

যশোরের পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম বলেছেন, বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্বাচনি জনসভায় সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সমাবেশস্থলে তিনস্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে। পাঁচ শতাধিক পুলিশ সদস্য সমাবেশস্থল পাহারায় নিয়োজিত থাকবে। এদের মধ্যে একশ পুলিশের শরীরে স্থাপন করা থাকবে ক্যামেরা। তিনি (তারেক রহমান) হেলিকপ্টারে যেখানে নামবেন, সেখানে এবং হেলিপ্যাড থেকে সভাস্থল পর্যন্ত পুলিশের পক্ষ থেকে দুই স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) বিকালে জনসভাস্থল যশোর উপশহর কলেজ মাঠে প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব তথ্য জানান।
পুলিশ সুপার বলেন, মঞ্চের চারপাশে দুইস্তরের পুলিশি নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে। পোশাক পরিহিত পুলিশ সদস্য ছাড়াও ডিবি এবং ডিএসবি সদস্যরা সেখানে অবস্থান করবে। সভাস্থলের চারপাশে বড় বড় গাছ আছে। সভা চলাকালে ওই গাছে যাতে কেউ অবস্থান করতে না পারে, সেদিকে নজর থাকবে পুলিশের।
তিনি বলেন, এ বিষয়ে জেলা বিএনপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা হয়েছে, তারা সবসময় পুলিশের কাজের সহযোগিতা করবেন বলে জানিয়েছেন।
তিনি জানান, যানবাহন রাখার জন্য শহরের পাঁচটি স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে। সভাস্থলে ভিআইপি গাড়ি ছাড়া অন্য কোনো যানবাহন প্রবেশ করবে না। এজন্য পর্যাপ্ত ট্রাফিক পুলিশের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, আগামী সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে এই প্রথম পুলিশের শরীরে ক্যামেরা স্থাপন করা হচ্ছে। যাতে দুর্বৃত্তরা অপরাধ করে পালিয়ে গেলেও তাদের অপরাধ ওই ক্যামেরায় রেকর্ড রাখা যায়। সভাস্থলে থাকা পুলিশ সদস্যদের বডিতেও ক্যামেরা থাকবে। শতাধিক পুলিশ ‘বডি অন ক্যামেরা’ ব্যবহার করবে।
পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম বলেছেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু এবং সুন্দরভাবে সফল করতে পুলিশ অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছে। নানারকম পদক্ষেপও গ্রহণ করা হয়েছে। সোমবারের জনসভাস্থলের দায়িত্ব পালনকারী পুলিশ সদস্যদের একটি রিহার্সেলও হয়ে যাবে। তিনি এ বিষয়ে সবার সহযোগিতা কামনা করেছেন।
প্রেস ব্রিফিং শেষে পুলিশ সুপার সভাস্থল ঘুরে দেখেন। সেখানে থাকা পুলিশ সদস্য ও বিএনপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) আবুল বাশার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক সার্কেল) আহসান হাবীব, কোতোয়ালি থানার ওসি ফারুক আহমেদ, ডিবি পুলিশের ওসি শেখ মোহাম্মদ আলী প্রমুখ।
আপনার মতামত লিখুন :