• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০১:৪০ অপরাহ্ন

স্মার্টফোন ব্যবহারেও মাথায় উকুন হতে পারে!


প্রকাশের সময় : জুলাই ৪, ২০১৮, ২:২০ PM / ২০২
স্মার্টফোন ব্যবহারেও মাথায় উকুন হতে পারে!

ঢাকারনিউজ২৪.কম, ডেস্ক : উকুন একটি পরজীবী যা মানুষের মাথায় জন্মায় এবং বংশ বিস্তার করে। মাথায় অত্যন্ত বিরক্তির চুলকানি উদ্রেক করে উকুন।

চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ টেক ম্যাকফারসন বলেন, ‘মানুষের মাথা ছাড়া উকুন খুব অল্প সময় বেঁচে থাকে। উকুন পশুর লোমে থাকতে পছন্দ করে না। এ জন্য বিড়াল বা কুকুরের উকুন হয় না। তাই তাদের মাধ্যমে আপনার উকুন হবে না।

মানব শরীরের সংস্পর্শের কারণেই এটি ছড়ায়। উকুন আছে এমন মানুষের মাথার সংস্পর্শে আসলে আরেকজনের মাথায় উকুন চলে যায়। এ কারণে বড়দের চাইতে বাচ্চাদের মাথায় উকুন তাড়াতাড়ি হয়।’

স্মার্টফোন ব্যবহারে কিশোর কিশোরীদের ক্ষেত্রে উকুন হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে বলেও জানান এই চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ।

টেক ম্যাকফারসন বলেন, ‘উকুন লাফ দিতে পারে না। কেবল চুলের সংস্পর্শে আসলেই একজনের মাথা থেকে আরেকজনের মাথায় চলে যায়।

সেলফি তোলার সময় একজনের মাথা আরেকজনের মাথার সংস্পর্শে আসে। ফলে কিছু বোঝার আগেই একজন থেকে আরেকজনের মাথায় উকুন চলে যায়।’

এই চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ বলেন, ‘উকুন হলে শুরুতে টের পাওয়া যায় না। কারণ এর উপসর্গ অনেকটা অ্যালার্জির মতো। ফলে উকুনের উপদ্রব টের পেতে কখনো সপ্তাহ পেরিয়ে যেতে পারে। ততদিনে হয়তো অাপনার মাথা থেকে আরেকজনের মাথায় উকুন ছড়িয়ে পড়েছে।’

টেক ম্যাকফারসন আরও বলেন, ‘উকুনের হাত থেকে রেহাই পেতে বিশেষ চিরুনি কিংবা রাসায়নিক পদ্ধতি অবলম্বন করা যেতে পারে। প্রয়োজনের চিকিৎসক বা ফার্মাসিস্টের সাহায্য নেওয়া যেতে পারে।’ সূত্র : বিবিসি বাংলা

(ঢাকারনিউজ২৪.কম/কেএস/২:১৮পিএম/৪/৭/২০১৮ইং)