

ঢাকারনিউজ২৪.কম, ডেস্ক : ভারতের কেরালা রাজ্যে বন্যা ও ভূমিধসে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩২৪ জনে দাঁড়িয়েছে। নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
১৭ আগস্ট, শুক্রবার মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ান মৃতের এ সংখ্যা নিশ্চিত করেছেন।
এদিকে দেশটির আবহাওয়া অধিদফতর থেকে জানানো হয়েছে, মুষলধারে হওয়া এ বৃষ্টি শনিবারের আগে থামার কোনো সম্ভাবনা নেই।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উদ্ধারকারীরা নৌকায় করে শত শত মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিচ্ছেন, যেন নিহতের সংখ্যা আর না বাড়ে। বন্যা আর ভূমিধসের কারণে ইতোমধ্যে রাজ্যটির প্রায় দুই লাখ মানুষ গৃহহীন হয়ে পড়েছেন। এ ছাড়া বন্যায় ১০ হাজার কিলোমিটারেরও বেশি রাস্তা ধ্বংস হয়ে গেছে। প্রায় ১০০ বছরের মধ্যে কেরালায় এটি সবচেয়ে ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগ বলে জানা গেছে।
১৫০০ শরণার্থী শিবিরে আশ্রয় নিয়েছেন দুই লাখ ২৩ হাজারের বেশি মানুষ।
কেরালা রাজ্যে বন্যা। ছবি: সংগৃহীত
মুখ্যমন্ত্রী পিনরাই বিজয়ন টুইটারে লিখেছেন, ‘কেরলে রাস্তা পুনর্নির্মাণে দীর্ঘ সময় লাগবে। আপনার সামান্য সহযোগিতায় দ্রুত স্বাভাবিক অবস্থা ফিরতে পারে।’
এদিকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি শুক্রবার সকাল থেকেই সাবেক প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারি বাজপেয়ি শেষকৃত্য নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন। সন্ধ্যায় তিনি টুইটারে জানান, কেরলের উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন তিনি।
আরও পড়ুন: কেরালায় বন্যা ও ভূমিধসে ১৬৪ জন নিহত
বৃষ্টি এবং বন্যা-ভূমিধসের আশঙ্কায় কেরালা রাজ্যের ১৪টি জেলার মধ্যে ১৩টি জেলাতেই সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। রাজ্যের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এ ছাড়া বন্যার ফলে বুধবার থেকে আজ শনিবার পর্যন্ত বন্ধ রয়েছে কোচি বিমানবন্দর।
মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ান বানভাসি মানুষের জন্য ক্ষতিপূরণের ঘোষণা দিয়েছেন।
(ঢাকারনিউজ২৪.কম/আরএম/১০:৪৬এএম/১৮/৮/২০১৮ইং)
আপনার মতামত লিখুন :