

ঢাকারনিউজ২৪.কম, ডেস্ক : পুরুষরা তাদের মনের গোপন কষ্টগুলো প্রকাশ করার চেয়ে চেপে রাখতেই বেশি পছন্দ করে। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় এমন তথ্য উঠে এসেছে। যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া ইউনিভার্সিটির মনোবিজ্ঞানী টিমোথি উইলসন তার বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশাপাশি হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশ কয়েকজন সহযোগীর সহায়তায় গবেষণার পর এই সিদ্ধান্তে উপনীত হন।
তারা মোট ১১ ধাপে পরিচালিত গবেষণার ফল নিয়ে গবেষণার পর এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেন। তারা দেখতে পান, মনের দুঃখ শেয়ার করার পরিবর্তে পুরুষরা হয় দুঃখটাকে সহনীয় সীমায় আনতে চায় অথবা দুঃখজয়ের দিবাস্বপ্নে মশগুল থাকে।
টিমোথি উইলসন বলেন, “আমরা যারা এই গবেষণায় হাত দিয়েছিলাম, তারা সবাই গবেষণার ফল দেখে বিস্মিত না হয়ে পারিনি। বিশেষ করে আমি নিজেই হতবাক হয়ে গেছি।” টিমোথি উইলসন ও তার কলিগদের সঙ্গে ভলান্টিয়াররা ছয় থেকে ১৫ মিনিট সময় কাটান।
প্রথম গবেষণায় অংশ নেয়া অধিকাংশ ভলান্টিয়ার ছিলেন কলেজ শিক্ষার্থী। তারা সবাই এটা স্বীকার করেছেন, মানসিক কষ্ট নিয়ে একনাগাড়ে বেশিক্ষণ চিন্তা করা যেমন যায় না, তেমনি এসব চিন্তা উপভোগ্যও নয়। আবার মনোকষ্টের ব্যাপারে অখণ্ড মনোযোগ দেয়াও বেশ কঠিন কাজ। পরে টিমোথি উইলসন ১৮ বছর থেকে ৭৭ বছর বয়সী পুরুষদের নিয়ে গবেষণা করে একই ফল পান।
উইলসন বলেন, “আমরা বিস্মিতই হলাম। কারণ দেখতে পেলাম বুড়ো পুরুষও মনের দুঃখ নিরিবিলি বলে ভাবতে পছন্দ করেন না। তবে চেপে রাখতে চান।” পরে বিভিন্ন ধাপে ধাপে আর গবেষণার পর গবেষকরা দেখতে পান, পুরুষরা তাদের মনের দুঃখগুলো চেপে রেখে নানা জাগতিক তৎপরতায় নিজেদের জড়িয়ে ফেলেন।
অথচ স্মার্টফোনের মতো আধুনিক ডিভাইস থাকার পর পুরুষ মনের কথা বলে বেড়ানোর কাজে লিপ্ত হন না।
(ঢাকারনিউজ২৪.কম/আরএম/৯:০৯পিএম/২৭/৫/২০১৯ইং)
পুরুষরা কষ্ট চেয়ে রাখতেই বেশি পছন্দ করে
ঢাকারনিউজ২৪.কম, ডেস্ক : পুরুষরা তাদের মনের গোপন কষ্টগুলো প্রকাশ করার চেয়ে চেপে রাখতেই বেশি পছন্দ করে। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় এমন তথ্য উঠে এসেছে। যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া ইউনিভার্সিটির মনোবিজ্ঞানী টিমোথি উইলসন তার বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশাপাশি হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশ কয়েকজন সহযোগীর সহায়তায় গবেষণার পর এই সিদ্ধান্তে উপনীত হন।
তারা মোট ১১ ধাপে পরিচালিত গবেষণার ফল নিয়ে গবেষণার পর এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেন। তারা দেখতে পান, মনের দুঃখ শেয়ার করার পরিবর্তে পুরুষরা হয় দুঃখটাকে সহনীয় সীমায় আনতে চায় অথবা দুঃখজয়ের দিবাস্বপ্নে মশগুল থাকে।
টিমোথি উইলসন বলেন, “আমরা যারা এই গবেষণায় হাত দিয়েছিলাম, তারা সবাই গবেষণার ফল দেখে বিস্মিত না হয়ে পারিনি। বিশেষ করে আমি নিজেই হতবাক হয়ে গেছি।” টিমোথি উইলসন ও তার কলিগদের সঙ্গে ভলান্টিয়াররা ছয় থেকে ১৫ মিনিট সময় কাটান।
প্রথম গবেষণায় অংশ নেয়া অধিকাংশ ভলান্টিয়ার ছিলেন কলেজ শিক্ষার্থী। তারা সবাই এটা স্বীকার করেছেন, মানসিক কষ্ট নিয়ে একনাগাড়ে বেশিক্ষণ চিন্তা করা যেমন যায় না, তেমনি এসব চিন্তা উপভোগ্যও নয়। আবার মনোকষ্টের ব্যাপারে অখণ্ড মনোযোগ দেয়াও বেশ কঠিন কাজ। পরে টিমোথি উইলসন ১৮ বছর থেকে ৭৭ বছর বয়সী পুরুষদের নিয়ে গবেষণা করে একই ফল পান।
উইলসন বলেন, “আমরা বিস্মিতই হলাম। কারণ দেখতে পেলাম বুড়ো পুরুষও মনের দুঃখ নিরিবিলি বলে ভাবতে পছন্দ করেন না। তবে চেপে রাখতে চান।” পরে বিভিন্ন ধাপে ধাপে আর গবেষণার পর গবেষকরা দেখতে পান, পুরুষরা তাদের মনের দুঃখগুলো চেপে রেখে নানা জাগতিক তৎপরতায় নিজেদের জড়িয়ে ফেলেন।
অথচ স্মার্টফোনের মতো আধুনিক ডিভাইস থাকার পর পুরুষ মনের কথা বলে বেড়ানোর কাজে লিপ্ত হন না।
(ঢাকারনিউজ২৪.কম/আরএম/৯:০৯পিএম/২৭/৫/২০১৯ইং)
পুরুষরা কষ্ট চেয়ে রাখতেই বেশি পছন্দ করে
ঢাকারনিউজ২৪.কম, ডেস্ক : পুরুষরা তাদের মনের গোপন কষ্টগুলো প্রকাশ করার চেয়ে চেপে রাখতেই বেশি পছন্দ করে। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় এমন তথ্য উঠে এসেছে। যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া ইউনিভার্সিটির মনোবিজ্ঞানী টিমোথি উইলসন তার বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশাপাশি হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশ কয়েকজন সহযোগীর সহায়তায় গবেষণার পর এই সিদ্ধান্তে উপনীত হন।
তারা মোট ১১ ধাপে পরিচালিত গবেষণার ফল নিয়ে গবেষণার পর এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেন। তারা দেখতে পান, মনের দুঃখ শেয়ার করার পরিবর্তে পুরুষরা হয় দুঃখটাকে সহনীয় সীমায় আনতে চায় অথবা দুঃখজয়ের দিবাস্বপ্নে মশগুল থাকে।
টিমোথি উইলসন বলেন, “আমরা যারা এই গবেষণায় হাত দিয়েছিলাম, তারা সবাই গবেষণার ফল দেখে বিস্মিত না হয়ে পারিনি। বিশেষ করে আমি নিজেই হতবাক হয়ে গেছি।” টিমোথি উইলসন ও তার কলিগদের সঙ্গে ভলান্টিয়াররা ছয় থেকে ১৫ মিনিট সময় কাটান।
প্রথম গবেষণায় অংশ নেয়া অধিকাংশ ভলান্টিয়ার ছিলেন কলেজ শিক্ষার্থী। তারা সবাই এটা স্বীকার করেছেন, মানসিক কষ্ট নিয়ে একনাগাড়ে বেশিক্ষণ চিন্তা করা যেমন যায় না, তেমনি এসব চিন্তা উপভোগ্যও নয়। আবার মনোকষ্টের ব্যাপারে অখণ্ড মনোযোগ দেয়াও বেশ কঠিন কাজ। পরে টিমোথি উইলসন ১৮ বছর থেকে ৭৭ বছর বয়সী পুরুষদের নিয়ে গবেষণা করে একই ফল পান।
উইলসন বলেন, “আমরা বিস্মিতই হলাম। কারণ দেখতে পেলাম বুড়ো পুরুষও মনের দুঃখ নিরিবিলি বলে ভাবতে পছন্দ করেন না। তবে চেপে রাখতে চান।” পরে বিভিন্ন ধাপে ধাপে আর গবেষণার পর গবেষকরা দেখতে পান, পুরুষরা তাদের মনের দুঃখগুলো চেপে রেখে নানা জাগতিক তৎপরতায় নিজেদের জড়িয়ে ফেলেন।
অথচ স্মার্টফোনের মতো আধুনিক ডিভাইস থাকার পর পুরুষ মনের কথা বলে বেড়ানোর কাজে লিপ্ত হন না।
(ঢাকারনিউজ২৪.কম/আরএম/৯:০৯পিএম/২৭/৫/২০১৯ইং)
আপনার মতামত লিখুন :