• ঢাকা
  • সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:৪২ পূর্বাহ্ন

মরণঘাতি পথে দেশের কৃষি ও খাদ্যসম্ভার


প্রকাশের সময় : জানুয়ারী ২২, ২০১৭, ৯:১৮ AM / ১২৩
মরণঘাতি পথে দেশের কৃষি ও খাদ্যসম্ভার

 

ঢাকারনিউজ২৪.কম, সাতক্ষীরা : বহুজাতিক কোম্পানি দ্বারা প্রভাবিত হয়ে কৃষক ক্ষতিকর কীটনাশক ও রাসায়নিক সার ব্যবহারের মাধ্যমে মরণঘাতি পথে নিয়ে গেছে দেশের কৃষি ও খাদ্যসম্ভারকে। সাথে ফসল উৎপাদনে ক্ষতিকর রাসায়নিক সার ও কীটনাশকের ব্যবহার দিন দিন বাড়ছে বলে মনে করেন সাতক্ষীরার প্রায় ৯৭ দশমিক ৫ ভাগ কৃষক।

সম্প্রতি সাতক্ষীরায় বারসিক ইনস্টিটিউট অব এ্যাপ্লাইড স্ট্যাডিজ (বিয়াস) পরিচালিত এক গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে। শেখ তানজির আহমেদ ও আসাদুল ইসলাম নামের দুই তরুণ শিক্ষার্থী গবেষণাপত্রটি করেন।

শনিবার বেলা সাড়ে ১১টায় সাতক্ষীরা প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ‘ফসল উৎপাদনে ক্ষতিকর রাসায়নিক সার ও কীটনাশক ব্যবহারের অবস্থান অনুসন্ধান : প্রেক্ষাপট সাতক্ষীরা’ শীর্ষক মিট দ্য প্রেস অ্যান্ড ডায়ালগে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।

পরে সাতক্ষীরার তুজলপুর’র কৃষক সংগঠনের সভাপতি ইয়ারব হোসেনের সভাপতিত্বে মুক্ত আলোচনায় অংশ নেন, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বারী, সাংবাদিক সুভাষ চৌধুরী, অধ্যক্ষ আশেক-ই-এলাহী, আনিছুর রহিম, মমতাজ আহমেদ বাপী, ড. দিলীপ দেব, শরীফুল্লাহ কায়সার সুমন, রবিউল ইসলাম, আব্দুল জলিল, গবেষণা প্রতিষ্ঠান বারসিকের আঞ্চলিক সমন্বয়কারী কৃষিবিদ পার্থ সারথী পাল প্রমুখ।

জেলার ৫টি উপজেলার ২২টি ইউনিয়নে পরিচালিত এই গবেষণাপত্রে বলা হয়, ৬৭ দশমিক ৩ ভাগ কৃষকের মতে রাসায়নিক সার ও কীটনাশক ব্যবহারে নষ্ট হচ্ছে মাটির স্বাস্থ্য, স্থায়ীভাবে কমে যাচ্ছে উর্বরতা। বাকি ৩২ দশমিক ৭ ভাগ কৃষক এই বিষয়ে ধারণা রাখেন না।

৭৩ দশমিক ৫ ভাগ মানুষ মনে করেন কীটনাশক দিয়ে উৎপাদিত ফসল খেলে শরীরে ধীর গতিতে দীর্ঘ মেয়াদি বিষক্রিয়া হয়। একইভাবে কীটনাশক ব্যবহারে সতর্ক না হওয়ায় জীবনীশক্তি কমে যায় উৎপাদনকারীর। বাকি ২৬ দশমিক ৫ ভাগ মানুষ জনস্বাস্থ্যের উপর রাসায়নিক সার ও কীটনাশকের নেতিবাচক প্রভাব নিয়ে কখনও ভাবেন না।

এই গবেষণায় দেখা গেছে, তথ্যদাতাদের ৬৯ দশমিক ৭ ভাগ কৃষকই রাসায়নিক সার ও কীটনাশকের ব্যবহার প্রাণবৈচিত্র্যের জন্য হুমকি মনে করেন।

(ঢাকারনিউজ২৪.কম/অারএম/৯:১৫এএম/২২/১/২০১৭ইং)