• ঢাকা
  • শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:৩৯ পূর্বাহ্ন

দুই গ্রুপের সংঘর্ষে বক্তাবলী ইউনিয়ন আ.লীগের সম্মেলন স্থগিত


প্রকাশের সময় : নভেম্বর ২৭, ২০২২, ১:১১ AM / ২৬০
দুই গ্রুপের সংঘর্ষে বক্তাবলী ইউনিয়ন আ.লীগের সম্মেলন স্থগিত

নিজস্ব প্রতিবেদক : নারায়ণগঞ্জের বক্তাবলী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সম্মেলন চলাকালীন হঠাৎ সংঘর্ষে জড়িয়ে পরে সভাপতি পদ প্রত্যাশীদের অনুসারীদের দুই গ্রুপ। এসময় জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের কমিটিতে থাকা দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা শত চেষ্টা করেও তাদের থামাতে পারেননি। ফলে নিরাপত্তাহীনতার কারণে স্থগিত করা হয়েছে বক্তাবলী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সম্মেলন।

ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও বক্তাবলি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. শওকত হোসেন শনিবার (২৬ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় ঢাকারনিউজকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তবে স্থানীয় নেতাকর্মীদের একটি পক্ষের দাবি- মূলত শওকত চেয়ারম্যানের অনুসারীদের একটি পক্ষ সংঘর্ষের সূচনা করে। যা পরবর্তিতে পদ প্রত্যাশী নেতাকর্মীদের মধ্যে ছড়িয়ে পরে।

জানা গেছে, বক্তাবলি ইউনিয়নে সর্বশেষ ২০০৩ সালে আওয়ামী লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। দীর্ঘ ২০ বছরের মাথায় আবারও সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছিল। তাই সম্মেলনকে কেন্দ্র করে ওই ইউনিয়নের আওয়ামী লীগ নেতারা বেশ উৎসাহ আর উদ্দীপনার মধ্যে ছিলেন। বিকেল থেকে শুরু হওয়া সম্মেলনে নেতাকর্মীদের উপস্থিতিও ছিল চোখে পড়ার মতো। ফতুল্লা থানা ও জেলা থেকে বক্তাবলী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সম্মেলনে গিয়েছিলেন কাউন্সিলর ও তৃণমূলের দলীয় নেতাকর্মীরা।

জানা যায়, বক্তাবলী ইউনিয়নে সভাপতির দৌড়ে এগিয়ে ছিলেন সাবেক সভাপতি ইব্রাহীম প্রধানের ছেলে আবুল হোসেন প্রধান। সম্মেলনে কাউন্সিলররা ভোট দিচ্ছিলেন। এসময় আবুল হোসেন ভোটের দিক থেকে এগিয়ে থাকায় আরেক সভাপতি পদপ্রার্থী শফিক মাহমুদের লোকজন (নেতাকর্মীদের একাংশের দাবি- শওকত চেয়ারম্যানের অনুসারীদের একটি পক্ষ) তাদের উদ্দেশ্য করে উসকানিমূলক কথাবার্তা বলে সংঘর্ষে জড়ায়। এসময় জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু হাসনাত শহীদ মোহাম্মদ বাদল (ভিপি বাদল) ও ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং শওকত চেয়ারম্যান হোসেন দুই পক্ষকে নিবৃত করার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন। পরে পরিস্থিতি বিবেচনা করে সম্মেলন স্থগিতের নির্দেশ দেন তারা।

ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. শওকত হোসেন ঢাকারনিউজকে বলেন, সম্মেলন যথাসময়ে শুরু হয়ে ঠিকঠাকই চলছিল। কিন্তু একটি পক্ষের উচ্ছৃঙ্খলতার কারণে সম্মেলন স্থগিত করা হয়েছে। এখানে যেকোনো মুহূর্তে বড় ধরনের অঘটন ঘটতে পারত। তারা খুব বেশি বাড়াবাড়ি করে ফেলেছে।

তিনি বলেন, আমিসহ দলের সিনিয়র নেতারা তাদের নিবৃত করার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছি। তাই বাধ্য হয়ে সম্মেলন স্থগিতের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এখানে সভাপতি প্রার্থী শফিক মাহমুদ নিশ্চিত পরাজয় জেনে তার অনুসারীদের লেলিয়ে দিয়ে সম্মেলন পণ্ড করতে মুখ্য ভূমিকা পালন করেছেন। তার অনুসারীদের দিয়ে কাজগুলো করানো হয়েছে বলে এখানে উপস্থিত সব ডেলিগেট ও কাউন্সিলররা মনে করছেন।