

স্পোর্টস ডেস্ক : যদিও আধুনিক ক্রিকেটে সব দেশই ব্যাটিং সহায়ক উইকেটের দিকে মনোযোগ দিয়েছে। নিজ দেশের আবহাওয়া ও উইকেটের ফায়দা নিতে চাইলেও আজকাল বিজ্ঞাপন বাণিজ্য ও বিপননের কারণে স্বাগতিক দলের খেয়ালখুশিমতো উইকেট তৈরির প্রবণতা কমেছে।
এখন প্রায় সব দেশের উইকেট বিশেষ করে সীমিত ওভারের ম্যাচ ও সিরিজে পিচ মোটামুটি ব্যাটিং ফ্রেন্ডলিই থাকে। তেমন থাকলে সমস্যা নেই। কিন্তু যদি ২ যুগ আগের মতো থাকে, তাহলে চেমসফোর্ডে আইরিশদের বিপক্ষে শক্ত পরীক্ষায় পড়তে হবে তামিম-সাকিব-মুশফিক-লিটন-মিরাজদের।
কদিন আগে ঘরের মাঠে আয়ারল্যান্ডকে ওয়ানডে, টেস্ট আর টি-টোয়েন্টি; তিন ফরম্যাটেই হেসেখেলে হারিয়েছে বাংলাদেশ। ইংল্যান্ডের চেমসফোর্ডে আইরিশদের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজেও কি সহজ জয় পাবে টাইগাররা? প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদিন নান্নুর ধারণা, নাহ, ওতটা সহজ হবে না সিরিজটা।
আজ থেকে ঠিক ২৪ বছর আগে ১৯৯৯ সালে ইংল্যান্ডে প্রথমবার বিশ্বকাপ খেলতে গিয়েছিল বাংলাদেশ। নিজেদের প্রথম ম্যাচটি খেলেছিল এই চেমসফোর্ডে।
স্টিফেন ফ্লেমিং, ক্রিস কেয়ার্নস, ক্রিস হ্যারিস, গেভিন লারসেনদের সাজানো নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সে ম্যাচে মাত্র ১১৬ রানে গুটিয়ে গিয়ে ৬ উইকেটে হেরেছিল টাইগাররা। উইকেট ছিল পেস বোলিং সহায়ক। বল বাতাসে ও পিচে পড়ে সাপের মত এদিক ওদিক সুইং করছিল। টাইগারদের তাতেই নাভিশ্বাস উঠে ছাড়ে।
সেই বিশ্বকাপ স্কোয়াডের অন্যতম সদস্য ছিলেন বর্তমান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদিন নান্নু। তাই তার ধারণা, কন্ডিশনের ভিন্নতায় টাইগারদের কাজটা কঠিনই হবে।
আজ বিকেলে মোহাম্মদপুরে নিজের বাসায় গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপে নান্নু বলেন, ‘অবশ্যই অনেক চ্যালেঞ্জিং সিরিজ সামনে। কেননা ইংল্যান্ডের কন্ডিশনটা একদমই আলাদা।’
সে অনভ্যস্ত কন্ডিশনে টাইগাররা কতটা মানিয়ে নিতে পারবে? এমন প্রশ্নে নান্নুর জবাব, ‘আমি মনে করি যে, আমাদের প্লেয়াররা যথেষ্ট এক্সপেরিয়েন্সড আছে। মানিয়ে নেওয়ার সামর্থ্যও আছে তাদের। আশা করছি, যতই চ্যালেঞ্জ হোক, সেরা ক্রিকেটটাই খেলবে তারা।’
আপনার মতামত লিখুন :