সবুজ আহমেদ, রওদা(রিয়াদ) থেকে : সরকারী ও বেসরকারী হিসাব মতে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা প্রবাসীদের সংখ্যা ১ কোটি ৬ লাখেরও ওপর।শুধু সৌদিতে শ্রমিক ও পেশাজীবী প্রবাসী রয়েছে ৩৫ লাখেরও বেশি।সবচেয়ে বেশি শ্রমিক রফতানি করা হয় দেশটিতে, এবং প্রবাসীদের আয়ের বড় একটা অংশ অথ্যাৎ রেমিটেন্স আসার দিকদিয়ে সৌদি আরবের অবস্থান বরাবর শীর্ষে।বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যমতে চলতি বছরের জানুয়ারিতে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিটেন্স ১৫৯ কোটি মার্কিন ডলার।যা মাসের হিসাবে এ যাবতকালের নতুন রেকর্ড়।রিজার্ভ পাঠানো মাসের তালিকাও যতারীতি সৌদি আরব সবার ওপরে।সৌদিতে অভিবাসী অনেক শ্রমিক বৈধ পন্থার পরিবর্তে অবৈধ পন্থা সহজলভ্য হওয়ায় ব্যাংকিং চ্যানেল বাদ দিয়ে অর্থ পাঠান।যা হুন্ডি নামে পরিচিত,উক্ত অর্থ বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ ফান্ডে জমা পড়েনা।মানি লন্ডারিং আইনের অতিরিক্ত কড়াকড়ি, বহু শ্রমিকের বৈধতাসনদ না থাকা এবং হুন্ডি ব্যবসায়ীদের অপতৎপরা কারণে প্রবাসী শ্রমিদের পাঠানো অর্থের ভাগ দেশের রিজার্ভ ভান্ডারে জমা হয়না।বিশেষ্ণদের মতে ব্যাংকিং চ্যানালে টাকা পাঠানো সহজীকরণ এবং হুন্ডি ব্যবস্থার অনৈতিক লেনদেন রোধ করা গেলে চলতি অর্থ বছরে দেশে রেকর্ড় পরিমান রিজার্ভ আসবে।
(ঢাকারনিউজ২৪.কম/আরএম/১০:৩৮এএম/১৭/২/২০১৯ইং)
প্রধান সম্পাদক : সোনিয়া দেওয়ান প্রীতি