• ঢাকা
  • মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৫৫ পূর্বাহ্ন

রূপগঞ্জে হাট না পেয়ে জুলাই যোদ্ধাদের চাঁদা দাবির অভিযোগ


প্রকাশের সময় : মে ২৩, ২০২৬, ১১:০৫ PM / ১৭২
রূপগঞ্জে হাট না পেয়ে জুলাই যোদ্ধাদের চাঁদা দাবির অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক : নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে কোরবানির পশুর হাটের জন্য আবেদন করেও অনুমোদন না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ‘আমরা জুলাই যোদ্ধা’ নামে সংগঠনের মহানগর শাখার আহ্বায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ। তার অভিযোগ, স্থানীয় দুই বিএনপি নেতার দাবি করা ৫ লাখ টাকা চাঁদা না দেওয়ায় তাদের এ হাটের অনুমোদন দেওয়া হয়নি।

শনিবার (২৩ মে) বিকেলে নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাবে ‘আমরা জুলাই যোদ্ধা, নারায়ণগঞ্জ’-এর ব্যানারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে মেহেদী হাসান মিরাজ লিখিত বক্তব্যে বলেন, “আমি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের একজন আহত যোদ্ধা এবং দেশের একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে সকল আইন, নিয়মকানুন ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া মেনেই কুরবানীর পশুর হাটের ইজারার আবেদন ও কার্যক্রমে অংশ নিয়েছিলাম। একজন আহত যোদ্ধা হিসেবে অন্যায্যভাবে আমাকে হাট দিতে হবে- এমন কোনো দাবি আমার ছিল না। প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শেষে যখন আমাকে বলা হয়- হাটের সময় অল্প, আপনি কাজ ধরতে পারেন; সেই আশ্বাসের ভিত্তিতেই আমি হাটের কাজ ধরি।”

মিরাজ অভিযোগ করে বলেন, “হাটের কাজ ধরার পর একটি কুচক্রী মহল আমার কাছে ৫ লাখ টাকা অবৈধ চাঁদা দাবি করে। আমি সেই চাঁদা দিতে রাজি হইনি। মূলত অবৈধ চাঁদার টাকা না দেওয়া এবং অন্যায়ের সাথে আপোস না করায় পরিকল্পিতভাবে আমার হাটে হামলা চালানো হয় এবং আমাকে ইজারা থেকে বঞ্চিত করা হয়।”

তিনি আরও বলেন, এই অন্যায়, বৈষম্য ও চাঁদাবাজির প্রতিবাদে যখন তিনি ও তাঁর কয়েকজন আহত সহযোদ্ধা ভাই পাশে দাঁড়িয়েছেন, তখন একদল কুচক্রী মহল রাজনৈতিক ফায়দা লোটার চেষ্টা করছে। তারা জুলাই যোদ্ধাদের নাম ব্যবহার করে আহতদের অপমান করার চেষ্টা চালাচ্ছে এবং এই উদ্যোগকে ভিন্নভাবে প্রচার করছে, যার তীব্র নিন্দা জানান তিনি। একই সাথে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে জড়িত চাঁদাবাজ ও ষড়যন্ত্রকারীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার আহ্বান জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সদস্য মোহাম্মদ হিরা, মোহাম্মদ আল-আমিন, কাওসার আহমেদ সুমন, সিরাজুল ইসলাম সিরাজ।

এর আগে, ১৯ মে বিকেলে আরেক সংবাদ সম্মেলনে মেহেদী হাসান মিরাজ অভিযোগ করেন, জেলা বিএনপির সদস্য আনোয়ার সাদাত সায়েম ও আশরাফুল হক রিপন তাদের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা না দেওয়ায় প্রশাসনকে প্রভাবিত করে হামলা চালিয়ে হাটের জন্য স্থাপিত বাঁশ ও স্টেজ ভেঙে ফেলা হয়।

যদিও এ অভিযোগ অস্বীকার করেছিলেন ওই দুই বিএনপি নেতা। অন্যদিকে, উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছিল, জুলাই যোদ্ধাদের ব্যানারে স্থাপিত হাটটি তাদের দরপত্রের তালিকায় ছিল না। মহাসড়কের পাশে হাটের আয়োজন করায় তারা তা অনুমোদন দেননি।