ঢাকারনিউজ২৪.কম, ঢাকা : আসন্ন নির্বাচন পরিচালনার ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনার মোঃ রফিকুল ইসলাম, কবিতা খানম ও শাহাদাৎ হোসেন ক্ষমতাসীন দলের স্বার্থের পক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ।
আজ শুক্রবার (৭ ডিসেম্বর) রাজধানীর নয়াপল্টনস্থ দলীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।
রিজভী আহমেদ বলেন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম নিয়মিত এঁদের সাথে ফোনে নির্বাচনের বিভিন্ন ধরণের খুঁটিনাটি বিষয় নিয়ে আলাপ-আলোচনা করে থাকেন বলেও জনান্তিকে নানা কথা ভেসে বেড়ায়। সরকারের এজেন্ডা বাস্তবায়নের মূল দায়িত্ব এঁদের মধ্যে সিনিয়র একজনকে দেয়া হয়েছে। এই কমিশনারের মাধ্যমে ইসিকে এইচ টি ইমাম সব ধরণের নির্দেশনা দেন।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে প্রতিদিন সিইসি’র নিকট বার্তা বাহকের মাধ্যমে বিভিন্ন ধরণের নির্দেশনা পাঠানো হয়। সিইসি’র দফতর থেকে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
বিএনপির এ নেতা অভিযোগ করে বলেন, রিটার্নিং অফিসারদের নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সেল স্থাপন করা হয়েছে। গত ২রা ডিসেম্বর মনোনয়ন যাচাই-বাছাইয়ের সময় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সংশ্লিষ্ট সেলের কাছে থেকে পরামর্শ নিয়ে বিএনপি ও আওয়ামী লীগের বিদ্রোহীদের প্রার্থিতা বাতিল করা হয়। বিশেষ করে আওয়ামী লীগের সংশ্লিষ্ট কাউকে স্বতন্ত্র প্রার্থী না করার বিষয়ে কড়া নির্দেশনা ছিল। নির্বাচন কমিশনও আপিলে স্বতন্ত্র প্রার্থিতা বহালের ক্ষেত্রে ওই নির্দেশনা অনুসরণ করেছে। সাবেক নির্বাচন কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল মোবারককে আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনা সেলের আইন উপদেষ্টা হিসাবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে।
এছাড়াও আওয়ামী লীগ সারাদেশে দুই লাখ পোলিং এজেন্টকে বিভিন্নভাবে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করছে। নিয়ন্ত্রিত ভোট করার বিষয়ে তাদেরকে ভোটকেন্দ্রে অবস্থানের কৌশল শেখানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
একইসঙ্গে বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদেরকে গ্রেফতারের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারসহ অবিলম্বে তাদের নি:শর্ত মুক্তির জোর দাবি করেন তিনি।
(ঢাকারনিউজ২৪.কম/আরএম/১:৩৮পিএম/৭/১২/২০১৮ইং)
প্রধান সম্পাদক : সোনিয়া দেওয়ান প্রীতি