ফতুল্লা প্রতিনিধি : নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার কুতুবপুর ইউনিয়নের চিতাশাল ২নং গলিতে জাহাঙ্গীর আলম জয় সহ আরো ৫ জন মাদক ব্যবসায়ী এক ইলেকট্রিক ব্যবসায়ী কাছ থেকে মোটরসাইকেল নগদ অর্থ ও স্বর্ণের চেইন লুট করে নিয়ে গেছে।
১৪ ফেব্রুয়ারি বিকেল ৫টার দিকে চিতাশাল ২নং গলিতে এই ঘটনা ঘটে।
এই ঘটনায় ফতুল্লা মডেল থানায় অভিযোগ দায়ের করেন আলমগীর অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, আমি আলমগীর (৪২) পিতা মোস্তফা সরকার সাং পাগলা চিতাশাল থানা ফতুল্লা, জেলা নারায়ণগঞ্জ, থানায় হাজির হইয়া বিবাদী ১। জাহাঙ্গীর আলম জয় (৫২) পিতা অজ্ঞাত ২।সাদ্দাম (৩০) পিতা নুর ইসলাম ৩।ওমর (৪০) পিতা অজ্ঞাত ৪। রনি (৪০) পিতা অজ্ঞাত ৫। বাপ্পী (৩২) পিতা অজ্ঞাত সর্ব সাং পাগলা চিতাশাল থানা ফতুল্লা, জেলা নারায়ণগঞ্জ সহ অজ্ঞাত নামা ২/৩ জনের বিরুদ্ধে এই মর্মে অভিযোগ দায়ের কিতেছি যে আমি আমার বর্ণিত ঠিকানায় ইলেক্ট্রিকের দোকান দিয়ে দীর্ঘদিন যাবত ব্যবসা-বাণিজ্য করিয়া আসিতেছি। উল্লেখিত বিবাহীগণ এলাকার খারাপ প্রকৃতির লোক। আমি আমার ব্যবহৃত ইয়ামাহা মোটরসাইকেল দিয়ে ব্যবসার বিভিন্ন কাজে বিভিন্ন স্থানে যাতায়াত করি।উক্ত ২ নং বিবাদী বিভিন্ন সময় আমার সামনে অন্যান্য বিবাদীদের শহীদ আলোচনা করে যে ২ নং বিবাদী আমার ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি পছন্দ হয়েছে উপায়ে আমার সাথে ঝগড়া করিয়া আমার ব্যবহারিত মোটরসাইকেলটি নিয়া যাইবে মর্মে পরিকল্পনা করিতে থাকে।আমি বিষয়টি জানার পর বিবাদীদের সহিত কোন প্রকার কথাবার্তা বলিতাম না কিন্তু বিবাদীরা আমাকে রাস্তাঘাটে দেখলে বিভিন্ন ধরনের খারাপ কথাবার্তা তুই আসিতেছে। কিন্তু আমি তাহাদের কথায় কোন জবাব না দেওয়ায় বিবাদীরা আমার কোন ক্ষতি করিতে পারেনা গত ১৪/২/২০২৬ তারিখে বিকাল অনুমান ৫ ঘটিকার সময় আমি আমার বর্ণিত ঠিকানায় বাসা হইতে আমার ব্যবহৃত মোটরসাইকেল নিয়ে আমার ছেলে এবং বন্ধু রফিকুল ইসলাম দেরকে সহ বাহির হইয়া ২ নং গলির সামনে গেলে উল্লেখিত বিবাদীগণ আমার পথরোধ করে বিনা কারণে আমাকে অকাথ্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করে আমি বিবাদীদেরকে গালিগালাজ করিতে নিষেধ করিলে দুই হতে পাঁচ নং বিবাদী সহ অজ্ঞতা নামার বিবাদীরা আমাকে মোটরসাইকেল হইতে টানা হেচরা করিয়া নিচে নামাইয়া আমাকে এলো পাতারি কিল ঘুসি ও লাথি মারিয়া আমার শরীরে বিভিন্ন স্থানে নীলা ফোলা জখম করে এবং দুই নং বিবাদী আমার পরিচিত গেঞ্জি টানাহেঁচড়া করিয়া ছিড়িয়া ফেলে ২ নং বিবাদী বালি ফেলার বেলচা দিয়ে আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে মাথা আঘাত করার চেষ্টা করে একপর্যায়ে দুই নং বিবাদী আমার প্যান্টে থাকা ব্যবসায়িক নগদ টাকা ৬০ হাজার টাকা এবং আমার ছেলে আব্দুল্লাহ আল আরাফের গলা থেকে একটি চাড়ানি স্বর্ণের চেন ৫০০০০ টাকা সহ নিয়ে যায় আমার ডাক চিৎকার আশেপাশের লোকজন আগিয়া আসিতে থাকিলে দিলে আমাকে আর হুমকি দেয় যে আমি যদি উক্ত ঘটনা তাহলে নিকট বিচার দেই অথবা আইনের আশ্রয় গ্রহণ করি তাহলে বিবাদীরা পরবর্তীতে আমাকে জীবন শেষ করিয়া ফেলিবে বলে চলিয়া যায়।
প্রধান সম্পাদক : সোনিয়া দেওয়ান প্রীতি