• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ১২:০৫ অপরাহ্ন

ছাত্রজনতার সুপার হিরো ছাত্রলীগ নেতা জীবন


প্রকাশের সময় : মার্চ ১৭, ২০১৮, ৩:০০ PM / ৩৭৬
ছাত্রজনতার সুপার হিরো ছাত্রলীগ নেতা জীবন

মাহাবুব আলম শ্রাবন , ঢাকা : ছোট বেলায় প্রায় সবারই পছন্দের তালিকায় নাম থাকে কোন না কোন সুপার হিরোর। যেমন সুপারম্যান, ব্যাটম্যান, হাল্ক, আরোও কতকি, অনেকে আবার কল্পনাও করেন যে, বিপদে পড়লে তার সুপার হিরো এসে বাঁচাবেন তাকে অথবা শত্রু পক্ষকে ঘায়েল করে বিজয়ের খেতাব এনে দেবেন। এবার বাস্তবেই উঠে এলো এমন এক সুপার হিরোর নাম যেকোন বিপদে পড়লে টেনে তোলার জন্য প্রথম যার হাতটি প্রসারিত হয় তেমন একজন ঢাকা কলেজের মেধাবী ছাত্র, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের অন্যতম সহ-সম্পাদক মৃত্যুঞ্জয়ী ছাত্রনেতা “আনোয়ার হোসেন জীবন” গেলো সোমবার রাত ৯ টার দিকে ঢাকা কলেজ অনার্স ৪র্থ বর্ষের পরীক্ষার্থী মিঠুন মোল্লা টিউশনি শেষ করে রজনীগন্ধা বাসে ধানমন্ডির স্টার কাবাব থেকে মোঃ পুরের উদ্দেশ্যে রওনা দেন। মহিলা সিট ফাঁকা না থাকা সত্ত্বেও শঙ্করে যাওয়ার পর ৪/৫ জন মহিলাকে উঠান। এবং তারা দাঁড়িয়ে থাকায় অনেক যাত্রীরা হেলপারকে বকাঝকা করেন। উল্লেখ্য যে, বাসটি সিটিং সার্ভিস নামে চলছে এবং স্টুডেন্টদের কাছ থেকেও হাফ ভাড়া নেয় না।
সিট ফাঁকা আছে বলে মহিলাদেরকে উঠান হয়েছিল। কিন্তু তাদের সিট দিতে না পারায় তারা ফিজিক্যাল কলেজের সামনে নেমে যান।
মহিলা যাত্রীরা নামার পর হেলপার ও ড্রাইভার তাদের উদ্দেশ্য করে কিছু অশ্লীল ও কুরুচিপূর্ণ ভাষা ব্যবহার করে যা যাত্রীদের কাছে বিরক্তিকর ছিল। এবং মা-বয়সী লোকদের অনুপস্থিতিতে তাদের বিরুদ্ধে এসব ব্যবহারের প্রতিবাদ জানান মিঠুন মোল্লা। হেলপারের মাত্রাতিরিক্ত বাড়াবাড়ি এক পর্যায়ে হাতাহাতিতে রূপ নেয়। তখন সকল যাত্রীরাই প্রতিবাদ করেছিল। অবশেষে বাস মোঃ পুর চলে আসায় বাস থেকে নামার সময় মিঠুনের উপর অতর্কিত হামলা চালায় হেলপার গ্রূপ ও ড্রাইভাররা এবং অন্য যাত্রীরা পাশ কেটে চলে যায়। চোঁখের জখম আশংকাজনক, গলা, ঘাড়, হাঁটুর আঘাত ও মারাত্মক।
উল্লেখ্য যে আগামী ১৫ তারিখেও মিঠুনের ৪র্থ বর্ষ ফাইনাল এক্সাম রয়েছে এবং সে পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের একজন মেধাবী ছাত্র।
এই ঘটনার খবরটি মূহুর্তেই ছড়িয়ে যায় ঢাকা কলেজে হামলার খবর পাওয়ার সাথে সাথে ছাত্রজনতা সামনে উপস্থিত হন আজকের শিরোনামে থাকা ঢাকা কলেজের সুপার হিরো জীবন। ছাত্রজনতার মুখ থেকে হামলার বিষয়টি শোনার পর দ্রুত এটি সুরাহার আশ্বাস দিন তিনি তার আদেশে সাইন্স ল্যাবরেটরি মোড় থেকে আটক করা হয় রজনীগন্ধা পরিবহণের একটি বাস, নেয়া হয় নিউমার্কেট থানায়। ডাকা হয় পরিবহণের মালিক সহ হামলাকারীদের নিউমার্কেট থানার অফিসার ইনচার্জ এবং ছাত্রনেতা জীবনের
পরিচলনায় দোষীদের আটক করা হয়, আনা হয় শাস্তির আয়তায় এবং মিঠুনে চিকিৎসার জন্য প্রাপ্য অর্থ আদায় করে দেন তুলে দেন তার হাতে। চারিদিকে ছড়িয়ে পরে খবরটি ঢাকা কলেজের যেকোন ছাত্রের বিপদে পাশে পাওয়া যায় আনোয়ার হোসেন জীবনকে সোশ্যাল মিডিয়া এমন স্টাটাস লিখে অনেকে সাধুবাদ জানান তাকে। আবার ছোট বেলার স্বপ্নে থাকা সুপার হিরোর তালিকায় যোগ হয় তার নামটি। ফিজিক্স পরিবারের ছাত্ররা বলেন, সত্যিই তিনি আমাদের সুপার হিরো, আমাদের ছায়া আমাদের বড় ভাই বিপদে আপদে হাত বাড়ালে যাকে পাই।

(ঢাকারনিউজ২৪.কম/এসডিপি/৩:০০পিএম/১৭/৩/২০১৮ইং)