• ঢাকা
  • বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ০২:১৯ অপরাহ্ন

বাগেরহাটে বন বিভাগের কর্তনকৃত গাছের লগ জব্দ


প্রকাশের সময় : নভেম্বর ২৪, ২০২২, ৭:৫৫ PM / ২৫৪
বাগেরহাটে বন বিভাগের কর্তনকৃত গাছের লগ জব্দ

স্টাফ রিপোর্টার, বাগেরহাট : বাগেরহাট সদর উপজেলার খানপুর ইউনিয়নের হাকিমপুর ঢালচাকা ব্রীজ হতে চুলকাটি মরা ভোলা নদীর দু’পাড়ে রোপনকৃত বন বিভাগের লক্ষ লক্ষ টাকা মূল্যের বিপুল পরিমানে গাছ কর্তন করে বিক্রয় করা কালে স্থানীয় জনতা মহব্বত আলী চাকলাদার নামের একজনকে চিহিৃত করতে সক্ষম হয়েছেন। এঘটনায় চুলকাটি তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ কর্তৃনকৃত ১১পিচ গাছের লগ জব্দ ও চিহিৃত গাছ খেকো মহব্বত আলী চাকলাদার এর নাম উল্লেখ করে মডেল থানায় একটি অভিযোগ দায়ের হয়েছে।

জানা গেছে, বাগেরহাট বন বিভাগ ২০০১-২০০২অর্থ বছরে হাকিমপুর ঢালচাকা ব্রীজ হতে চুলকাটি মরা ভোলা নদীর দু’পাড়ে সামাজিক বনায়ন করার জন্য একটি কমিটি গঠন করে সেখানে বিভিন্ন প্রজাতির বিপুল পরিমানে বৃক্ষ রোপন করে তা পরিচর্যা করে আসছেন। সেই গাছগুলি তিল-তিল করে বড় হয়ে যা এখন সমাজিক বনায়নে পরিনত হয়।

স্থানীয়রা জানান, হাকিমপুর বনায়ন সমবায় সমিতি নামের একটি সংগঠন করে তারা এটির তদারকির দায়িত্ব গ্রহন করেন। কিন্তু সমিতির কথিত নেতা মহব্বত আলী চাকলাদার বাগেরহাট বন বিভাগের কোন অনুমতি না নিয়ে উক্ত বন বিভাগের রোপনকৃত গাছ একেরপর এক কেটে সাবাড় করতে থাকে। সর্বশেষ সোমবার দুপুরে ২/৩টি গাছ কেটে তা লগ বানিয়ে গোপনে রেখে দেয়। পরে বুধবার ২৩শে নভেম্বর সকালে মহব্বত চাকলাদার সেই গাছ বিক্রয় করতে গেলে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা তা জব্দ করে বাগেরহাট সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে অবহিত করেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিষয়টি বন বিভাগকে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য নির্দ্দেশ প্রদান করলে পুলিশের উপস্থিতিতে তা জব্দ করা হয়।

এ ব্যাপারে খানপুর ইউনিয়ন পরিষদের ২নং ওর্য়াড সদস্য প্রদীপ কুমার (বাপ্পি সাহা) ও ৩নং ওর্য়াড সদস্য জিয়াউল হাসান বাদল বলেন, মহব্বত আলী চাকলাদার ইতিমধ্যে বনায়নের বিপুল পরিমানে গাছ কর্তন করে বিক্রয় করে আসছেন। সবশেষ চুলকাটি বাজারের জনৈক লেকদারের স-মিলে চেরাইকালে তা জব্দ করা হয়।

বন বিভাগ বাগেরহাট এর ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা চিন্ময় মধু জানান, আমরা উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তার নির্দেশে ঘটনা স্থলে গিয়ে কর্তনকৃত গাছগুলি জব্দ করেছি। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বাগেরহাট মডেল থানায় বন আইনে একটি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছিল।

এবিষয়ে অভিযুক্ত মহব্বত আলী চাকলাদার এর সাথে দফায় দফায় যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি।

জেলার খবর বিভাগের আরো খবর

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে জেলা পূজা উদযাপন কমিটি ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের সাথে  পুলিশ সুপারের  মতবিনিময়     এস এম জহিরুল ইসলাম বিদ্যুৎ:  আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপনের লক্ষ্যে নারায়ণগঞ্জ জেলার বিভিন্ন পূজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময় সভা করেছে জেলা পুলিশ।  মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের কনফারেন্স রুমে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমান, পিপিএম-সেবা।  সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান, নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ, নারায়ণগঞ্জ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মাশুকুল ইসলাম রাজীব সহ  বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ,সুশীল সমাজ, সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধি এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ সহ জেলা পুলিশের উদ্বোধন কর্মকর্তাবৃন্দ ।  সভায় জেলার বিভিন্ন পূজা মণ্ডপের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকগণ মণ্ডপের নিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, যানবাহন নিয়ন্ত্রণ, অগ্নিনিরাপত্তা ও স্বেচ্ছাসেবকদের ভূমিকা নিয়ে তাদের বিভিন্ন সমস্যা, দাবি ও পরামর্শ তুলে ধরেন। পুলিশ সুপার অত্যন্ত মনোযোগ সহকারে তাদের বক্তব্য শোনেন এবং তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণের প্রতিশ্রুতি দেন।  মতবিনিময় সভায় পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমান বলেন, নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তায় নারায়ণগঞ্জের শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপনের লক্ষ্যে সকল প্রকার প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। জেলার প্রতিটি পূজা মণ্ডপে ইউনিফর্ম পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারি, সিসিটিভি মনিটরিং ও আনসার মোতায়েন থাকবে।  পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দের উদ্দেশ্যে তিনি আরও বলেন, আপনারা প্রতিটি মণ্ডপে নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবক টিম গঠন করুন, প্রবেশপথে তল্লাশির ব্যবস্থা রাখুন এবং সিসি ক্যামেরা স্থাপন করুন। কোনো সন্দেহভাজন ব্যক্তি বা বস্তু দেখলে সাথে সাথে ৯৯৯ বা নিকটস্থ থানায় জানাবেন। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করার চেষ্টা করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।  জেলাবাসীর উদ্দেশ্যে পুলিশ সুপার বলেন, নারায়ণগঞ্জ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির জেলা। এখানে হিন্দু-মুসলমান ভাই ভাই হিসেবে বসবাস করে। এই উৎসবকে নির্বিঘ্ন করতে জেলা পুলিশ সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালন করবে। এ ক্ষেত্রে পূজা উদযাপন পরিষদ, মণ্ডপ কমিটি ও স্থানীয় জনগণের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করছি।  তিনি আরও বলেন, ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য বজায় রেখে পূজা উদযাপনে গুজব ও বিভ্রান্তিকর তথ্য থেকে সতর্ক থাকুন এবং যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা সম্পর্কে দ্রুত পুলিশকে অবহিত করুন। পূজাকে কেন্দ্র করে কেউ যেন কোনো ধরনের নাশকতা বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে, সেজন্য আমাদের গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে।আমি আশা করছি অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপন হবে ইনশাল্লাহ।

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে জেলা পূজা উদযাপন কমিটি ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের সাথে পুলিশ সুপারের মতবিনিময় এস এম জহিরুল ইসলাম বিদ্যুৎ: আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপনের লক্ষ্যে নারায়ণগঞ্জ জেলার বিভিন্ন পূজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময় সভা করেছে জেলা পুলিশ। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের কনফারেন্স রুমে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমান, পিপিএম-সেবা। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান, নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ, নারায়ণগঞ্জ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মাশুকুল ইসলাম রাজীব সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ,সুশীল সমাজ, সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধি এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ সহ জেলা পুলিশের উদ্বোধন কর্মকর্তাবৃন্দ । সভায় জেলার বিভিন্ন পূজা মণ্ডপের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকগণ মণ্ডপের নিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, যানবাহন নিয়ন্ত্রণ, অগ্নিনিরাপত্তা ও স্বেচ্ছাসেবকদের ভূমিকা নিয়ে তাদের বিভিন্ন সমস্যা, দাবি ও পরামর্শ তুলে ধরেন। পুলিশ সুপার অত্যন্ত মনোযোগ সহকারে তাদের বক্তব্য শোনেন এবং তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণের প্রতিশ্রুতি দেন। মতবিনিময় সভায় পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমান বলেন, নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তায় নারায়ণগঞ্জের শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপনের লক্ষ্যে সকল প্রকার প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। জেলার প্রতিটি পূজা মণ্ডপে ইউনিফর্ম পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারি, সিসিটিভি মনিটরিং ও আনসার মোতায়েন থাকবে। পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দের উদ্দেশ্যে তিনি আরও বলেন, আপনারা প্রতিটি মণ্ডপে নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবক টিম গঠন করুন, প্রবেশপথে তল্লাশির ব্যবস্থা রাখুন এবং সিসি ক্যামেরা স্থাপন করুন। কোনো সন্দেহভাজন ব্যক্তি বা বস্তু দেখলে সাথে সাথে ৯৯৯ বা নিকটস্থ থানায় জানাবেন। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করার চেষ্টা করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। জেলাবাসীর উদ্দেশ্যে পুলিশ সুপার বলেন, নারায়ণগঞ্জ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির জেলা। এখানে হিন্দু-মুসলমান ভাই ভাই হিসেবে বসবাস করে। এই উৎসবকে নির্বিঘ্ন করতে জেলা পুলিশ সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালন করবে। এ ক্ষেত্রে পূজা উদযাপন পরিষদ, মণ্ডপ কমিটি ও স্থানীয় জনগণের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করছি। তিনি আরও বলেন, ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য বজায় রেখে পূজা উদযাপনে গুজব ও বিভ্রান্তিকর তথ্য থেকে সতর্ক থাকুন এবং যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা সম্পর্কে দ্রুত পুলিশকে অবহিত করুন। পূজাকে কেন্দ্র করে কেউ যেন কোনো ধরনের নাশকতা বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে, সেজন্য আমাদের গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে।আমি আশা করছি অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপন হবে ইনশাল্লাহ।

আরও খবর