• ঢাকা
  • বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:৪৬ অপরাহ্ন

ভয়াবহ রোগের সমাধান দেবে মধু


প্রকাশের সময় : ডিসেম্বর ১৫, ২০১৮, ৩:৫১ PM / ১০৩
ভয়াবহ রোগের সমাধান দেবে মধু

ঢাকারনিউজ২৪.কম, ডেস্ক : আদিকাল থেকেই মানুষ প্রাকৃতিক উপায়ে বিভিন্ন রোগের চিকিৎসা নিয়ে থাকে। বিভিন্ন ভেষজ উদ্ভিদের পাশাপাশি আদিকালের মানুষ ব্যবহার করতো মধু। মধুকে সকল রোগের মহাওষুধ বলা হয়। আধুনিক বিজ্ঞানও তা প্রমাণ করেছে। মধুতে অন্তত ৭টি রোগের সমাধান লুকিয়ে আছে। ১। আলসার সারায় সাম্প্রতিক কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, পথ্য হিসেবে নিয়মিত মধু সেবনের মধ্য দিয়ে আলসারসহ অন্ত্রের রোগ সারাতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। ২। ক্যানসার ও হৃদ্রোগ মধুতে এমন ফ্ল্যাভোনোয়েড ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আছে যা কিছু ক্যানসার ও হৃদ্রোগ প্রতিরোধে সহায়ক। ফলে নিয়মিত মধু পানে ক্যানসার ও হৃদ্রোগের ঝুঁকি কমে। ৩। ব্যাকটেরিয়া নিরোধী মধু বানানোর প্রক্রিয়ায় মৌমাছি এমন একটা এনজাইম যুক্ত করে যা হাইড্রোজেন পার অক্সাইড তৈরি করে। ফলে মধু সব সময়ই ব্যাকটেরিয়া ও ছত্রাক-নিরোধী। ৪। সর্দি-কাশি সারাতে কেউ নিয়মিত মধু সেবন করলে শরীরে বিশেষ কিছু রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে বলে সহসা এমন সর্দি-কাশি ঘায়েল করতে পারে না। আর কাউকে সর্দি-কাশি পেয়ে বসলে তা সারিয়ে তুলতে মধুর জুড়ি নেই। নিয়মিত মধু খেলে ঘুমও ভালো হয়। ৫। আয়ুর্বেদিক মহৌষধ অন্ততপক্ষে চার হাজার বছর ধরে ভারতীয় উপমহাদেশের চিকিৎসা শাস্ত্রে মধুর নানাবিধ ব্যবহার চালু আছে। দৃষ্টি শক্তি বাড়াতে, ওজন কমাতে, পুরুষত্বহীনতা সারিয়ে তুলতে, প্রস্রাবে সংক্রমণ সারাতে, হাঁপানি দূর করতেও মধুকে ওষুধ হিসেবে ব্যবহার করা হয়। ৬। ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে ফ্রুকটোজ আর গ্লুকোজের পরিমাণের যথাযথ সমন্বয় রক্তে শর্করার পরিমাণ বা ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে খুবই প্রয়োজনীয়। মধুতে শর্করা থাকলেও তা সাদা চিনি বা কৃত্রিম চিনির মতো নয়। কিছু মধু রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখতে পারে। ৭। জখম ও ক্ষত সারাতে হালকা কাটাছেঁড়ার জখম কিংবা ত্বকের পুড়ে যাওয়া সারাতেও মধু ব্যবহার করেন অনেকে। মধুর ব্যাকটেরিয়া ও ছত্রাক নিরোধী গুণের কারণেই বাহ্যিকভাবেও এটা ব্যবহার করা যায়। এই লিখাটি পড়ে আপনি যদি একটু হলেও উপকৃত হন, তবে লিখাটি শেয়ার করে আপনার বন্ধুদের উপকৃত হবার সুযোগ করে দিন!
(ঢাকারনিউজ২৪.কম/আরএম/৩:৫৩পিএম/১৫/১২/২০১৮ইং)