• ঢাকা
  • সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:১৪ পূর্বাহ্ন

পলাশবাড়ীতে লক্ষমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে ধনিয়া চাষ


প্রকাশের সময় : ফেব্রুয়ারী ১, ২০১৭, ৫:৪৬ PM / ১৯৭
পলাশবাড়ীতে লক্ষমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে ধনিয়া চাষ

ছাদেকুল ইসলাম রুবেল, গাইবান্ধা : গাইবান্ধার পলাশবাড়ী চরাঞ্চলে চলতি রবি মৌসুমে ব্যাপক হারে ‘বারি-১ জাতের ধনিয়া চাষ করা হয়েছে। আবহাওয়া অনুকুল থাকায় ধনিয়ার ফলন দারুন ভাল হয়েছে। উপজেলা কৃষি বিভাগের কৃষিকর্মকর্তা জানান, চলতি রবি মৌসুমে ২৮০ হেক্টর জমিতে ধনিয়া চাষের লক্ষমাত্রা নির্ধারন করা হলেও পরিবেশ অনুকুল থাকায় তা ছাড়িয়ে গেছে।

সরেজমিন তথ্য অনুসারে ১৩-১৪ হেক্টর জমিতে বেশি চাষ করা হয়েছে। ধনিয়া একটি মসলা জাতীয় রবিশষ্য। ধনিয়ার কচি পাতা সালাদ ও তরকারীতে সুগন্ধি মসলা হিসাবে ব্যবহৃত হয়। এছাড়া ধনিয়ার বীজ বেটে বা গুড়া করে তরকারীতে মসলা হিসাবে এবং খিলি পানে খাওয়া যায়। ধনিয়া একটি অধিক পুষ্টিকর মসলা। ধনিয়া দো আশ ও বেলে মাটিতে ফলন ভাল হয়। এছাড়া এলবি-৬০ এবং এলবি-৬৫ জাতের লালতীরের ধনিয়া সাড়া বছর চাষ করা যায়।

ধনিয়া রবি মৌসুমের আশ্বিন-কাত্তিক মাসে বীজ বপন করতে হয় এবং ১৩-১৫ দিনের মধ্যে এর কচিপাতা খাওয়া যায়। ধনিয়া ক্ষেতে রোগবালাই খুবই কম আক্রমন করে এবং খরচও একেবারেই কম। সরেজমিন কেশরগাড়ী ইউনিয়নের খদ্দর ঠেংরা গ্রামে দেখা যায় বিঘার পর বিঘা জমিতে ধনিয়া চাষ করা হয়েছে।
ওই গ্রামের কৃষক বেনিজির আহম্মেদ ও লিটন জানান, তারা দুই জনেই একবিঘা করে জমিতে ধনিয়া চাষ করে লাভবান হয়েছেন। তারা বলেন, প্রতি কেজি ধনিয়া পাতা ৫০ টাকা করে বিক্রী করে প্রতি বিঘায় ১৪-১৫ হাজার টাকা পাতা বিক্রী করেছেন।

উপজেলার চরের কৃষক আবেদ আলী সময়ের বলেন,‘ আমি ৭ বিঘা জমিতে ধনিয়া চাষ করে এক লাখ টাকা উপরের শুধু কচি পতাই বিক্রী করেছি। অবশিষ্ট গাছের বীচি ৫০ হাজার টাকা বিক্রী করবো। কৃষকরা জানান, ধনিয়া চাষ করে তারা লাভবান হচ্ছেন

(ঢাকারনিউজ২৪.কম/আরএম/৫:৪৫পিএম/১/২/২০১৭ইং)