• ঢাকা
  • বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:১৬ পূর্বাহ্ন

বরিশালে কৃষক নেতা আবদুস সাত্তার খানের ২৬তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত


প্রকাশের সময় : নভেম্বর ৮, ২০২২, ৯:৩৩ PM / ৫৩০
বরিশালে কৃষক নেতা আবদুস সাত্তার খানের ২৬তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : ৮ নভেম্বর (মঙ্গলবার) বাংলাদেশ কৃষক আন্দোলনের প্রাণ পুরুষ, ভূমি আন্দোলনের পথিকৃৎ, গণ—বুদ্ধিজীবী মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক, বাংলাদেশ কৃষক ফেডারেশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, প্রখ্যাত কৃষক নেতা কমরেড আবদুস সাত্তার খানের ২৬ তম মৃত্যুবার্ষিকী বরিশাল জেলায় পালিত হয়েছে।

বাংলাদেশ কৃষক ফেডারেশন বরিশাল জেলা ও মহানগর এবং বাংলাদেশ কৃষানী সভা বরিশাল জেলা ও মহানগরের যৌথ উদ্যোগে নগরীর নাজিরপুল সংলগ্ন ইমারত নির্মাণ শ্রমিক ইউনিয়নে কার্যালয়ে কমরেড আবদুস সত্তার খানের ২৬তম মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

আলোচনা সভা ও দোয়া মোনাজাতে বরিশাল জেলা কৃষক ফেডারেশন আহ্বায়ক শুক্কুর খানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ কৃষক ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক জায়েদ ইকবাল খান বলেন, কৃষি খাস জমি প্রকৃত ভূমিহীনদের মাঝে দিতে হবে। যাদের খাস জমি বন্দোবস্ত দেয়া আছে তারা প্রকৃত ভূeমিহীন কিনা যাচাই-বাছাই করে তা বাতিল করতে হবে। সম্পত্তি এবং আয়ের উপর কর ধরতে হবে। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে কৃষকদের যে ক্ষতি হয়েছে তার ভর্তুকি দিতে হবে। খাদ্য সার্বভৌমত্ব ও খাদ্য অধিকার নিশ্চিত করতে হবে।

আলোচনা সভা ও দোয়া মোনাজাতে আরো উপস্থিত ছিলেন কলকাতার প্রগতিশীল বুদ্ধিজীবী, কবি, সাহিত্যিক, লেখক অমিতাভ চক্রবর্তী, কৃষক ফেডারেশন বরিশাল জেলার যুগ্ম আহবায়ক সঞ্জিব সিংহ বর্মন, বরিশাল জেলা ইমারত নির্মাণ শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি আলম খান, কৃষানী সভা কেন্দ্রীয় কমিটির মহিলা বিষয়ক সম্পাদক নাহার পারভিন, কৃষানী সভা বরিশাল মহানগরের সভানেত্রী রুনা লায়লা সোনালী প্রমুখ।

আলোচনা সভা শেষে দোয়া মোনাজাতের মধ্যে দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি করা হয়।

জেলার খবর বিভাগের আরো খবর

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে জেলা পূজা উদযাপন কমিটি ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের সাথে  পুলিশ সুপারের  মতবিনিময়     এস এম জহিরুল ইসলাম বিদ্যুৎ:  আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপনের লক্ষ্যে নারায়ণগঞ্জ জেলার বিভিন্ন পূজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময় সভা করেছে জেলা পুলিশ।  মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের কনফারেন্স রুমে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমান, পিপিএম-সেবা।  সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান, নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ, নারায়ণগঞ্জ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মাশুকুল ইসলাম রাজীব সহ  বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ,সুশীল সমাজ, সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধি এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ সহ জেলা পুলিশের উদ্বোধন কর্মকর্তাবৃন্দ ।  সভায় জেলার বিভিন্ন পূজা মণ্ডপের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকগণ মণ্ডপের নিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, যানবাহন নিয়ন্ত্রণ, অগ্নিনিরাপত্তা ও স্বেচ্ছাসেবকদের ভূমিকা নিয়ে তাদের বিভিন্ন সমস্যা, দাবি ও পরামর্শ তুলে ধরেন। পুলিশ সুপার অত্যন্ত মনোযোগ সহকারে তাদের বক্তব্য শোনেন এবং তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণের প্রতিশ্রুতি দেন।  মতবিনিময় সভায় পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমান বলেন, নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তায় নারায়ণগঞ্জের শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপনের লক্ষ্যে সকল প্রকার প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। জেলার প্রতিটি পূজা মণ্ডপে ইউনিফর্ম পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারি, সিসিটিভি মনিটরিং ও আনসার মোতায়েন থাকবে।  পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দের উদ্দেশ্যে তিনি আরও বলেন, আপনারা প্রতিটি মণ্ডপে নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবক টিম গঠন করুন, প্রবেশপথে তল্লাশির ব্যবস্থা রাখুন এবং সিসি ক্যামেরা স্থাপন করুন। কোনো সন্দেহভাজন ব্যক্তি বা বস্তু দেখলে সাথে সাথে ৯৯৯ বা নিকটস্থ থানায় জানাবেন। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করার চেষ্টা করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।  জেলাবাসীর উদ্দেশ্যে পুলিশ সুপার বলেন, নারায়ণগঞ্জ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির জেলা। এখানে হিন্দু-মুসলমান ভাই ভাই হিসেবে বসবাস করে। এই উৎসবকে নির্বিঘ্ন করতে জেলা পুলিশ সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালন করবে। এ ক্ষেত্রে পূজা উদযাপন পরিষদ, মণ্ডপ কমিটি ও স্থানীয় জনগণের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করছি।  তিনি আরও বলেন, ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য বজায় রেখে পূজা উদযাপনে গুজব ও বিভ্রান্তিকর তথ্য থেকে সতর্ক থাকুন এবং যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা সম্পর্কে দ্রুত পুলিশকে অবহিত করুন। পূজাকে কেন্দ্র করে কেউ যেন কোনো ধরনের নাশকতা বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে, সেজন্য আমাদের গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে।আমি আশা করছি অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপন হবে ইনশাল্লাহ।

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে জেলা পূজা উদযাপন কমিটি ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের সাথে পুলিশ সুপারের মতবিনিময় এস এম জহিরুল ইসলাম বিদ্যুৎ: আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপনের লক্ষ্যে নারায়ণগঞ্জ জেলার বিভিন্ন পূজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময় সভা করেছে জেলা পুলিশ। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের কনফারেন্স রুমে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমান, পিপিএম-সেবা। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান, নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ, নারায়ণগঞ্জ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মাশুকুল ইসলাম রাজীব সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ,সুশীল সমাজ, সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধি এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ সহ জেলা পুলিশের উদ্বোধন কর্মকর্তাবৃন্দ । সভায় জেলার বিভিন্ন পূজা মণ্ডপের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকগণ মণ্ডপের নিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, যানবাহন নিয়ন্ত্রণ, অগ্নিনিরাপত্তা ও স্বেচ্ছাসেবকদের ভূমিকা নিয়ে তাদের বিভিন্ন সমস্যা, দাবি ও পরামর্শ তুলে ধরেন। পুলিশ সুপার অত্যন্ত মনোযোগ সহকারে তাদের বক্তব্য শোনেন এবং তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণের প্রতিশ্রুতি দেন। মতবিনিময় সভায় পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমান বলেন, নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তায় নারায়ণগঞ্জের শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপনের লক্ষ্যে সকল প্রকার প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। জেলার প্রতিটি পূজা মণ্ডপে ইউনিফর্ম পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারি, সিসিটিভি মনিটরিং ও আনসার মোতায়েন থাকবে। পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দের উদ্দেশ্যে তিনি আরও বলেন, আপনারা প্রতিটি মণ্ডপে নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবক টিম গঠন করুন, প্রবেশপথে তল্লাশির ব্যবস্থা রাখুন এবং সিসি ক্যামেরা স্থাপন করুন। কোনো সন্দেহভাজন ব্যক্তি বা বস্তু দেখলে সাথে সাথে ৯৯৯ বা নিকটস্থ থানায় জানাবেন। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করার চেষ্টা করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। জেলাবাসীর উদ্দেশ্যে পুলিশ সুপার বলেন, নারায়ণগঞ্জ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির জেলা। এখানে হিন্দু-মুসলমান ভাই ভাই হিসেবে বসবাস করে। এই উৎসবকে নির্বিঘ্ন করতে জেলা পুলিশ সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালন করবে। এ ক্ষেত্রে পূজা উদযাপন পরিষদ, মণ্ডপ কমিটি ও স্থানীয় জনগণের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করছি। তিনি আরও বলেন, ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য বজায় রেখে পূজা উদযাপনে গুজব ও বিভ্রান্তিকর তথ্য থেকে সতর্ক থাকুন এবং যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা সম্পর্কে দ্রুত পুলিশকে অবহিত করুন। পূজাকে কেন্দ্র করে কেউ যেন কোনো ধরনের নাশকতা বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে, সেজন্য আমাদের গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে।আমি আশা করছি অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপন হবে ইনশাল্লাহ।

আরও খবর