• ঢাকা
  • রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:৫৩ অপরাহ্ন

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে পিঠা উৎসব


প্রকাশের সময় : ফেব্রুয়ারী ৬, ২০১৯, ১০:৫৬ AM / ১০৯
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে পিঠা উৎসব

মো.রমজান শেখ, খুবি প্রতিনিধি : ২৩ শে মাঘ,মঙ্গলবার,বাহারী আল্পনা আর আলোকসজ্জায় সেজেছে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়। দিনব্যাপী দর্শনার্থীদের ভিড়,সন্ধ্যায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সব মিলিয়ে এক অন্যরকম পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে।উপলক্ষ একটাই-বাঙ্গালীর ঐতিহ্য রক্ষার্থে খুবিতে আয়োজিত পিঠা উৎসব (পার্বনী) -১৪২৫।

‘পৌষ মাঘের হাত ধরে,পিঠা উৎসব এলো ফিরে’-এই স্লোগানকে সামনে রেখে প্রতিবারের ন্যায় এবারো আয়োজনে কমতি রাখেনি আয়োজক কমিটি।শহীদ মিনারের পাশেই ছন,বাঁশ,চাটাই দিয়ে তৈরি স্টলে শিক্ষার্থীদের ৮১ রকমের পিঠা ছিল সবার আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু। বাহারী রঙের পিঠার বাহারী নাম-বৌ সোহাগি, কুসুম সুন্দরী, ইইলশেগুঁড়ি, ফুলস্তরী, পার্বতীপুরী, রসভরি, সমুদ্র ফোয়ারা, মালপোয়া, শঙ্খপুলি, রামধনুরঝুড়ি, চন্দ্রমালতী, স্থাপত্যের অভিরুচি, তক্তি সহ ঐতিহ্যবাহী লোভনীয় নানান পিঠায় সাজানো হয়েছে স্টল।উৎসব একদিনর হলেও কয়েকদিন আগে থেকেই দিন গণনা শুরু হয়।বাহারি আল্পনা আর আলোকসজ্জা আগে থেকেই জানান দেয় কিছু একটা হতে চলেছে।

শিক্ষার্থী ছাড়াও শহরের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত দর্শনার্থীদের কোলাহলে মুখরিত ছিল ক্যাম্পাস।পিঠা খাওয়ার উৎসবে মেতে ছিল ছোট বড় সবাই।স্থাপত্য ডিসিপ্লিনের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী নুশরাত সৃষ্টি বলেন,“প্রতিবছর এই দিনটার অপেক্ষায় থাকি।ক্যাম্পাস ছেড়ে চলে গেলেও প্রতিটা পিঠা উৎসবের স্মৃতি রঙিন হয়ে থাকবে।”
খুলনার মিস্ত্রি পাড়া এলাকাস্থ রুপা সেন নামের এক গৃহিণী জানান, “পিঠা উৎসবে ছেলেমেয়েদের নিয়ে প্রতিবছর আসা হয়।নাম না জানা এতসব পিঠার সাথে ওরা পরিচিত হতে পারে।বাচ্চারা এখানে আসতে পেরে অনেক খুশি”।

সকাল নয়টায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর সাধন রঞ্জন ঘোষ,ছাত্র বিষয়ক পরিচালক প্রফেসর মো.শরীফ হাসান লিমন বেলুন উড়িয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা করেন।এসময় অনান্য শিক্ষক-শিক্ষিকাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।ট্রেজারার শিক্ষার্থীদের নিজেদের ঐতিহ্য ও শিকড়কে ধরে রাখার আহবান জানান এবং আয়োজকদের ধন্যবাদ দেন।সকাল সাড়ে নয়টায় পিঠা উৎসব উপলক্ষে এক শোভাযাত্রা বের করা হয়।বিকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত মনোজ্ঞ এক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে উৎসবের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।
(ঢাকারনিউজ২৪.কম/আরএম/১০:৫৬এএম/৬/২/২০১৯ইং)