

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : পরাজিত নবাব সিরাজকে বাঁচিয়ে রাখলে তিনি বিজয়ী হয়ে পুনরায় মসনদে বসবেন -এমন আশংকায় ইংরেজ ও বর্র্ণ সমাজের কতিপয় হিন্দু সমাজপতির পরিকল্পনায় ১৭৫৭ খৃষ্টাব্দের ৩ জুলাই বন্দি নবাব সিরাজকে হত্যা করার পর তাঁর প্রাণহীন দেহ থেকে শির কেটে ফেলে তাঁরা স্বস্তিবোধ করেন। পূর্বের নবাবগনের থেকে রাজা-মহারাজা খেতাবপ্রাপ্তরা ও জমিদারী লাভ করা হিন্দু সমাজপতিরা এবং কয়েকজন বিক্রি হওয়া মুসলিম আমর্ত্যরে ষড়যন্ত্র, বিশ্বাসঘাতকতা ও প্রতারণার সমুদ্রে ২৪ বছর বয়সী নবাব সিরাজ সপরিবারে নিমজ্জিত হন। স্বাধীনতার প্রতীক নবাব সিরাজউদ্দৌলাহকে হত্যা করে ‘বিধাতার আশীর্বাদ’ রূপী বিদেশী ইংরেজরা স্বাধীনতা ও ধন সম্পদ লুণ্ঠন করে ১৯৪৭ খৃষ্টাব্দ পর্যন্ত, ১৯০ বছর শাসনের নামে মুসলিম বাংলাকে শোষণ করেন।
বাংলা-বিহার-উড়িষ্যার শেষ স্বাধীন শাসক নবাব সিরাজ-উ-দ্দৌলাহর ২৬৫তম হত্যা দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ মুসলিম লীগ আয়োজিত আজ সকাল ১১ টায় বাংলাদেশ মুসলিম লীগের পল্টনস্থ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে পার্টির সভাপতি এডভোকেট বদরুদ্দোজা সুজার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে নেতৃবৃন্দ উপরোক্ত মন্তব্য করেন। দলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক এম মাহবুবুর রহমান ভূঁইয়া’র সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ মুসলিম লীগের মহাসচিব কাজী আবুল খায়ের, নির্বাহী সভাপতি আব্দুল আজিজ হাওলাদার, স্থায়ী কমিটির সদস্য আতিকুল ইসলাম ও আনোয়ার হোসেন আবুড়ী, সহ-সভাপতি নজরুল ইসলাম ও আব্দুল হান্নান নূর, অতিরিক্ত মহাসচিব আকবর হোসেন পাঠান, সাংগঠনিক সম্পাদক খাঁন আসাদ, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য এ্যাডভোকেট আফতাব হোসেন মোল্লা, এ্যাডভোকেট আবু সাঈদ মোল্লা, এ্যাডভোকেট জসিম উদ্দিন, দেশপ্রেমিক নাগরিক পার্টির চেয়ারম্যান মোঃ আহসান উল্ল্যাহ শামীম, বাংলাদেশ ইসলামী সমাজতান্ত্রিক দলের চেয়ারম্যান ইঞ্জি: হাফিজুর রহমান, বাংলাদেশ মুসলিম সমাজের চেয়ারম্যান মোঃ মাসুদ হোসেন, বাংলাদেশ জাস্টিস পার্টির চেয়ারম্যান আবুল কাশেম মজুমদার, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির সভাপতি মাওলানা ওবায়দুল হক, বাংলাদেশ লেবার পার্টির মহাসচিব আবদুল্লাহ আল মামুন প্রমুখ।
স্বাধীনতা রক্ষার লড়াইয়ে নবাব সিরাজউদ্দৌলাহকে বাংলার প্রথম শহীদ আখ্যায়িত করে নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, ইষ্ট ইন্ডিয়া কোম্পানী ও তাদের সহযোগীদের প্রেতাত্মারা স্বাধীন বাংলাদেশে আজো সক্রিয়। তাই বিদেশী অপশক্তি কর্তৃক স্বাধীনতা লুণ্ঠনের পলাশীর ঘটনাটি থেকে দেশবাসীকে ছবক নিতে হবে এবং জাতির প্রকৃত বন্ধু ও শত্রুর মধ্যে পার্থক্য নির্ণয় করতে জনগণ ব্যর্থ হলে বাংলাদেশের স্বাধীনতা পুনরায় লুণ্ঠিত হবে।
আপনার মতামত লিখুন :