• ঢাকা
  • শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:০৩ পূর্বাহ্ন

কাঠের সেতুটি ভেঙে যাওয়ায় লাখো মানুষের দুর্ভোগ!


প্রকাশের সময় : জুন ১৪, ২০১৭, ১১:৩৭ PM / ১৩৪
কাঠের সেতুটি ভেঙে যাওয়ায় লাখো মানুষের দুর্ভোগ!

ছাদেকুল ইসলাম রুবেল, গাইবান্ধা : রংপুর ও গাইবান্ধার দু’জেলার যোগাযোগে ঘাঘট নদীতে নির্মিত কাঠের সেতুটি ভেঙে যাওয়ায় লাখো মানুষের চরম দুর্ভোগ দেখা দিয়েছে। এ সময় মানুষগুলোর প্রায় ১০ কিলোমিটার পথ ঘুরে যেতে হচ্ছে শহরে। ফলে জরুরী প্রয়োজন কিংবা নিত্যদিনের কাজ করতে ওই এলাকার মানুষজন দুর্ভোগ পোহাচ্ছে। ওই দু’জেলার মিঠাপুকুর এবং সুন্দরগঞ্জ উপজেলার যোগাযোগ রক্ষায় মিঠাপুকুরের ইমাদপুর চকেরঘাটে ঘাঘট নদীতে সেতুটি নির্মিত হয়েছিল।
এলাকাবাসী জানায়, রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার সাথে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার যোগাযোগের জন্য মিঠাপুকুরের ইমাদপুর চকেরঘাট নামকস্থানে ঘাঘট নদীর উপর এলাকাবাসীর উদ্যোগে ২০১৪ সালে একটি কাঠের সেতু নির্মাণ করা হয়। প্রায় ১শ ফুট দৈর্ঘ্য এ সেতুটি নির্মাণে ৫ লক্ষাধিক টাকা ব্যয় হয়েছিল। ওই সময় মিঠাপুকুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জাকির হোসেন ৬০ হাজার টাকাও দিয়েছিলেন। সেতুটির উপর দিয়ে রোগী ও বিয়ের যাত্রী পরিবহনে কার-মাইক্রোবাসও চলাচল করতো।
পাশাপাশি ওই এলাকার মির্জাপুর বছির উদ্দিন মহাবিদ্যালয়, মির্জাপুর উচ্চ বিদ্যালয়, ইমাদপুর ফাজিল মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থীরাও পারাপার হতো। এছাড়াও সেখানে ব্যাংক, বীমা, এনজিও রয়েছে। প্রায় ৩ বছর পর এ বছর সেতুটির এক পাশে ভেঙে গেলে উল্লেখিত দু’উপজেলার যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। ফলে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী বেকায়দায় পড়েন। এখন এসব এলাকার মানুষগুলোকে প্রায় ১০ কি.মি পথ ঘুরে সুন্দরগঞ্জ, মির্জাপুর, শঠিবাড়ী ও মিঠাপুকুরে যাতায়াত করতে হচ্ছে।
সেতুটি নির্মাণের উদ্যোক্তারা জানান, আমরা ৫ লাখ টাকা ব্যয়ে এই স্থানে একটি কাঠের সেতু নির্মাণ করেছিলাম। কিন্তু সেটি ভেঙে গেছে। এখানে সেতু নির্মিত হলে রংপুর-গাইবান্ধায় যাতায়াত সহজ হতো। পাশাপাশি রোগী পরিবহনসহ প্রয়োজনীয় সব কাজ দ্রুত করা সম্ভব হতো।
মির্জাপুর বছির উদ্দিন মহাবিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নন্দিতা রানী, শ্যামলী, ইশরাত জাহান, সোহেল রানা, পলাশ মিয়া জানান, কাঠের সেতুটি ভেঙে যাওয়ায় আমরা কলেজে যেতে পারছি না।
ইমাদপুর আদর্শপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নাবিল মিয়া, পায়েল, নজরুল ইসলাম জানান, আমরা অনেকেই সাতার জানি না। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নৌকায় করে যাতায়াত করছি। আমরা এখানে একটি ব্রিজ চাই।
ইমাদপুর ইউপির চেয়ারম্যান আফছার আলী জানান, উল্লেখিত স্থানে একটি ব্রিজ নির্মাণের ব্যাপারে উপজেলা পরিষদের সভায় উত্থাপন করেছি। এখন ভেঙে যাওয়া সেতুটি সংস্কার করা প্রয়োজন।

 

(ঢাকারনিউজ২৪.কম/এসডিপি/১১:৩২পিএম/১৪/৬/২০১৭ইং)