

ঢাকারনিউজ২৪.কম, ডেস্ক : অন্যান্য আরব রাষ্ট্রগুলোর নাগরিকরা কাতারে নিরাপদে থাকবে বলে ঘোষণা দিয়েছে কাতার। প্রধানতম আরব রাষ্ট্রগুলো কাতারের প্রবাসী নাগরিকদের অবস্থান নিষিদ্ধ করলেও সে সব দেশের নাগরিকদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না কাতার। তারা দেশটিতে অবস্থান করার জন্য অনুমতি পাবে।
দেশটির সরকারপক্ষ থেকে রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমকে দেয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়, সম্পর্ক ছিন্ন করা রাষ্ট্রসমূহের কাতারে বসবাসকারী কোন নাগরিকের বিরুদ্ধে কোন ধরণের ব্যবস্থা নিবে না কাতার।
বিবৃতিতে আরো বলা হয়, কাতার নিজস্ব বিশ্বাস এবং নীতি অনুযায়ী এ ধরণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
গত সোমবার সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন কাতারের নাগরিকদের সে সব ছেড়ে যাওয়ার জন্য দুই সপ্তাহ সময় দেয় এবং তাদের নাগরিকদের কাতার ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা জারি করে এবং সমস্ত পরিবহন সংযোগ বন্ধ করে দেয়।
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল বলেছে, “কাতারের বিরোধিতা করে উপসাগরীয় দেশগুলি মানুষ নিয়ে খেলছে। এই রাজনৈতিক বিরোধ হাজার হাজার মানুষের ভোগান্তি বাড়াবে, তাদের হতাশ ও শঙ্কিত করবে।”
তবে সরকারী পরিসংখ্যান অনুযায়ী কাতারে অবস্থানরত সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাহরাইনের প্রায় ১১ হাজার নাগরিকের উপর কাতারের এ সিদ্ধান্ত ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে জানা গেছে।
দোহার ন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস কমিটির পরিসংখ্যান সূত্রে জানা যায়, ৮,২৫৪ সৌদি নাগরিক কাতারে বাস করে। এছাড়াও ২,৩৪৯ জন বাহরাইন এবং ৭৮৪ জন আরব আমিরাতের নাগরিকও রয়েছে দেশটিতে। সূত্র: দ্য এন আরব
(ঢাকারনিউজ২৪.কম/এসডিপি/১১:৪৫এএম/১২/৬/২০১৭ইং)
আপনার মতামত লিখুন :