

দর্পন কবির : নারায়ণগঞ্জ শহরের কমিশনার (মাসদাইর-গলাচিপা এলাকা) খোরশেদ আলম খন্দকার করোনাকালে যা করছেন-তা অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। খোরশেদ আলম খন্দকারের পরিবারকে আমি ছেলেবেলা থেকে চিনি। তাকেও চিনি কিশোর বয়স থেকে। তিনি জাতীয়তাবাদী রাজনীতির আদর্শের সৈনিক। রাজনৈতিক পরিচয় যা হোক-একজন মানুষ হিসাবে, জনপ্রতিনিধি হিসাবে তিনি যা করছেন, তা অনুসরণীয়। তারে কর্মকাণ্ডে নারায়ণগঞ্জের সন্তান হিসাবে অহংকার অনুভব করছি। করোনায় মৃতদের ‘শবদেহ’ উদ্ধার ও দাফন কাজে তার সাহসী ভূমিকায় পুরো শহরবাসী আপ্লূত হয়েছে। আবেগতাড়িত হয়েছেন অনেকে। এমনকি-আওয়ামী লীগের অনেক নেতা খোরশেদের কর্মকাণ্ডকে ‘অতুলনীয়’ বলে আখ্যা দিচ্ছেন। খোরশেদ জনপ্রতিনিধি হিসাবে যেভাবে মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছেন-মানবিক কর্মকাণ্ডে নিজেকে যেভাবে উজার করে দিয়েছেন, এর জন্য শুধু প্রশংসা নয়। অন্তরের অন্তস্থল থেকে আশীর্বাদ-দোয়া-প্রার্থনা-শুভ কামনা। আমার কাছে খোরশেদ যেন দেবদূত!
তবে অনুরোধ-তিনি যেন সতর্ক ও সাবধানে কাজ করেন। করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত বা মৃতদেহ স্পর্শের ক্ষেত্রে নিজেকে রক্ষা করার পোষাক-পরিচ্ছদের ব্যাপারে সতর্ক থাকেন। লাশ দাফনের ক্ষেত্রেও সর্তক থাকা জরুরি। তার উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করি। অপরাপর জনপ্রতিনিধিরাও ‘খোরশেদ’ এর মত মানুষের পাশে এসে দাঁড়াবেন এবং আমাদের মুখ উজ্জ্বল করবেন-এমন প্রত্যাশা করি। নারায়ণগঞ্জ নিয়ে সবসময় নেগেটিভ কথা হয়। আমরা চাই-জনপ্রনিধিরা মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে জানিয়ে দিক-মানুষের পাশে থাকাটাই-সবচেয়ে বড় ধর্ম।
লেখক : প্রবাসী সাংবাদিক
(ঢাকারনিউজ২৪.কম/এসডিপি/১১:০২এএম/৯.৪.২০২০ইং)
আপনার মতামত লিখুন :