• ঢাকা
  • বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৫৪ অপরাহ্ন

ধর্ষণের বিচার হোক জনসমুক্ষে


প্রকাশের সময় : এপ্রিল ১১, ২০১৯, ১১:৩৮ PM / ১৭৫
ধর্ষণের বিচার হোক জনসমুক্ষে

লিখন রাজ : ১৯৯৮ সালে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে বাসরঘর সাজিয়ে প্রতিরাতে একজন ছাত্রীকে ধর্ষণ করা হতো। এভাবে একশত ধর্ষণ করার পর বিশ্ববিদ্যালয়ে মিষ্টি বিতরণ করে উল্লাস করেছিলো ক্ষমতাসীন দলের সোনার ছেলে “জসিম উদদীন মানিক”। এরও একটা বিচার হয়েছিলো, তবে ফাঁসি হয়নি। দিবালোকে রামদা দিয়ে রাস্তায় প্রকাশ্যে খাদিজাকে কুপিয়ে তার মাথা কয়েকভাগ করে সিলেটের বদরুল, খাজিদার ভাগ্য ভালো মরতে মরতে বেঁচে গেছে। বদরুলেরও একটা বিচার হয়েছে, তবে খুব বেশি হয়নি। ২০১৮ সালে বরিশালের বানারিপাড়ায় মা-মেয়েকে একসাথে ধর্ষন করে মাথা নেড়ি করে দেয় প্রভাবশালী তুফান, তুফানেরও একটা বিচার হয়ছে, তবে ফাঁসি হয় নি। সংরক্ষিত এলাকা কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট এর ভিতরে তনুকে ধর্ষণ করার পর হত্যা করা হয়, কে বা কারা জড়িত তা কিন্তু গুয়েন্দা বাহিনী ভালো করেই জানে। কিন্তু তনুর ধর্ষণকারী কেউ গ্রেফতার হয়নি। ৩১শে ডিসেম্বর ২০১৮ নোয়াখালীর সুবর্ণচরে দিনের বেলা যুবতি মেয়ের সামনে তার মাকে দলবেঁধে ধর্ষণ করার পর প্রহার করা হয়, ১৭ কোটি মানুষ এর সাক্ষী, ধর্ষক রুহুল আমীনের ফাঁসির দাবি উঠলেও, ফাঁসি কিন্তু হয়নি। কিছুদিন আগে ঢাকার এক আবাসিক এলাকায় ৭ বছরের শিশুকে ধর্ষণ করার পর শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করা হয়, ধর্ষক আটক, তবে তারও কিন্তু ফাঁসি হবে না। গত কয়েকবছর আগে দেখলাম ৩ বছরের শিশুর যৌনাঙ্গ ব্লেড দিয়ে কেটে ধর্ষন করে হত্যা করা হয়, সেই ধর্ষকও গ্রেফতার হয়ছে, তবে ফাঁসি কিন্তু হয় নি।

এভাবে আরো কতো ধর্ষণ হচ্ছে মা বোনেরা তার হিসাব রাখে কে? ধর্ষকরা জেলে যায় ঠিকই, কিন্তু ক্ষমতার দাপট খাটিয়ে আবার বেরিয়ে আসে। আমরা ধর্ষকের ফাঁসি চাই সবাই, কিন্তু দেশে কি সেই আইন আছে? ধর্ষকের শাস্তি জনসম্মুখে মৃত্যুদন্ড মাত্র তিন ৪টা দিয়ে দেখুন, ধর্ষণতো দূরের কথা, কোনো মায়ের দিকে চোখ তোলে থাকানোর সাহস পাবে না।
(ঢাকারনিউজ২৪.কম/এসডিপি/১১:৪০পিএম/১১/৪/২০১৯ইং)