• ঢাকা
  • রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ১০:২২ পূর্বাহ্ন

দাবী আদায়ে ইবি প্রশাসনকে আল্টিমেটাম


প্রকাশের সময় : সেপ্টেম্বর ৩, ২০১৯, ৮:১৩ PM / ১৯১
দাবী আদায়ে ইবি প্রশাসনকে আল্টিমেটাম

সাব্বির আহমেদ, ইবি প্রতিনিধি : ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়(ইবি) কর্মকর্তারা ৩ দফা দাবি আদায়ে প্রশাসনকে ২৪ ঘন্টার আল্টিমেটাম দিয়ে হুঁশিয়ারি প্রদান করেছে। মঙ্গলবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবনের সামনে কর্মকর্তাদের কর্মবিরতি ও প্রতিবাদ সভায় কর্মকর্তা সমিতির সাধারণ সম্পাদক মীর মোর্শেদুর রহমান বলেন, আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে যদি আমাদের দাবি বাস্তবায়ন না হয় তাহলে এই গাছের নিচে আমরা আর বসে থাকবো না, আমরা ওই প্রশাসন ভবনের নিচ তালায় বসে আন্দোলন কবরো, আপনাদের তিনজনকে অফিসে ঢুকতে দিবো না।
তিনি আরো বলেন, আমি আর আপনাদের সাথে কোনো সাক্ষাতে যাবো না। এসময় তার বিরুদ্ধে ভিসিকে প্রাণ নাশের যে অভিযোগ উঠছে তা তিনি নাকচ করে বলেন, আমি জনগনের জন্য রাজনীতি করি, তবে এ কাজ করতে গিয়ে যদি ভিসি কেন তার চেয়ে শক্তিধর কাওকে হুমকি প্রদর্শন দেয়া লাগলে দিবো।

তিনি হুঁশিয়ারি প্রদান করে বলেন, যারা এই প্রশাসনের দালালি করবেন, তারা কেউ এডিশনাল এবং কেউ ভারপ্রাপ্ত হতে পারবেন না। আপনাদেরকে আমরা প্রয়োজনে ক্যাম্পাসে ধুকতে দিবো না। তারপর যা হয় হবে। গত বছরের ডিসেম্বর থেকে তারা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ভাবে এসব দাবী করে আসতেছেন তাদের ৩ দফা দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত উপ-রেজিস্ট্রার বা সমমানদের বেতন স্কেল ৫০ হাজার টাকা (গ্রেড-৪), সহকারী রেজিস্ট্রার বা সমমানদের বেতন স্কেল ৩৫ হাজার ৫ শত টাকা (গ্রেড-৫), অফিস সময়সূচি পূর্বের ন্যায় সকাল ৮ টা হতে দুপুর ২ টা পর্যন্ত নির্ধারণ এবং চাকুরীর বয়সসীমা ৬০ বছরের পরিবর্তে ৬২ বছর বহাল রাখার দাবি করেছেন। একই সঙ্গে দুদিনের ছুটির পরবর্তীতে একদিন ছুটি চান তারা।

তবে কর্মঘন্টা কমানোর ব্যাপারে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মনে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। কর্মকর্তাদের দাবির প্রেক্ষিতে পূর্বের ন্যায় সপ্তাহে ৬ কার্যদিবস চালু এবং দুপুর ২ টা পর্যন্ত চলবে এমনটা শিক্ষার্থীরা মানতে চায় না সাধারণ শিক্ষার্থীরা৷ শিক্ষার্থীদের মতে এইরকম উগ্র দাবি বিশ্ববিদ্যালয়ের শান্ত পরিবেশকে বিশৃঙ্খল করে তুলছে৷

এ বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. রাশিদ আসকারী বলেন, সরকারি বিধিবিধানকে সমুন্নত রেখে কর্মকর্তাদের দাবির প্রতি আমি সম্পূর্ণ সহানুভূতিশীল। চাকরির বয়স ৬২ বছর দাবিটি সিন্ডিকেটে সুপারিশ করা হয়েছে এবং মহামান্য রাষ্ট্রপতির কাছে প্রেরিত হয়েছে। বেতন স্কেলের দাবিটি বাস্তবায়নের জন্য সিন্ডিকেট কর্তৃক গৃহীত হয়েছে এবং বাস্তবায়নের নীতিমালা প্রণয়নে কমিটি গঠন করা হয়েছে। কর্মঘন্টা বাড়ানো এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি বড় অর্জন। যার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপকার হচ্ছে। আমি প্রত্যাশা করি বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তাবৃন্দ আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকবে।
(ঢাকারনিউজ২৪.কম/আরএম/৮:১৪পিএম/৩/৯/২০১৯ইং)