বিজিবি থাকবে। তবে ইভিএম মেশিন পরিচালনার জন্য প্রতি কেন্দ্রে দু’জন করে সেনা কর্মকর্তা থাকবে। তারা টেকনিক্যাল পারসন হিসেবে থাকবে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য হিসেবে নয়। এ সময় পাশে থাকা নির্বাচন কমিশনার মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, প্রতিটি কেন্দ্রে ২ জন সেনা সদস্য থাকবেন। তাই সেনা সদস্য মোতায়েন হচ্ছে অথবা হচ্ছে না- এসব কথা আমরা বলছি না।

অপর এক প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, সিটি কর্পোরেশনে ব্যক্তি কখন নির্বাচিত হল কী না হল- সেটা নিয়ে কিছু বলা নেই আইনে। সিটির মেয়াদের কথা আইনে বলা আছে।

তাই আইনি জটিলতা হবে না। নির্বাচনে নতুন ভোটাররা ভোট দিতে পারবে কিনা- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, পারবে না। নতুন ভোটার হবে ৩১ জানুয়ারির পর। তাই নতুন ভোটাররাও কোনো আইনি জটিলতা সৃষ্টি করতে পারবে না। এছাড়া আমরা আইন সংশোধন করে নতুন ভোটার তালিকা ১ মার্চ প্রকাশের বিধান করব।

দলের সব স্তরে ৩৩ শতাংশ নারী নেতৃত্ব রাখার বিষয়ে আওয়ামী লীগের গঠনতন্ত্র সংশোধন প্রসঙ্গে জানতে চাইলে সিইসি বলেন, এটা গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ অনুযায়ী আইনসিদ্ধ হয়নি। কোনো দল যদি শর্তটি পূরণ করতে না পারে, তখন আমরা বিবেচনা করব। এ তো অগ্রিম কিছু বলা যাবে না।

নির্বাচন কর্মকর্তা : ঢাকার দুই সিটিতে ইসির নিজস্ব কর্মকর্তাদের রিটার্নিং ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা নিয়োগ দেয়া হয়েছে। ঢাকা উত্তর সিটিতে ইসির যুগ্মসচিব মো. আবুল কাসেম ও দক্ষিণ সিটিতে আরেক যুগ্মসচিব আবদুল বাতেনকে রিটার্নিং কর্মকর্তা নিয়োগ দেয়া হয়েছে। ঢাকা উত্তর সিটিতে ১৮ জন ও দক্ষিণ সিটিতে ২৫ জন সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা রাখা হয়েছে।

ঢাকা উত্তর সিটিতে ৫৪টি সাধারণ ওয়ার্ড ও ১৮টি সংরক্ষিত মহিলা ওয়ার্ড রয়েছে। মোট ভোটার ৩০ লাখ ৩৫ হাজার ৬২১ জন। অপরদিকে ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে ৭৫টি সাধারণ ওয়ার্ড ও ২৫টি সংরক্ষিত ওয়ার্ড রয়েছে। মোট ২৩ লাখ ৬৭ হাজার ৪৮৮ ভোটার।

মাঠে থাকবে আ’লীগ ও বিএনপি : ঢাকার দুই সিটি নির্বাচনে শক্তিশালী প্রার্থীর সন্ধান করছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। প্রার্থিতা চেয়ে আগামী বুধবার দলীয় মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু করবে দলটি।

আগামী বুধ, বৃহস্পতি ও শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত দলটির সভাপতির ধানমণ্ডির রাজনৈতিক কার্যালয় থেকে এ আবেদনপত্র সংগ্রহ করা যাবে। জমা দেয়া যাবে শুক্রবার বিকাল ৫টা পর্যন্ত।

২৮ ডিসেম্বর শনিবার সন্ধ্যা ৬টায় আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারি বাসভবন গণভবনে দলের স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ডের সভা অনুষ্ঠিত হবে। এখানেই প্রার্থী চূড়ান্ত করা হবে। জানা গেছে, উত্তরে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে বর্তমান মেয়র আতিকুল ইসলাম মাঠে আছেন। তার মনোনয়ন পাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।

এছাড়া ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সদ্য বিদায়ী যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক কাদের খানও নির্বাচন করতে আগ্রহী। দক্ষিণে বর্তমান মেয়র সাঈদ খোকন ইতিমধ্যে মাঠে নেমে পড়েছেন। এছাড়া প্রয়াত মেয়র আনিসুল হকের স্ত্রী রুবানা হকও রয়েছেন আলোচনায়।

খোকন ছাড়াও আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য সাবের হোসেন চৌধুরীও মেয়র পদে নির্বাচন করতে পারেন।

কাউন্সিলর পদে দলীয় মনোনয়ন দেয়া হবে, এমন কোনো সিদ্ধান্ত এখনও নেয়নি দলটি। তবে প্রার্থী সংখ্যা বেশি হলে ও বিএনপিসহ অন্যান্য দলের প্রার্থিতায় অনাগ্রহ থাকলে কাউন্সিলর পদ উন্মুক্ত রাখার কথা চিন্তা করছে আওয়ামী লীগ।

সূত্রটি আরও জানায়, প্রার্থী বাছাইয়ে এবার আওয়ামী লীগ পারিবারিক যোগ্যতার চেয়ে প্রার্থীর নিজ যোগ্যতাকে বেশি প্রাধান্য দেবে। সে হিসাবে দুই সিটিতে একাধিক সংস্থার লোকজন প্রভাবশালী নেতাদের খোঁজখবর নিচ্ছেন।

যোগ্যতা হিসেবে নিজ এলাকায় সামাজিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত ও জনপ্রিয়- এমন নেতার সন্ধান চলছে। বর্তমান দুই মেয়রকে হাতে রেখেই তারা অধিকতর যোগ্য প্রার্থীর খোঁজ করছে। সে ক্ষেত্রে দুই মেয়র থেকে একজন বাদ পড়তে পারেন- এমনও বলছেন কেউ কেউ।

অপরদিকে আওয়ামী লীগের প্রার্থী জরিপ সংশ্লিষ্ট নেতাদের কাছে বর্তমান অধিকাংশ কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ করছেন তৃণমূল নেতাকর্মী ও স্থানীয় বাসিন্দারা।

বর্তমান কাউন্সিলরদের জনপ্রিয়তা বেড়েছে নাকি জনবিচ্ছিন্ন হয়েছে তা প্রতিবেদন আকারে জানাতে মহানগর নেতাদের নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ। সে হিসাবে আসন্ন ঢাকা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে অনেক কাউন্সিলর বাদ পড়ার ঝুঁকিতে থাকবেন।

আওয়ামী লীগের পাশাপাশি সিটি নির্বাচনে মাঠে থাকবে বিএনপি। হাইকমান্ডের এমন সিদ্ধান্তের পরই প্রাথমিক প্রস্তুতি শুরু করেন সম্ভাব্য প্রার্থীরা। দুই সিটিতে সম্ভাব্য প্রার্থীদের ইতিমধ্যে সবুজ সংকেত দেয়া হয়েছে।

বিগত নির্বাচনে ঢাকা দক্ষিণ সিটির ভোটে অংশ নেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস ও উত্তরে তাবিথ আউয়াল। এবার মির্জা আব্বাসের নির্বাচন করার সম্ভাবনা কম।

তার স্ত্রী আফরোজা আব্বাসকে দলীয় মনোনয়ন দেয়ার পক্ষে ছিলেন দলের একটি অংশ। কিন্তু ঢাকার মেয়র সাদেক হোসেন খোকা মারা যাওয়ার পর আব্বাস দম্পতি নির্বাচন করতে আগ্রহী নয়।

সেক্ষেত্রে খোকার ছেলে ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেনই দক্ষিণে বিএনপির শক্তিশালী প্রার্থী। দলের বড় একটি অংশ ইশরাকের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। সাদেক হোসেন খোকার ইমেজকে কাজে লাগিয়ে ভোটে ভালো করতে পারবে বলে তাদের ধারণা।

বিষয়টি দলীয় হাইকমান্ডও বিবেচনা করছে। ইশরাককে কাজ করতে ইতিমধ্যে দলের পক্ষ থেকে সবুজ সংকেতও দেয়া হয়েছে। হাইকমান্ডের নির্দেশ পেয়ে পুরোদমে মাঠে নেমে পড়েছেন তিনি। দলীয় কর্মসূচিতে অংশ নেয়ার পাশাপাশি নিয়মিত মতবিনিময় করে যাচ্ছেন।

জানতে চাইলে বৃহস্পতিবার টেলিফোনে ইশরাক যুগান্তরকে বলেন, দল নির্বাচনে অংশ নিলে এবং আমাকে মনোনয়ন দেয়, তাহলে আমি নির্বাচনে লড়ব। আমি নির্বাচনের জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুতি নিয়েছি। সুষ্ঠু ভোট হলে দক্ষিণে ধানের শীষের বিপুল বিজয় হবে বলে আশা করি।

ইশরাক ছাড়াও দক্ষিণে মেয়র পদে আলোচনায় আছেন বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি হাবিব-উন-নবী খান সোহেল। দলের নীতিনির্ধারকদের কারও কারও সঙ্গেও বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেছেন সোহেল। মহানগর দক্ষিণের নেতাকর্মীদের একটি অংশও তাকে মেয়র পদে দেখতে চাচ্ছেন।

ঢাকা উত্তর সিটি নির্বাচনে প্রার্থী নিয়ে স্বস্তিতে রয়েছে বিএনপি। এ সিটিতে এবারও দলীয় মনোনয়ন দেয়া হচ্ছে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টুর ছেলে দলের নির্বাহী কমিটির সদস্য তাবিথ আউয়ালকে।

সম্প্রতি তাকে লন্ডনে ডেকে পাঠান দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। নির্বাচনের প্রস্তুতিসহ সার্বিক বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে আলোচনা হয়। হাইকমান্ড থেকে সংকেত পেয়ে মাঠে কাজ শুরু করেছেন তিনি। ‘অদম্য ঢাকা’ এই স্লোগানে বিভিন্ন স্থানে মতবিনিময় করছেন তিনি।

তুলে ধরছেন নির্বাচিত হওয়ার পর তার কর্মপরিকল্পনা। উত্তরে মেয়র পদে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন এলডিপির একাংশের নেতা শাহাদাত হোসেন সেলিম। জামায়াতও উত্তরে প্রার্থী দিতে পারে বলে শোনা যাচ্ছে।

(ঢাকারনিউজ২৪.কম/এসডিপি/১১:৩৬এএম/২৩/১২/২০১৯ইং)