• ঢাকা
  • রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ১০:৪০ অপরাহ্ন

পশ্চিম লামাপাড়ায় চাঁদার দাবীতে ব্যবসায়ী রবিউলকে মারধর, দোকান ও বসতবাড়িতে তালা


প্রকাশের সময় : ফেব্রুয়ারী ১২, ২০২৪, ১০:৩০ PM / ৩৫৩
পশ্চিম লামাপাড়ায় চাঁদার দাবীতে ব্যবসায়ী রবিউলকে মারধর, দোকান ও বসতবাড়িতে তালা

নিজস্ব প্রতিনিধি : নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার কুতুবপুর ইউনিয়ন পরিষদের ৯ নং ওয়ার্ডের পশ্চিম লামাপাড়ার বাসিন্দা মৃত. সামসু মিয়ার পুত্র রবিউল (৪৮) এর কাছে একই এলাকার আবু মিয়া’র পুত্র মুমিন(২৭), তারু মিয়া (৫১), আবু মিয়া(৪৯), এসেক মিয়া(৫৩),রাজ্জাক মিয়া(৫৫)।সর্ব পিতা:মৃত শামসুদ্দিন। জনি(৩০), তারু মিয়ার পুত্র তুহিন(২৬),মুসলিম মিয়ার পুত্র মুক্তার(৪০),আব্দুল সামাদ মিয়ার পুত্র কামালসহ অজ্ঞাতনামা আরো ৫/৬ জন জমির বিক্রির অর্ধেক টাকা চাঁদা দাবী করেন। টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় রবিউলকে মারধর করে বাসাবাড়ি ও দোকানে তালা ঝুলিয়ে দিয়ে প্রাণনাসের হুমকি দেয়- এমনটাই অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ব্যাপারে আইনী সহযোগিতা চেয়ে রবিউল ফতুল্লা মডেল থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। অসহায় রবিউল এ সকল চাঁদাবাজদের সন্ত্রাসী হামলায় প্রাণনাসের ভয়ে স্ত্রী ও ২ কন্যা সন্তানকে নিয়ে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।

ভুক্তভোগী রবিউল ঘটনার বিবরনে বলেন, আমার পিতা শামসুদ্দিন মৃত্যুকালে আমিসহ ৫ ভাই ১ বোন ও মাকে রেখে মৃত্যু রবণ করেন। আমর ভাইয়েরা হলেন, রাজ্জাক মিয়া(৫৫),এছেক মিয়া(৫৩),তারু মিয়া(৫১),আবু মিয়া(৪৯), রবিউল(৪৭), বোন মিনারা বেগম ও মা রাহেলা খাতুন।
পিতার মৃত্যুর পর পৈতৃক ওয়ারিশ সূত্রে আমি ১.২৭ শতাংশ এবং মা রাহেলা খাতুন থেকে সাফ কবলামূলে ১ শতাংশ সহ মোট ২.২৭ শতাংশের মালিক হই। মায়ের ক্রয়কৃত জমি নিয়ে কিছুদিন ভাইদের সাথে বিরোধ থাকলেও এলাকাবাসীর মাধ্যমে এক পর্যায়ে বিরোধের মীমাংসা হয়। কিছু জমি ভাইদের দখলে থাকায় ভাইদের সাথে কোন বিরোধ না করে ভোগদখল করি ২.২০ শতাংশ। উক্ত জমিতে আমি ৪টি দোকান ও দোকানের উপরে থাকার জন্য বসতবাড়ি নির্মাণ করে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করে আসছিলাম। আর্থিক সমস্যার কারনে গত ১৪ জানুয়ারীতে ১.৫৫ শতাংশ জমি আমি মানিক মিয়ার কাছে বিক্রি করে দেই । এ জমি বিক্রির পর থেকে ভাই আবু মিয়া, রাজ্জাক মিয়া, এছেক মিয়া, তারু মিয়া, এবং ভাইদের ছেলে অর্থাৎ ভাতিজা জনি(৩৫), তুহিন (২৮), মমিন(২৫) সহ আরও অজ্ঞাত নামা লোকদের নিয়ে এসে ১১ ফেব্রুয়াতে আমার নিকট জমি বিক্রির অর্ধেক টাকা চাঁদা দাবী করেন। আমি তাদের দাবীকৃত টাকা দিতে অস্বীকার করায় আমার ভাই, ভাতিজা ও অজ্ঞাতনামা সন্ত্রাসীরা অবৈধভাবে আমার বিক্রয়কৃত জমির দোকানে ও ভাড়াটিয়া রুমে তালা মেরে দেয়। আমি তালা লাগানোর কারণ জানতে চাইলে আমাকের মারধর করে রক্তাক্ত জখম করে ফেলে। কিছুদিন আগেও আমি তাদের হামলার শিকার হলে তখন আমার স্ত্রী মাকসুদা বাদী হয়ে ফতুল্লা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেন। এখনো সেই ঘটনার তদন্ত শেষ না হতেই পুনরায় তারা আমাকে মারধর করে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান হতে ৮০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়ে প্রতিষ্ঠানে তালা লাগিয়ে দেয়। আমি এ বিষয়ে ফতুল্লা মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করি।
অভিযোগের বিষয়টি থানার কর্তব্যরত পুলিশ অফিসার এস আই ইমরানের উপর দ্বায়িত্ব দিলে তিনি ১২ ফেব্রুয়ারী ঘটনাস্থল পরিদর্শক করে যান এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিবেন বলে রবিউলকে আস্বস্ত করেন।