• ঢাকা
  • শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:০৮ অপরাহ্ন

ভুয়া ছাত্র সমন্বয়ককারীর জবানবন্দিতে শীর্ষ সন্ত্রাসী খালেক ও তার ৩ ভাইয়ের মুখোশ উন্মোচিত


প্রকাশের সময় : অগাস্ট ২০, ২০২৪, ৯:০০ PM / ২৫৮
ভুয়া ছাত্র সমন্বয়ককারীর জবানবন্দিতে শীর্ষ সন্ত্রাসী খালেক ও তার ৩ ভাইয়ের মুখোশ উন্মোচিত

বিশেষ প্রতিনিধি : মিজান মোল্ল্যাকে ফাঁসাতে গিয়ে এবার ফেঁসে গেল কুতুবপুরের শীর্ষ সন্ত্রাসী আব্দুল খালেক মুন্সি ও তার তিন ভাই সহ পরিবারের সদস্যরা

৫ আগষ্ট ছাত্র জনতার আন্দোলনে শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার পর আত্মগোপন করে কুতুবপুরের শীর্ষ সন্ত্রাসী খালেক, মালেক, আনোয়ার ও দেলোয়ার। আর আত্মগোপনে থেকেই খালেক ও মালেক এই দুই ভাই মিলে নতুন ফাঁদ ফেলে মিজান মোল্লার বিরুদ্ধে। ৫ লাখ টাকার বিনিময়ে ভুয়া এক ছাত্র সমন্বয়কের মাধ্যমে সেনাবাহিনীর নিকট অভিযোগ করে।অভিযোগে উল্লেখ করা হয় মিজান মোল্লা এক ছাত্রের বাড়িঘরে হামলা চালিয়েছে এবং এক ছাত্রকে মেরে আহত করেছে। এমন অভিযোগের ভিত্তিতে ৯ আগষ্ট সেনাবাহিনী মুন্সিবাগ এলাকা থেকে সমাজ উন্নয়ন পরিচালনা কমিটির সভাপতি আব্দুস সাত্তার বিডিয়ার ও সাধারণ সম্পাদক মিজান মোল্লাকে আটক করে এবং সভাপতি আব্দুস সাত্তার বিডিয়ারকে ছেড়ে দিলেও মিজান মোল্লাকে নিয়ে যায় এবং ওইদিন রাত ১টার দিকে মিজান মোল্লাকে ছেড়ে দেন সেনাবাহিনী।তবে মিথ্যে এই ঘটনার নেপথ্য নায়ক শীর্ষ সন্ত্রাসী খালেক, মালেক,আনোয়ার ও দেলোয়ার এর মুখোশ উন্মোচিত হয় ১৭ আগষ্ট ভুয়া ছাত্র সমন্বয়ক রাজ এর জবানবন্দিতে।

এদিকে, ষড়যন্ত্র করে সমন্বয়কের নাম বিক্রি করে মুন্সিবাগ সমাজ উন্নয়ন পরিচালনা কমিটির সভাপতি আব্দুস সাত্তার বিডিয়ার ও সাধারণ সম্পাদক মো: মিজান মোল্লাকে হেনস্থাকারী সন্ত্রাসী খালেক,মালেক, আনোয়ার ও দেলোয়ার এর বিরুদ্ধে অতিসত্বর ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলে জানিয়েছেন ডেমড়া, যাত্রাবাড়ী ও কদম তলী থানার ছাত্র সমন্বয়ক আশিকুজ্জামান।

 

উল্লেখ্য, ইতিপূর্বে এই চৌরত্নের এক রত্ন ভূমিদস্যু, সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজ আনোয়ার হোসেন রনি একটি সাজানো নাটক মঞ্চস্থ করেছিল মো: মিজান মোল্লাকে নিয়ে। ২০২৪ সালের ১৪ মার্চ বাদাম তলা এলাকায় একটি অফিস ভাংচুর এর নামে উত্তর পূর্ব মুন্সিবাগ সমাজ উন্নয়ন পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো: মিজান মোল্লার বিরুদ্ধে ২১ মা্র্চ একটি সাজানো মামলা করেছিল ভূমিদস্যু খালেক ও মালেকের ছোট ভাই আনোয়ার হোসেন রনি। ওই মার্কেটের মালিক জায়েদ আলী মোল্লা এবং পঞ্চায়েত কমিটির সভাপতি ও সম্পাদকরাও জানিয়েছিলেন,ওইদিন এমন কোন ঘটনা ঘটেনি এটা ওদের সাজানো নাটক।

জানা গেছে ঘটনার দিন মো: মিজান মোল্লা রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ে ছিলেন। এলাকায় এই চৌরত্ন তাদের আধিপত্য বজায় রাখতে এবং মো: মিজান মোল্লাকে ঘায়েল করার জন্যই এই মিথ্যে মামলায় তাকে জড়ানো হয়।মোদ্দা কথা, এই চৌরত্নের বিপক্ষে কেউ মুখ খুলতে গেলেই তার টুটি চেপেধ রা হয় আর জড়িয়ে দেয়া হয় মিথ্যে মামলা মোকদ্দমায়। মুন্সিবাগ সমাজ উন্নয়ন পরিচালনা কমিটির সভাপতি আব্দুস সাত্তার বিডিয়ার ও সাধারণ সম্পাদক মিজান মোল্লাকে জড়িয়ে চৌরত্ন যে একের পর এক নাটক মঞ্চস্থ ও ফাঁদে ফেলার চেষ্টা করে যাচ্ছে উল্টো সেই ফাঁদে তারাই নিমজ্জিত হচ্ছে।এমন ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকাবাসীর মাঝে শীর্ষ সন্ত্রাসী খালেক ও মালেক সহ তার পরিবারের প্রতি তীব্র নিন্দার ঝড় বইছে।