

মাহে আলম আখন, লালমোহন (ভোলা) : ষড় ঋতুর দেশ বাংলাদেশ। গ্রীষ্ম,বর্ষা,শরৎ,হেমন্ত,শীত ও বসন্ত। ভাদ্র ও আশ্বিণ এই দুই মাস মিলে শরৎকাল। বর্ষার পরেই শরতের আগমন। শরৎকালের রয়েছে কিছু অনন্য বৈশিষ্ট্য।
এ ঋতুতে আকাশে সাদা মেঘ তুলারমত উড়ে যায়। বিলে ও ঝিলে ফুটে বিভিন্ন রঙের শাপলা। গ্রামের শিশুরা বিলের পানিতে শাপলা তোলে। শাপলা ছাড়াও এ সময় ফুটে আরো বিভিন্ন রকমের ফুল। বকফুল, মিনজিরি, ছাতিম, শেফালি, শিউলি ও কাশফুলসহ আরো অনেক ফুল।
কাশফুলের রয়েছে এক অসাধারণ বৈশিষ্ট্য। কাশফুল দিয়ে ঘরের আসবাবপত্র তৈরী করা যায়। যেমন ফুল ঝাড়ু,চাটাই ও মাধুর ইত্যাদি।
কাশবনে লুকোচুরি খেলতে শিশুরা খুব পছন্দ করে। শরৎ ূঋতুতে পাওয়া যায় বিভিন্ন রকমের ফল। তাল,চালতা, জলপাই, আমড়া, ডেউয়া, আমলকি ইত্যাদি।
শরতের জ্যোৎস্নার রুপ মহিত করার মত। জ্যোৎস্নার আলোতে শরতের আকাশ খুব কাছে মনে হয়। আমন ধানের সবুজ মাঠ মন ছুয়ে যায়। ধানের চারাগুলো মৃদু বাতাসে দোল খায়। এ দোলা যেন মন উজাড় করে নিয়ে যায়।
শরতের সকালে ঘাসের উপর মুক্তার মত চকচক করতে দেখা যায় হালকা শিশির। এ ঋতুর শেষদিকে হালকা শীত অনুভব হয়। এজন্য শরৎ ঋতু বাংলার ঋতুগুলোর মধ্যে মোহনীয়।
আপনার মতামত লিখুন :