• ঢাকা
  • রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:৫১ অপরাহ্ন

জাতীয় পুরস্কারের অনুষ্ঠান বয়কট!


প্রকাশের সময় : মে ৪, ২০১৮, ১:৫৫ PM / ১১৩
জাতীয় পুরস্কারের অনুষ্ঠান বয়কট!

 

ঢাকারনিউজ২৪.কম, ডেস্ক : গতকাল বৃহস্পতিবার(৩ মে) রাতে আয়োজিত ভারতের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠান ঘিরে জন্ম নিয়েছে বিদ্রোহ। তাও আবার রাষ্ট্রপতির মতো শীর্ষপদকে ঘিরে। অনুষ্ঠানটি বয়কট করলেন পুরস্কার পাওয়া ৬৮ জন।

আনন্দবাজার পত্রিকা জানায়, রাষ্ট্রপতি সকলকে পুরস্কার দিতে পারবেন না শুনে অনুষ্ঠান বয়কট করেছেন এই শিল্পী-কলাকুশলীরা।

বিদ্রোহের মূলে রয়েছে, প্রথাভঙ্গের অভিযোগ। প্রতিবারের মতোই জয়ী শিল্পী-কলাকুশলীদের আমন্ত্রণপত্রে লেখা ছিল, রাষ্ট্রপতি পুরস্কার দেবেন। শিল্পীদের একাংশের অভিযোগ, দিল্লি পৌঁছনোর পরে তাদের যখন অনুষ্ঠানের জন্য মহড়ায় নিয়ে যাওয়া হয়, তখন জানতে পারেন, রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ নিজে ১১টি পুরস্কার দেবেন। বাকিদের পুরস্কৃত করবেন কেন্দ্রীয় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী অভিনেত্রী স্মৃতি ইরানি। এই ‘বিভাজনে’ অসম্মানিত বোধ করেন শিল্পীরা। তা থেকেই বয়কট আন্দোলনের সিদ্ধান্ত।

এ নিয়ে রাষ্ট্রপতি ভবনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, কোবিন্দ রাষ্ট্রপতি হওয়ার পরে যে প্রোটোকল তৈরি হয়েছে, তাতে একমাত্র প্রজাতন্ত্র দিবস ছাড়া অন্য কোনো অনুষ্ঠানেই তার এক ঘণ্টার বেশি থাকার কথা নয়। কিন্তু শিল্পী-কলাকুশলীদের অভিযোগ সেই ঘোষণা আগে জানানো হয়নি।

দীর্ঘ ৬৪ বছর ধরে রাষ্ট্রপতির হাত থেকে পুরস্কার নেওয়াটাই প্রথা। যে ১১ জন রাষ্ট্রপতির হাত থেকে পুরস্কার পেলেন, তাদের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গ থেকে একমাত্র অভিনেতা ঋদ্ধি সেন। এছাড়াও সংগীতপরিচালক এ আর রহমান এবং প্রয়াত শ্রীদেবী ও বিনোদ খন্নার নামাঙ্কিত পুরস্কারগুলোও নিজের হাতে তাদের পরিবারের হাতে তুলে দেন রাষ্ট্রপতি।

কৌশিক গাঙ্গুলির ‘নগরকীর্তন’ এ বছর চারটি বিভাগে জাতীয় পুরস্কার জিতে নিয়েছে। এই ছবির জন্যই পুরস্কার পেয়েছেন ঋদ্ধি। তিনি ছাড়া অনুষ্ঠানে যোগ দেননি কেউ।

কৌশিক বলেন, ‘নিয়ম অনুযায়ী, জাতীয় পুরস্কার রাষ্ট্রপতিরই দেওয়ার কথা। বিজ্ঞপ্তিতেও তা-ই ছিল। রাষ্ট্রপতি অসুস্থ থাকলে পুরস্কার দেন উপরাষ্ট্রপতি। যিনি পুরস্কার দেবেন, তার হাতে যদি সময় না থাকে সেটা শিল্পীদের পক্ষে অসম্মানের।’

শ্রেষ্ঠ বাংলা ছবির পুরস্কার পেয়েছে অতনু ঘোষ পরিচালিত ‘ময়ূরাক্ষী’। রাষ্ট্রপতির পুরস্কার না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে অতনু বললেন, ‘আমন্ত্রণপত্রে লেখা আছে যে, রাষ্ট্রপতি পুরস্কার দেবেন। তার অন্যথা হলে ব্যাপারটা বিভাজন হয়ে দাঁড়ায়। এই বৈষম্যের প্রতিবাদ করেছি বলেই অনুষ্ঠানে যোগ দিইনি।’
(ঢাকারনিউজ২৪.কম/আরএম/১:৫২পিএম/৪/৫/২০১৮ইং)