• ঢাকা
  • সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০১:০৯ পূর্বাহ্ন

সোনারগাঁ উপজেলা নির্বাচনে হেভিওয়েট প্রার্থী আবু নাইম ইকবাল


প্রকাশের সময় : ফেব্রুয়ারী ২০, ২০১৯, ২:০৮ PM / ২০৯
সোনারগাঁ উপজেলা নির্বাচনে হেভিওয়েট প্রার্থী আবু নাইম ইকবাল

সোনারগাঁ থেকে ফিরে সোনিয়া দেওয়ান প্রীতি : ‘সমাজ সেবক ও রাজনীতিকদের চেয়ে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি হিসেবে এলাকার উন্নয়নে বেশি অবদান রাখা যায় বলেই আমি মনে করি। আর তাই নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি’

ঢাকারনিউজ২৪.কম প্রতিবেদকের সাথে আলাপকালে কথাগুলো বলছিলেন আসন্ন নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভাইস-চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন প্রত্যাশী আবু নাইম ইকবাল।

সোনারগাঁয়ের শিক্ষা ও ক্রীড়া ক্ষেত্রে অসামান্য অবদান রেখে চলা এ তরুণ সমাজ সেবক এবার স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ থেকে শুরু করে স্থানীয় রাজনীতিক ও সাধারন ভোটারদের ভালবাসায় সিক্ত হয়ে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দিতা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ইতিমধ্যেই নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণায় নেমে পড়েছেন তার সমর্থকরা। উপজেলার সর্বত্র তার ব্যানার-ফেস্টুনে ছেঁয়ে গেছে। প্রতিদিনই উপজেলার বিভিন্ন শহর এলাকাে থেকে শুরু করে প্রত্যন্ত অঞ্চলে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে দোয়া ও ভোট প্রার্থণা করছেন তিনি।

এ প্রতিবেদকের সাথে আলাপকালে আবু নাইম ইকবাল বলেন, ছোটবেলা থেকেই আমি যেসব উন্নয়নমূলক কাজগুলো করছি, যেমন এলাকার শিক্ষাক্ষেত্রের মান উন্নয়ন, যুব সমাজকে মাদকের কড়াল গ্রাস থেকে মুক্ত করতে খেলাধূলার প্রতি আকৃষ্ট করতে ক্রীড়া ক্ষেত্রের বিভিন্ন উন্নয়ন, দরিদ্র-অসহায় ও প্রতিবন্ধীদের উন্নয়নে বিভিন্ন কর্মকান্ড পরিচালনা করে আসছি, সেইসব ক্ষেত্রগুলোতে আরো বেশি উন্নয়ন করা সম্ভব হবে একজন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি হয়ে এলে। এতে করে এসব ক্ষেত্রে আরো বেশি সহযোগিতা করা আমার পক্ষে সম্ভব হবে বলে মনে করি।

সাবেক কেন্দ্রীয় এ ছাত্রলীগ নেতা ও সোনারগাঁ থানা ছাত্র লীগের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক আরো বলেন, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি হয়ে এলে স্থানীয় প্রশাসন থেকে শুরু করে সংসদ সদস্য, চেয়ারম্যান-মেম্বারদের থেকে আরো বেশি সুযোগ সুবিধা নিয়ে উন্নয়নমূলক কাজ করা যায়। বিশেষ করে নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের পরপর দ্বিতীয় মেয়াদে নির্বাচিত সংসদ সদস্য লিয়াকত হোসেন খোকার অসমাপ্ত কাজগুলো তার পাশে থেকে মিলিতভাবে এগিয়ে নিতে আমার নির্বাচিত হয়ে আসা জরুরি বলে আমি মনে করি।

ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আবু নাইম ইকবাল দীর্ঘদিন যাবত উপজেলার শিক্ষা ও ক্রীড়া ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার পাশাপাশি সবসময় দরিদ্র ও অসহায় মানুষদের পাশে বন্ধু এবং সুখ-দুঃখের সাথী হিসেবে পাশে দাঁড়িয়েছেন। এছাড়া উপজেলা জনপ্রতিনিধি ঐক্য ফোরামের নিকটও একজন প্রিয় ব্যক্তিত্ব আবু নাইম ইকবাল। এ কারণে তিনি দলমত নির্বিশেষে উপজেলার সর্বস্তরের মানুষের কাছে পছন্দের প্রার্থী বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। বিশেষ করে শিক্ষা ক্ষেত্রে অসামান্য অবদান রাখায় তরুণ ও মেধাবি এই সমাজ সেবককে পরপর চতুর্থ বারের মতো উপজেলার শ্রেষ্ঠ সভাপতি নির্বাচিত করা হয়েছে। সমাজ সেবায় বিশেষ অবদান স্বরুপ পেয়েছেন বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি সংগঠন থেকে অসংখ্য সম্মাননা পদক।

এদিকে ভাইস চেয়ারম্যান পদে আরও যারা তার প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে লড়বেন তারা হলেন-বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান শাহ আলম মিয়া রূপন, উপজেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বাবুল ওমর বাবু, জামপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক সামসুদ্দিন খাঁন আবু ও উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক নেকবর হোসেন নাহিদ। এদের মধ্যে এমপি লিয়াকত হোসেন খোকার আশির্বাদপুষ্ট সৎ, আদর্শবান ও সুশিক্ষিত ব্যক্তি হিসেবে আবু নাইম ইকবালকে হেভিওয়েট প্রার্থী হিসেবে এগিয়ে রাখছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও ভোটাররা।

(ঢাকারনিউজ২৪.কম/এসডিপি/২:০৫পিএম/২০/২/২০১৯ইং)