

নাইম তালুকদার : যে কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সবার জন্য উন্মুক্ত। এটি একটি সর্বজনীন প্রতিষ্ঠান। এখানে সকল প্রকার মানুষের শিশুরা শিক্ষা গ্রহন করতে পাররে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যেহেতু এখানের সব কিছুর দেখভাল রাখার দায়িত্ব আমাদের সরকার প্রধান ও সচেতন সমাজের। কারণ এটি একটি পবিত্রময় স্থান। এ স্থানে শিক্ষিত ও নম্র ভদ্র লোক থাকা চাই। কারণ এখান থেকে আমাদের কোমলমতি শিশুরা প্রতিদিন শিক্ষা গ্রহন করে। তাদের জীবনের সব কিছু নির্ভর করে এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষা গ্রহন করা ক্ষেত্রে। এখান থেকেই শুরু হয় শিশুদের সমগ্র জীবন চলার হিসাব-নিকাশ। তা আবার অনেক সময় নির্ভর করে স্কুলের শিক্ষক /শিক্ষিকার উপর। যদি কোন শিক্ষা প্রতিষ্টানের শিক্ষকরা মূর্খ হন, তাদের ছাত্র/ছাত্রীরাও মুর্খের স্বাধগ্রহন করবে। কারণ স্যার যেহেতু মুর্খ তাই ছাত্ররা ও মুর্খ হয়েছে। যে স্যার জীবনেও বিজ্ঞান গনিত ইংরেজী, ইত্যাদি শিক্ষা দেননি, ছাত্র-ছাত্রীরা ও তা শিখেনি। আর যদি কোন শিক্ষা প্রতিষ্টানের শিক্ষকরা বেয়াদব মাদকাসক্ত ও কোয়ালিটি বিহীন ফাজিল লম্পট হয়। তাদের ছাত্র-ছাত্রীরা ও তাদের মতোই হবে । আপনাদের সবার জনা, আমাদের গ্রাম্য একটা প্রবাদ আছে, না,।….. যে, দেখ, দেখা ধর্ম, আর শিখ, শিখা কর্ম। কাজেই আমাদের দেশে যত রকমের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আছে,থাকুক সরকারি প্রতিষ্ঠান, ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান। সেখানে শিক্ষিত ও নম্র ভদ্র শিক্ষদের দ্বারা পরিচালনা করানো আমাদের সচেতন সমাজের একান্ত কতব্য। যাতে কোন বেয়াদব অশিক্ষিত,ধর্ষক মাদাকাসক্তদের চূয়া যেন আমাদের কোমলমতি শিশুদের গায়ে না পরে। এই সমস্ত শিক্ষিত নামধারীরা ও এখন শনির ন্যায় । ইইতিমধ্যে আমাদের অনেক শিক্ষা প্রতিষ্টানের ছাত্র-ছাত্রীদের উপরে পতিত হয়ছে শনির বাতাস । যা প্রতিনিয়ত ঘটে এই সমস্ত ঘটনা আমারা টিভি চ্যানেল ও প্রত্রিকার পাতা খুলে দেখতে পাই, কতবড় লোমহর্ষক ঘটনা প্রতিদিন শিক্ষকের হাতে ধর্ষিত হচ্ছে শত-শত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্রীরা। আপনাদের মনে আছে কি? সেই ফেনী সেনাগাজীর নুসরাত ধর্ষনের কথা। কত বড় ন্যাক্কারজনক ঘটনা। যা, বাংলার আকাশ বাতাস ভাড়ি হয়েগিয়েছিল। যাক,আমি সেদিকে যেতে চাচ্ছি না। এবার আসি মূল আলোচনায়। আজ কয়দিন যাবত আমার দায়িত্ব পালন পূর্বক গণমাধ্যমে কাজ করার সুবাদে সুনামগঞ্জের পল্লী অঞ্চল থেকে সব অঞ্চলে আমার যাওয়া আসাটা ছিল খুব বেশি । প্রায়ই রাস্তার মধ্যে দিয়ে হেটে আসার পথে অনেক প্রাইমারী স্কুল,ও উচ্চ বিদ্যালয় সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চোখে পরতো। এই ক,দিনে রাস্তার পাশে হেটে আসা যাওয়ার পথে স্মৃতির আল্যবামে বন্ধি হয়ে থাকার মতো দেখলাম, দেখে বুঝলাম শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবস্থা ভালো যাচ্ছে না। ছাত্র-ছাত্রীরা লেখা -পড়ার মধ্যে কোন মনোবিশেষ নেই। একদিকে কিছু ছাত্র-ছাত্রীরা হাউ মাও করছে। অন্যদিকে কেউ খেলা করছে। ক্লাসে নেই কেউ। অপর আরকদিকে আবার করুণ অবস্থা যা দেখে আচর্য হওয়ার মতো,অত্র স্কুলের শিক্ষক, /শিক্ষিকার প্রাণবন্ত আড্ডায় লিপ্ত রয়েছেন। কেউ প্রাণ খুলে কথা বলছেন,।কেউ গভীর মনোযোগ দিয়ে ফেইসবুক ? ইন্টারনেট টিপছেন। শিক্ষক, কেউ দেখা যাচ্ছে, ইটের বাটার নলের মতো ধূয়া ছাড়ছেন। এই হল বর্তমান শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কিছু বিবরণ । এই ভাবে যদি আমাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের করুণ অবস্থা হয়, তাহলে আমাদের কোমলমতি শিশুরা শিখবে কি?। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষদের সার্টিফিকেট অনুযায়ী শিক্ষা জ্ঞাণ যতেষ্ট থাকলে ও অনেক শিক্ষক,শিক্ষিকাদের নৈতিক চরিত্রে অভাব। অনেক প্রতিষ্টানে মনেহয় অনুসন্ধান করলে পাওয়া যাবে, অনেক শিক্ষক /শিক্ষিকারা নাম,কা-ওয়াস্তে স্কুল কলেজের ডেস্ক পাশ করলে ও বাস্তবে এদের মোটেই প্রতিষ্টানিক, সামাজিক মেধা জ্ঞান নেই। উনারা শিক্ষক নামধারী লম্পট, মাদাকাসক্ত, ধর্ষক, জানোয়ার। এদের ভয়াল কালো থাবায় পরে দিন দিন, প্রাণ দিচ্ছে এই সোনার বাংলার হাজার হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীরা।এদের কারণেই আজ ধংস হচ্ছে আমাদের শিশুরা। লোপ পেয়েছে জ্ঞান,। এই অন্ধকার সমাজের মতো যদি আমাদের শিক্ষা প্রতিষ্টানের অবস্থা হয়। তাহলে, এদেশে প্রকৃত মানুষ আসবে কোথা থেকে। আমাদের সমাজ ও সামাজিকতার অবস্থা হবে কি?। কোথায় থেকে আসবে পরিবর্তন। আর দিনের পর দিন যদি এভাবে আমাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এই নিয়মে চলে, আমার দেশের দিনের পর দিন তো অধ:পতন ছাড়া আর কিছু নয়। ইদানীং আবার একটা খুব সুন্দর জিনিস আপনাদের চোখে পরছে, যে আমাদের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, শিক্ষিকারা স্বপ্নের বই ফেইসবুকে বিষণ ব্যস্ত। আমার মনে হয় বাড়ীতে বিভিন্ন ব্যস্ততা থাকার কারণে স্কুলে এসে ফেইসবুকে খুব মনোযোগ দিয়ে দেখছেন,। ক্লাসের চেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়ে, ক্লাস পরিহার করে বিষণ ব্যস্তভাবে লাইক, শেয়ার, পোষ্ট, নিয়মিত দিচ্ছেন। নিজেকে একটু আপলোড করে, অন্যদেরকে বুঝিয়ে দিচ্ছেন, আমি অমুক, স্কুল-কলেজে টিচার, আমি অমুক কলেজের প্রভাষক ইত্যাদি। আজ ছাত্রদের লেখা পড়াকে পিছনে টেলে দিয়ে শিক্ষক, শিক্ষিকারা নিজেকে প্রচার করতে মরিয়া উঠেছেন। আর এদের পোস্টের কথা তো না বলে আজ পারলাম না। যে “” আমরা সবাই শিক্ষক, আমরা হেড স্যারের সাথে, আমরা দুই বন্ধু। আর আন্ডার মেট্রিক পাশ করা লোকদের ছেয়ে এদের বাংলা বানান জগন্য। আমার মনে হয় বাংলা ভূল উচ্চারণে সৃষ্টি হয় এদের থেকে। এইসব কর্ম কান্ড মধ্যে দিয়ে চলে সমস্ত দিন। দিন শেষ সবাই সবার নীড়ে ফিরে যায়।
। আমাদের শিশুরা নিয়ে গেল শূন্য জ্ঞান, নেই কোন লেখা পড়া। এভাবেই যদি বছরের পর বছর আমাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের রুটিন কাঠামো হয়। আমাদের আগামীর প্রজন্মদের অবস্থা হবে কি?.। বিস্তারিত পরবর্তী লেখায়……..।
লেখক : সাংবাদিক
(ঢাকারনিউজ২৪.কম/কেএস/৪:৫৪পিএম/১১/১১/২০১৯ইং)
আপনার মতামত লিখুন :