

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা : রাজধানীর নয়াপল্টনের যাদু মিয়া মিলনায়তনে শনিবার বিশিষ্ট রাজনীতিক ও সমাজসেবিকা নাজহাত গানি শবনমের ৭ম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ ঢাকা মহানগর আয়োজিত স্মরণ সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।
ন্যাপ ঢাকা মহানগর সভাপতি মো. শহীদুননবী ডাবলু’র সভাপতিত্বে আলোচনায় বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ন্যাপ মহাসচিব গোলাম মোস্তফা ভূইয়া, এনডিপি মহাসচিব মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা, ন্যাপ ভাইস চেয়ারম্যান স্বপন কুমার সাহা, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. কামাল ভুইয়া, মহানগর সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম, যুগ্ম সম্পাদক মো. শামিম ভুইয়া, মহিলা সম্পাদিকা সাদিয়া ইসলাম ইমন, যুব নেতা আবদুল্লাহ আল কাউছারী প্রমুখ।
বাংলাদেশ ন্যাপ মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত বাংলাদেশের সংবিধানে স্পষ্ট করে বলা আছে সমাজ ও রাষ্ট্র হবে বৈষম্যহীন। আর সেই সমাজ নির্মানেই কাজ করেছেন নাজহাত গানি শবনম।
তিনি বলেন, মরহুমা নাজহাত গাণি শবনম আমাদের অবিভাবক হিসাবে জাতীয় সংকট ও জাতীয় রাজনীতিতে করণীয় নির্ধারনে যথাযথ ভূমিকা পালন করেছিলেন। তিনি যে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে স্বপ্ন দেখতেন তা আজও বাস্তবায়ন হয়নি।
গোলাম মোস্তফা আরো বলেন, মওলানা ভাসানী বৈষম্যহীন সমাজের কথা বলতেন বারবার। তিনি বলতেন সমাজ শোষক এবং শোষিত- এ দুই ভাগে বিভক্ত। তিনি আজীবন শোষিতের পক্ষে বলে ঘোষণা দিয়েছিলেন। কিন্তু, দু:খ জনক হলেও সত্য আজ শাসকগোষ্ঠি শোষকের পক্ষে, শোষিতের বিপক্ষে। মওলানা ভাসানীর প্রদর্শিত নীতি থেকে সরে আসলে আমাদের জন্য নিঃসন্দেহে ভয়ঙ্কর হবে।
মোস্তফা বলেন, সরকারের ঘোষিত বাজেটে যে উন্নয়ন, প্রবৃদ্ধির কথা বলা হচ্ছে তা কি বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের? উন্নয়নের সুবিধা ভোগ করতে পারছে না দেশের ৯৫% মানুষ, ভোগ করছে ৫% মানুষ, যারা বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বও করেন না। তারা সুযোগ পেলেই বিদেশে অর্থপাচার করে আসছেন। গত ১০ বছরে ছয় লাখ কোটি টাকা বিদেশে পাচার হয়েছে বলে গণমাধ্যমসহ বিভিন্ন সূত্রে খবর এসেছে। এই পাচারের ক্ষমতা সাধারণ মানুষ রাখেন না। অথচ অর্থপাচার নিয়ে অর্থমন্ত্রী তার বাজেট বক্তৃতায় একটি শব্দও উচ্চারণ করেননি। তার মানে সরকার জানার পরও প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নিতে পারছে না। অথচ এটি একটি গুরুতর সমস্যা এবং সমাধান সময়ের দাবি।
(ঢাকারনিউজ২৪.কম/আরএম/১১:২৮পিএম/২২/৬/২০১৯ইং)
আপনার মতামত লিখুন :