• ঢাকা
  • মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১:২০ অপরাহ্ন

মানুষ বাস করলে মঙ্গলগ্রহে যা ঘটবে তাদের সঙ্গে!


প্রকাশের সময় : অক্টোবর ২০, ২০২৪, ২:১৮ PM / ৫৩৪
মানুষ বাস করলে মঙ্গলগ্রহে যা ঘটবে তাদের সঙ্গে!

ডেস্ক রিপোর্ট : মঙ্গলগ্রহে মানুষ পাঠানোর পরিকল্পনা করছে মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। ২০৩০ সালের মধ্যেই এই পরিকল্পনা বাস্তব রূপ নিতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের রাইস ইউনিভার্সিটির জীববিজ্ঞানী স্কট সলোমন সম্প্রতি নিজের গবেষণায় জানিয়েছেন, মঙ্গলগ্রহে মানববসতি গড়ে উঠলে তা মানুষের বিবর্তনের কারণ হবে। মঙ্গলগ্রহে মানুষ থাকতে শুরু করলে সবুজ বর্ণ ধারণ করতে পারে, কমতে পারে তাদের দৃষ্টিশক্তি।

স্কট সলোমন বলেন, মঙ্গলগ্রহে মানুষ থাকতে শুরু করলে পরবর্তী প্রজন্মের শিশুদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য বিবর্তন ও অভিযোজন দেখা যাবে। সাম্ভাবনা আছে যারা সেই গ্রহে জন্ম নিবে তাদের গায়ের রঙ পাল্টে যেতে পারে। দেখা দিতে পারে তাদের অন্ধত্বও।

মঙ্গলগ্রহের আবহাওয়া প্রতিকূল হওয়ায় লালগ্রহে মানুষের বেঁচে থাকা কঠিন হতে পারে। মঙ্গগ্রহে মানব বসতি স্থাপন হওয়ার পর সেখানে যে সন্তান জন্মাবে তাদের পরবর্তীতে নানা জটিল পরিব্যক্তি (মিউটেশন), বিবর্তন ও পরিবর্তনের মধ্যদিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

মানুষের দেহে পরিব্যক্তি বা মিউটেশনের অর্থ হচ্ছে ডিএনএ গঠনের স্থায়ী পরিবর্তন। মঙ্গলগ্রহের কম অভিকর্ষ ও মহাজাগতিক রশ্মির উচ্চ বিকিরণের কারণে নানা পরিব্যক্তি ঘটবে মানব শরীরে। এমনটাই আশঙ্কা করেছেন তিনি।

মঙ্গলগ্রহ পৃথিবীর চেয়ে আকারে ছোট এবং মানুষ যা অভ্যস্ত তার চেয়ে ৩০ শতাংশ কম মাধ্যাকর্ষণ আছে। এ ছাড়াও লালগ্রহটিতে অভাব রয়েছে চৌম্বক ক্ষেত্র এবং ওজন স্তরেরও। ওজন স্তরটি মহাকাশ বিকিরণ, অতিবেগনি আলো, সূর্য থেকে আধানযুক্ত কণা এবং মহাজাগতিক রশ্মির হাত থেকে মানবশরীরকে রক্ষা করে থাকে।

কম মাধ্যাকর্ষণ শক্তির ফলে ভঙ্গুর হাড়গুলো প্রসবের সময় জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে, মহিলাদের পেলভিসে ফাটল সৃষ্টি করতে পারে বলেও আশঙ্কা করেছেন বিজ্ঞানী স্কট সলোমন। মঙ্গলগ্রহে জন্মানো নবজাতকের পেশি ও দৃষ্টিশক্তি দুর্বল এবং হাড় ভঙ্গুর হতে পারে।

মঙ্গলগ্রহের মাটিতে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালানোর জন্য এই মহাকাশযানের সঙ্গে মোট চারটি পেলোড পাঠাবে ইসরো। সেগুলো মঙ্গলগ্রহের আবহাওয়া, মাটি পর্যবেক্ষণ করবে এবং সেই সংক্রান্ত অজানা তথ্য সংগ্রহ করবে।