• ঢাকা
  • সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ০২:০৯ পূর্বাহ্ন

ইন্টারনেট বন্ধের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার


প্রকাশের সময় : ফেব্রুয়ারী ১২, ২০১৮, ১১:৩০ AM / ৪৮৭
ইন্টারনেট বন্ধের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার

ঢাকারনিউজ২৪.কম, ঢাকা : এসএসসি পরীক্ষা চলাকালে ইন্টারনেট আড়াই ঘণ্টা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করা হয়েছে। আজ সোমবার সকালে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) থেকে ইন্টারনেট সেবা স্বাভাবিক রাখতে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

বিটিআরসি’র সচিব সারোয়ার আলম এ সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন।

চলমান এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার প্রথম দিন থেকে পরপর ছয়টি বিষয়েরই প্রশ্ন ফাঁস হচ্ছে। সরকারের নানা পদক্ষেপের পরও প্রশ্ন ফাঁস ঠেকানো যায়নি।

সর্বশেষ গতকাল রোববার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিষয়ের পরীক্ষার আগে ইন্টারনেটের গতি কমানো হয়। কিন্তু, যথারীতি আগাম ঘোষণা দিয়ে আইসিটির প্রশ্নপত্রও ফাঁস হয়।

এই পরিস্থিতিতে প্রশ্ন ফাঁস ঠেকাতে সোমবার থেকে ২৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত পরীক্ষার দিন আড়াই ঘণ্টা করে ইন্টারনেট সাময়িকভাবে বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল সরকার।

কিন্তু, রোববার রাতেই এ প্রক্রিয়ার পরীক্ষামূলক ব্যবহার চালানো হয়। পূর্ব ঘোষণা ছাড়া এমন সিদ্ধান্তে ইন্টারনেট নির্ভর প্রতিষ্ঠান, সেবা সার্ভিস, অনলাইন গণমাধ্যম ও ব্যবহারকারীরা চরম দুর্ভোগে পড়েন। বিমান চলাচল বিঘ্নিত হয়। অনেকেই এটিএম মেশিন থেকে টাকা পর্যন্ত উঠাতে পারেননি। বলা চলে, আকস্মিকভাবে ইন্টারনেট বিপর্যয়ে পড়ে গোটা দেশ।

বিটিআরসি’র সচিব সারোয়ার আলম বলেন, ‘যা হয়েছে, তাতে লাভের চেয়ে ক্ষতিই বেশি হয়েছে। বিটিআরসিকে একটি অংশ চাপ দিয়েছে দ্রুত ইন্টারনেট বন্ধ করতে। কেন দেরি হচ্ছিল, তা নিয়েও জবাবদিহিতা করতে হচ্ছিল। তাই বন্ধ রাখা হয়েছিল।’

তিনি আরও বলেন, ‘সরকারের উচ্চমহল দুর্ভোগ টের পাওয়ার পরপরই এসএসসি পরীক্ষার দিনগুলোতে ইন্টারনেট বন্ধের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে করেছে।’

বিটিআরসির সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বাংলাদেশে বর্তমানে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী ৮ কোটির বেশি। এর মধ্যে সাড়ে ৭ কোটি মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহারকারী, বাকি ৫০ লাখ ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট ব্যবহার করেন।

এরআগে দেশে ধারাবাহিক জঙ্গি হামলা ও হত্যাকাণ্ডের প্রেক্ষাপটে জঙ্গিদের যোগাযোগের পথ বন্ধ করার কারণ দেখিয়ে ২০১৫ সালের ১৮ নভেম্বর দেড় ঘণ্টা ইন্টারনেট বন্ধ রাখা হয় বাংলাদেশে।

পরে ইন্টারনেট চালু হলেও ২২ দিন বাংলাদেশে ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগের বেশ কয়েকটি অ্যাপ ব্যবহারের সুযোগ বন্ধ রাখে সরকার।

(ঢাকারনিউজ২৪.কম/আরএম/১১:২০এএম/১২/২/২০১৮ইং)