• ঢাকা
  • সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১১:১১ অপরাহ্ন

আবেগাপ্লূত হয়ে যা বললেন লিপি ওসমান…


প্রকাশের সময় : ডিসেম্বর ৩০, ২০২১, ১০:২১ AM / ১৭৬
আবেগাপ্লূত হয়ে যা বললেন লিপি ওসমান…

নিজস্ব প্রতিনিধি, নারায়ণগঞ্জ : নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের এমপি শামীম ওসমানের সহ-ধমির্ণী ও জাতীয় মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান সালমা ওসমান লিপি বলেছেন, আজ আমরা যে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মাননা প্রদান করছি, আমার কাছে মনে হয় আমি বিনয়ে মাথানত হয়ে তাদের স্যালুট করছি। কারণ, যতবার ভাবি বাংলাদেশ, ততবার ভাবি মুক্তিযুদ্ধ এবং তাদের বিরত্নগাথা আত্নত্যাগ।

তিনি বলেন, আমাদের সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ এ সন্তানরা এখনো পর্যন্ত যে সম্মান তারা পায় তা পূর্বে কখনো পায়নি। সেদিন নিরস্ত্র সেই মানুষরা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে নিজেদের জীবন বিপন্ন করে ঝাপিয়ে পড়েছিলো এ দেশকে রক্ষায়। তাদের প্রতি আমাদের চির কৃতজ্ঞ থাকতে হবে আমলিন।

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তি ও মহান বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে জাতীয় সাংবাদিক সংগঠন ও জেলা মুক্তিযুদ্ধ প্রজন্মলীগের পক্ষ থেকে ১২ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও অন্যান্য বিশেষ অবদানের জন্য মোট ২৪ জনকে সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাংসদ পত্নী লিপি ওসমান আবেগ আপ্লূত হয়ে এসব কথা বলেন।

মঙ্গলবার (২৮ ডিসেম্বর) বিকেলে নগরীর প্রান কেন্দ্র চাষাড়াস্থ রাইফেল ক্লাব অডিটরিয়াম হল রুমে সরকারী তোলারাম কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ, জেলা
জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সভাপতি প্রফেসর ড. শিরিন বেগমের সভাপতিত্বে এবং দৈনিক অপরাধ রিপোর্ট পত্রিকার সম্পাদক, দৈনিক দেশ পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি ও জেলা প্রজন্মলীগের সভাপতি খোঃ মাসুদর রহমান দিপুর পরিচালনায় এবং বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান সাংবাদিক দৈনিক মানবকন্ঠ ও দি বাংলাদেশ টুডের জেলা প্রতিনিধি ও মুক্তিযুদ্ধ প্রজন্ম লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি মোহাম্মদ সাইমুন ইসলাম এর সঞ্চালনায় এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আয়োজন করা হয়।

সাংসদ পত্নী সালমা ওসমান লিপি আরো বলেন, এ স্বাধীনতা যুদ্ধে যে মা তার সন্তানকে মুক্তিযুদ্ধে যাওয়ার জন্য বের করে দিয়েছিলো। আমার চোখে সেও মুক্তিযোদ্ধা। যারা নৃসংশভাবে নির্যাতিত হয়ে তখন শহীদ হয়েছিলো তারাও আমার চোখে মুক্তিযোদ্ধা। সেদিন তারা নির্ভিকভাবে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন বলে আজ আমরা স্বাধীন বাঙ্গালী হিসেবে এখানে বসে কথা বলতে পারছি।

এই যোগ্যতা আমাদেরকে যারা দিয়ে গেছেন। তাদেরকে কিভাবে আমরা অপমান করি? অসম্মান করি? তাহলে তো নিজের অস্তিত্ব হারিয়ে ফেলতে হবে। যেটা আমাদের ধর্ম বলে, যেটা আমাদের সমাজ বলে।

অনুষ্ঠানে উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ প্রজন্মলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি শামীম খান এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপিস্থিত ছিলেন, মহানগর আওয়ামলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আলহাজ জাকিরুল আলম হেলাল, জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার চেয়ারম্যান লায়ন নুর ইসলাম, ফেডারেশন অব বাংলাদেশ জার্নালিস্ট অর্গানাইজেশন এর আহবায়ক এস এম মোর্শেদ, নারায়ণগঞ্জ মহানগর যুব মহিলালীগের এর সাধারণ সম্পাদক মনিরা সুলতানা মনি। এছাড়া মহান মুক্তিযুদ্ধে আবদান রাখায় ১২ জন মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে সম্মানা গ্রহন করেন এডভোকেট নুরুল হুদা (জেলা কমান্ডার-নারায়নগঞ্জ), মোঃ শাহজাহান ভুইয়া(জুলহাস) উপজেলা কমান্ডার, নুুর হোসেন মোল্লা (জেলা ডেপুটি কমান্ডার), বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ নূর উদ্দিন আহমেদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা আফজাল হোসেন (সহকারী কমান্ডার) বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ মুরাদ হোসেন বাদল, বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী মোঃ ইকবাল হোসেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা আজহারুল ইসলাম আজহার, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ রমিজ উদ্দিন, বীর মুক্তিযোদ্ধা আঃ সালাম (জেলা সহাকারী কমান্ডার)।এছাড়াও বীর মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সাংবাদিক মোহাম্মদ সাইমুন ইসলাম এবং পিন্টু প্রমূখ।

 

(ঢাকারনিউজ২৪.কম/এসডিপি/১:১৭পিএম/৩০.১২.২০২১ইং)