• ঢাকা
  • রবিবার, ২১ Jun ২০২৬, ০৪:২৩ পূর্বাহ্ন

নারায়ণগঞ্জের শহীদনগরে গৃহস্থের ১২ লাখ টাকা নিয়ে পালিয়েছে প্রতারক ফেরদৌস মিয়া


প্রকাশের সময় : মে ২৩, ২০২৬, ৭:৩৪ PM / ১৬৯
নারায়ণগঞ্জের শহীদনগরে গৃহস্থের ১২ লাখ টাকা নিয়ে পালিয়েছে প্রতারক ফেরদৌস মিয়া

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি : নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন এলাকার শহীদনগরে এক গৃহস্থের ১২ লাখ টাকা নিয়ে পালিয়ে গেছে প্রতারক ফেরদৌস মিয়া। মনির মিয়া নামের ওই গৃহস্থ জীবনের শেষ সম্বল হারিয়ে পাগল প্রায়। টাকা উদ্ধারের জন্য তিনি দ্বারে দ্বারে ঘুরে বেড়াচ্ছেন।

জানা গেছে, নারায়ণগঞ্জ শহরের শহীদ নগর এলাকার শহর আলী মিয়ার পুত্র গৃহস্থ মনির মিয়ার সঙ্গে প্রতারক ফেরদৌস মিয়ার পূর্বপরিচয় ছিল। এই সূত্র ধরে মনির ফেরদৌসকে ১২ লাখ টাকা নগদ ধার দেন। পরবর্তীতে সেই টাকা নিয়ে পালিয়ে যায় ফেরদৌস।

গৃহস্থ মনির মিয়া জানান, টাঙ্গাইল জেলার দেলদুয়ার থানার গোয়ারিয়া নাল্লাপাড়ার কুদ্দুস মিয়ার ছেলে ফেরদৌস মিয়া দীর্ঘদিন ধরে শহীদনগর এলাকায় বসবাস করে আসছে। সে এলাকায় মাজিদ ইলেকট্রনিক্স ও বন্ধু ইলেকট্রনিক্স নামে দুটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলে। এলাকায় কিছুদিন ব্যবসা-বাণিজ্য করে নানান জনের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলে। পরবর্তীতে ব্যবসা বড় করার নামে মনির মিয়ার কাছ থেকে সে ১২ লাখ টাকা ধার চায়। কয়েকজন সাক্ষীর উপস্থিতিতে এবং ৩০০ টাকার নন জুডিশিয়াল স্টাম্পের মাধ্যমে ওই টাকা ফেরদৌস মিয়াকে ছয় মাসের জন্য ধার দেয়। কিন্তু ওই টাকা পরিশোধ না করে অত্যন্ত গোপনে স্ত্রী-সন্তান রেখে পালিয়ে যায় ফেরদৌস মিয়া।

গৃহস্থ মনির মিয়া আরো জানান, পরবর্তীতে তিনি জানতে পেরেছেন তাকে ছাড়াও আরো কয়েকজনের কাছ থেকে টাকা ধার নিয়েছে প্রতারক ফেরদৌস। টাকা উদ্ধারের জন্য তিনি টাঙ্গাইলের গ্রামের বাড়িতে গিয়েও ফেরদৌসের সন্ধান পাননি।

মনির মিয়া জানান, গবাদিপশু পালন করে তিনি তিল তিল করে টাকা সঞ্চয় করেছিলেন। কিন্তু জীবনের শেষ সম্বল ওই টাকাগুলো নিয়ে পালিয়ে গেছে প্রতারক ফেরদৌস। প্রতারক ফেরদৌসের এমন কাণ্ডের পরে তিনি এখন দিশেহারা। শুধু নগদ টাকা ধার নিয়েই ক্ষান্ত হয়নি ফেরদৌস। ব্যাংক থেকে লোন নিয়ে সেখানেও জামানতদার হিসেবে মনিরের নাম দিয়ে পালিয়ে গেছে এই প্রতারক।

একদিকে জীবনের শেষ সম্বল হারিয়ে অন্যদিকে ব্যাংকের টাকার জন্য চাপে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন মনির। তবে তিনি প্রতারকের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিবেন বলেও জানান।

এ বিষয়ে কথা বলার জন্য ফেরদৌস নিয়ে আর ব্যবহৃত মোবাইল নাম্বারে (০১৭৯৯৩৪৮৫২.) বেশ কয়েকবার ফোন দিলেও তিনি রিসিভ করেননি।