• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:০৭ অপরাহ্ন

নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের দ্বিতীয় আসরের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী


প্রকাশের সময় : নভেম্বর ৫, ২০২৬, ৭:০২ PM / ৩২
নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের দ্বিতীয় আসরের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

খুলনা সংবাদদাতা : শিশু-কিশোরদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশ এবং তৃণমূল পর্যায় থেকে প্রতিভাবান ক্রীড়াবিদ গড়ে তোলার লক্ষ্যে আয়োজিত প্রতিভা অন্বেষণ কর্মসূচি ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’-এর দ্বিতীয় আসরের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

আজ বিকেল পৌনে ৪টায় খুলনা জেলা স্টেডিয়ামে বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে তিনি এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। একই সঙ্গে অনলাইনে দেশের ৫০৩টি উপজেলায়ও দ্বিতীয় আসরের কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।

এ সময় তিনি জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন এবং প্রতিযোগিতার ১০টি ইভেন্টে অংশগ্রহণকারী ক্ষুদে খেলোয়াড়দের সঙ্গে পরিচিত হন।

খুলনা জেলা স্টেডিয়ামে প্রধানমন্ত্রী পৌঁছালে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহফুজুল আলম খান তাঁকে অভ্যর্থনা জানান।

এ সময় গ্যালারিতে উপস্থিত শিক্ষার্থী ও ক্রীড়াবিদেরা হাত নেড়ে প্রধানমন্ত্রীকে অভিবাদন জানান। তাঁকে কাছে পেয়ে উচ্ছ্বাসে মেতে ওঠে শিশু-কিশোরেরা। প্রধানমন্ত্রীও মাঠের ভেতর দিয়ে গ্যালারির কাছাকাছি গিয়ে হাত নেড়ে তাদের শুভেচ্ছা জানান।

‘ক্রীড়া হলে পেশা, পরিবার পাবে ভরসা’ প্রতিপাদ্য নিয়ে আয়োজিত এ কর্মসূচির মাধ্যমে সারাদেশের শিশু-কিশোরদের মধ্য থেকে সম্ভাবনাময় ক্রীড়া প্রতিভা খুঁজে বের করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এবারের প্রতিযোগিতায় আগের আটটি ইভেন্টের সঙ্গে নতুন করে যুক্ত হয়েছে ভলিবল ও টেবিল টেনিস। ফলে মোট ১০টি ক্রীড়া ইভেন্টে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছে ক্ষুদে খেলোয়াড়েরা। প্রতিযোগীদের বয়সসীমা নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ থেকে ১৪ বছর।

শিশু-কিশোরদের সুপ্ত প্রতিভার বিকাশ, খেলাধুলার প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি এবং নতুন প্রজন্মকে ক্রীড়াঙ্গনে সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যে গত ২ মে সিলেটে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’-এর প্রথম আসরের উদ্বোধন করা হয়েছিল। দ্বিতীয় আসরে খুলনায় এ কর্মসূচিতে অনলাইনে ১৬ লাখ ২৩ হাজার ২১৮ জন প্রতিযোগী নিবন্ধন করেছে।

এ কর্মসূচির মাধ্যমে তৃণমূল পর্যায় থেকে প্রতিভাবান খেলোয়াড় বাছাই এবং তাদের দক্ষতা বিকাশের সুযোগ সৃষ্টি করতে চায় সরকার।

বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহারের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে ক্রীড়া পরিদপ্তর এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।

আশির দশকের জনপ্রিয় প্রতিভা অন্বেষণ কর্মসূচি ‘নতুন কুঁড়ি’র ধারাবাহিকতায় এবার ক্রীড়াক্ষেত্রে নতুন প্রতিভা খুঁজে বের করার লক্ষ্যে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।