ঢাকারনিউজ২৪.কম, সিলেট : জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ক্যারিয়ারে চতুর্থবারের মতো পাঁচ বা তার বেশি উইকেট নেয়ার কীর্তি উদযাপন করলেন তাইজুল ইসলাম। তার ঘূণিতেই ১১৭.৩ ওভারে ২৮২ রানে গুটিয়ে যায় সফরকারীরা। ৬ উইকেট লাভ করেন তাইজুল। জিম্বাবুয়ের হয়ে ১৯২ বলে ৬টি চারে ৬৩ রানে অপরাজিত থাকেন পিটার মুর।
এর আগে জিম্বাবুয়ের অষ্টম উইকেট তুলে নেন নামজুল ইসলাম অপু। ব্র্যান্ডন মাভুতাকে এলবির ফাঁদে ফেলে নিজের দ্বিতীয় উইকেট শিকার করেন অভিষেক টেস্ট খেলতে নামা এই স্পিনার। এরপর কাইল জারভিস ও তেন্দাই চাতারাকে পর পর দুই বলে বিদায় করেন তাইজুল।
দ্বিতীয় দিন শুরুতেই জিম্বাবুয়ে শিবিরে জোড়া আঘাত করেন তাইজুল ইসলাম। এই স্পিনার তার ঘূর্ণিতে সর্বশেষ তুলে নেন ওয়েলিংটন মাসাকাদজাকে। এর আগে তাইজুলের বলেই জিম্বাবুয়ের ষষ্ঠ উইকেট জুটি ভাঙে। ৮৫ বলে ২৮ করে নাজমুল হোসেন শান্তকে ক্যাচ দেন রেগিস চাকাভা। তিনি পিটার মুরের সঙ্গে ৬০ রানের জুটি গড়েন।
সিরিজের প্রথম টেস্টে দ্বিতীয় দিন জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ফের ফিল্ডিংয়ে নামে বাংলাদেশ। যেখানে প্রথম দিন ৯১ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ২৩৬ রান তুলেছিল জিম্বাবুয়ে।
এর আগে প্রথম দিন সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টসে হেরে ফিল্ডিংয়ে নামে টাইগাররা। তবে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারালেও হ্যামিল্টন মাসাকাদজা (৫২) ও শেন উইলিয়ামসের হাফসেঞ্চুরিতে ভালো সংগ্রহের দিকে এগিয়ে যায় জিম্বাবুয়ে। ১২ রানের জন্য উইলিয়ামসকে সেঞ্চুরি বঞ্চিত করেন বাংলাদেশ অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।
প্রথম দিনের শেষে পিটার মুর ৩৭ ও রেগিস চাকাভা ২০ রানে অপরাজিত থেকে মাঠ ছাড়েন। বাংলাদেশি বোলারদের মধ্যে তাইজুল ইসলাম দুটি উইকেট পান। এছাড়া একটি করে উইকেট তুলে নেন আবু জায়েদ রাহি, নাজমুল ইসলাম ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।
বাংলাদেশ একাদশ: লিটন দাস, ইমরুল কায়েস, নাজমুল হোসেন শান্ত, মুমিনুল হক, মুশফিকুর রহিম (উইকেটকিপার), মাহমুদউল্লাহ (অধিনায়ক), আরিফুল হক, মেহেদী মিরাজ, তাইজুল ইসলাম, নাজমুল ইসলাম অপু, আবু জায়েদ।
জিম্বাবুয়ে একাদশ: হ্যামিল্টন মাসাকাদজা, ব্রায়ান চারি, ব্রেন্ডন টেইলর, শন উইলিয়ামস, সিকান্দার রাজা, পিটার মুর, রেজিস চাকাভা, ব্র্যান্ডন মাভুটা, কাইল জার্ভিস, ওয়েলিংটন মাসাকাদজা, টেন্ডাই চাটারা।
(ঢাকারনিউজ২৪.কম/আরএম/১২:৩৩পিএম/৪/১১/২০১৮ইং)
প্রধান সম্পাদক : সোনিয়া দেওয়ান প্রীতি