• ঢাকা
  • শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:৪৪ পূর্বাহ্ন

​সদরঘাটে লঞ্চ দুর্ঘটনায় হতাহতদের ক্ষতিপূরণ ও নৌ-খাতের আমূল সংস্কারের দাবি সেলিম আহমেদের


প্রকাশের সময় : মার্চ ২০, ২০২৬, ১১:২৬ AM / ৪৭৬
​সদরঘাটে লঞ্চ দুর্ঘটনায় হতাহতদের ক্ষতিপূরণ ও নৌ-খাতের আমূল সংস্কারের দাবি সেলিম আহমেদের

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : ​২০/০৩/২০২৬ সদরঘাট লঞ্চ দুর্ঘটনায় হতাহতদের প্রতি গভীর শোক প্রকাশ করে নৌ-নিরাপত্তা ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন বিশিষ্ট সাংবাদিক- রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠক সেলিম আহমেদ।

আজ এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, একটি দুর্ঘটনা সারা জীবনের কান্না—এই প্রবাদটি আমরা আর কতকাল বয়ে বেড়াব? আমরা আর কোনো লাশের মিছিল দেখতে চাই না। ​বিবৃতিতে সেলিম আহমেদ দেশের নৌ-পথ নিরাপদ করতে এবং অব্যবস্থাপনা দূর করতে সরকারের কাছে ৪ দফা দাবি পেশ করেন:
​১. অবহেলার সুষ্ঠু বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি: কেবল তদন্ত কমিটি গঠনই যথেষ্ট নয়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জনসম্মুখে প্রকাশ করতে হবে। লঞ্চের মালিক, চালক (মাস্টার) এবং বিআইডব্লিউটিএ (BIWTA)-এর অবহেলাকারী কর্মকর্তাদের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের আওতায় আনতে হবে।
​২. সম্মানজনক ও পর্যাপ্ত ক্ষতিপূরণ:
নিহতদের পরিবারকে নামমাত্র সহায়তা না দিয়ে তাদের ভবিষ্যতের কথা বিবেচনা করে কমপক্ষে ২০-৩০ লক্ষ টাকা স্থায়ী ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। এছাড়া আহতদের রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনায় উন্নত চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের দায়িত্ব নিতে হবে।
​৩. নৌ-নিরাপত্তা ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন: লক্কড়-ঝক্কড় ও অবৈধ নকশার লঞ্চ চলাচল স্থায়ীভাবে বন্ধ করতে হবে। সদরঘাটে লঞ্চ ভেড়ানো ও ছাড়ার সময় যাত্রীদের নিরাপত্তায় আধুনিক টার্মিনাল ব্যবস্থা এবং বেরিকেড নিশ্চিত করতে হবে।

​৪. বিআইডব্লিউটিএ-এর সংস্কার ও জবাবদিহিতা: নৌ-দুর্ঘটনার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করতে হবে। দুর্নীতির মাধ্যমে ফিটনেস সার্টিফিকেট দেওয়ার সংস্কৃতি বন্ধ করে প্রতিষ্ঠানে শুদ্ধি অভিযান চালাতে হবে।

​সেলিম আহমেদ আরও বলেন, নিরাপদ নৌ-পথ নাগরিকের অধিকার। আর কোনো মায়ের বুক যেন খালি না হয়, সেজন্য এখনই কঠোর পদক্ষেপ এবং সিস্টেমের পরিবর্তন প্রয়োজন। তিনি এই দাবিতে সমাজের সকল স্তরের মানুষকে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান।