

সাপাহার (নওগাঁ) প্রতিনিধি : সরকারের কোন নিয়মনিতীর তোয়াক্কা না করে নওগাঁর সাপাহারে স্থাপনকারী মোহনা ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার (বর্তমানে ফরিদা ক্লিনিক) এর মালিক ফরিদা বেগমের বিরুদ্ধে প্রতিষ্ঠানের শেয়ার দেয়ার অজুহাতে অসহায় এক ব্যক্তির নিকট থেকে ৩ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
্নিজের খেয়াল খুশীমত স্থাপনকারী ওই ক্লিনিকের ভুক্তভোগীর অভিযোগে জানা গেছে কয়েক বছর পূর্বে সদরের সরফতুল্লাহ ফাযিল মাদ্রাসার সামনে অবস্থিত ”বিণা ভিলা” নামের ্একটি বাসা ভাড়া নিয়ে স্থানীয় আবু আনছারের স্ত্রী গৃহবধু ফরিদা বেগম মোহনা ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার নামে একটি বে-সরকারি ক্লিনিক স্থাপন করেন। ওই প্রতিষ্ঠান পরিচালনার স্বার্থে মালিক গৃহবধু ফরিদা বেগম গত বছর ৯ অক্টোবর শেয়ার দেয়ার জন্য একই উপজেলার গোডাউন পাড়ার বাসিন্দা মৃতঃ রহিমুুদ্দীনের ছেলে অসহায় তরিকুল ইসলামের সাথে ৩শত টাকা মুল্যের ষ্ট্যাম্পে চুক্তি সম্পাদন করেন। চুক্তি অনুযায়ি ক্লিনিকের শেয়ার পার্টনার হওয়ার খুশিতে সহায় সম্বল বিক্রি করে তরিকুল প্রতিষ্ঠানের শেয়ার বাবদ ৩লক্ষ টাকা ক্লিনিক মালিক ফরিদার হাতে তুলে দেন। সেই সাথে ওই প্রতিষ্ঠানের শেয়ার পার্টনার হিসেবে তরিকুল ওই ক্লিনিকে সর্বক্ষন দায়িত্ব পালন করতে থাকেন। এর কিছু দিন পরে ক্লিনিক মালিক ফরিদা বেগম তার খেয়াল খুশি মত প্রতিষ্ঠানের আয় ব্যায় পরিচালনা করতে থাকলে শেয়ার পার্টনার তরিকুলের সাথে এ নিয়ে মনোমালিন্যের সৃষ্ঠি হয়। পরে ফরিদা বেগম সম্পাদিত ষ্ট্যাম্পের শতের্র চুক্তি ভঙ্গ করে প্রতিষ্ঠানের আয় ব্যায়ের হিসাব তরিকুল কে অবগত না করে তাকে প্রতিষ্ঠান থেকে বের করে দেয়। এর পর চতুর ফরিদা বেগম অসহায় তরিকুলের সরলতার সুযোগ নিয়ে তার দেয়া শেয়ার বাবদ ৩ লক্ষ টাকা সহ প্রতিষ্ঠানে উপার্জিত মুনাফার সমুদয় টাকা আত্মসাৎ করার পায়তারা শুরু করে। পরবর্তি সময়ে সে ওই ক্লিনিকের নাম পরিবর্তন করে তার নিজের নাম অনুযায়ি ”ফরিদা ক্লিনিক” নাম করন করে তার প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম চালাতে থাকে। এ দিকে শেয়ারের টাকা ফেরত চাইতে গেলে ফরিদা বেগম তাকে অকথ্য ভাষায় গালি গালাজ ও হুমকী প্রদান করে আসছে। এ ঘটনার পর তরিকুল সম্প্রতি ওই ক্লিনিকের দরজায় তালা ঝুলিয়ে দেয়। স্থানীয় ভাবে বিষয়টি আপোষ মিমাংসার কথা বলে তালা খুলে দেয়া হলেও পরবর্তি সময়ে এ বিষয়ে আর কেউ কোন ভুমিকা গ্রহণ করেনি বলে ভুক্ত ভোগী তরিকুল জানান। এ বিষয়ে ক্লিনিক মালিক ফরিদা বেগমের সাথে তার ০১৭৩৩১১৭৬৬২ নং মোবাইলে কল দিয়ে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোনে কথা না বলে ক্লিনিকে গিয়ে তার সাথে দেখা করতে বলেন। এ দিকে নিরুপায় হয়ে অসহায় তরিকুল তার সহায় সম্বল বিক্রি করে দেয়া শেয়ারের ৩ লক্ষ টাকা উদ্ধারে স্থানীয় প্রশাসন সহ এলাকার গণ্য মান্য নেতৃস্থানীয় লোকজনের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন।
বিদ্র: ইতোপূর্বে ওই ক্লিনিকে মাদকদ্রব্য ইয়াবা সহ যুবক আটক হয়েছিল। ওই কিèনিক সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট বিভাগ নওগাঁ সিভিল সার্জন ডা: মুমিনুল হক এর সাথে কথা হলে ক্লিনিকটির কোন নিবন্ধন বা বৈধ কাগজপত্র নেই বলে তিনি জানান।
(ঢাকারনিউজ২৪.কম/আরএম/৬:৩৬পিএম/১১/১০/২০১০ইং)
আপনার মতামত লিখুন :