• ঢাকা
  • রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:৪৭ অপরাহ্ন

রসুনের উৎসবে ভাসছে পলাশবাড়ি


প্রকাশের সময় : মার্চ ১৫, ২০১৭, ১০:৩৬ AM / ২০৪
রসুনের উৎসবে ভাসছে পলাশবাড়ি

 

ছাদেকুল ইসলাম রুবেল, গাইবান্ধা : যেদিকে তাকাই শুধু নজরে আসে রসুন আর রসুন। মাঠ থেকে রসুন তুলে বিভিন্ন জায়গায় বস্তা করে রাখা হয়েছে। বাম্পার ফলন,দামো খুব ভালো। প্রতি বস্তা রসুন ৪ হাজার টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

এবারে রসুন চাষে উৎপাদন খরচের চেয়ে প্রায় ৩ গুন বেশী লাভ হচ্ছে। রসুন মাঠে এমন অবস্থা দেখে মনে হয় কোন উৎসব শুরু হয়েছে চিরিরবন্দরের রসুনের মাঠ গুলোতে। উপজেলার দিগন্ত মাঠে শুধুই রসুনের শ্রমিক। কেউ উত্তোলন করছে, কেউবা রসুনের গাছ কাটছে, আবার কেউ রসুন শুকানো হলে বাজারে নিয়ে যাওয়ার জন্য বস্তা করছে। কোন ধরনের ধম ফেলার সুযোগ নেই চাষি ও শ্রমিকদের। এমনকি বহিরাগত মহিলা শ্রমিক এসে মেটাচ্ছেন রসুর উত্তোলনের চাহিদা।ু
উপজেলা কৃষি সম্পাসারন সূত্র বলছে, চলতি মৌসুমে রসুনের ভালো দাম থাকায় রেকর্ড পরিমান জমিতে রসুনের চাষাবাদ করা হয়েছে। এ বছর ৩ শত ৪৭ হেক্টর জমিতে রসুন চাষের লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। কিন্তু রসুন চাষ হয়েছে ৬ শত ৮০ হেক্টর জমিতে। যা গত কয়েক বছরের তুলনায় অনেক বেশি। কৃষকের পাশাপাশি অনেক দিনমজুর রসুন চাষ করে হয়েছেন স্বাবলম্বী। দেখা দিয়েছে চাষির মুখে হাসির ঝিলিক।
বিশিষ্ট রসুন চাষী রফিকুল ইসলাম জানান, দুই বিঘা জমিতে রসুন চাষে বীজ, সার, বপন, হাল চাষ, নিড়ানী ও অন্যান্য খরচ হয়েছে প্রায় ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা, উৎপাদন হয়েছে প্রায় ৮০ মণ। যার বর্তমান বাজার মূল্য ৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা। উৎপাদন ও আনুসাঙ্গিক খরচ দিয়ে মুনাফা থাকে প্রায় ১ লাখ ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকার মত।
এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি অফিসার জানান,উত্তরবঙ্গে কৃষি শস্য ভান্ডার হিসাবে পরিচিত লাভ করেছে বৃহত্তর পলাশবাড়ি উপজেলা। এই অবদান উপজেলার প্রান্তিক কৃষকদের। তিনি আরো জানান, চলতি বছর আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় রসুনক্ষেতে কোন ধরনের ইনজুড়ি কিংবা অন্যান্য রোগের আক্রমণ কম হয়েছে।

(ঢাকারনিউজ২৪.কম/এসডিপি/১০:৩০এএম/১৫/৩/২০১৭ইং)